সার্জারি, না অপারেশন?
তখন মেডিকেলের থার্ড ইয়ারে পড়ি। নতুন সার্জারি বই কিনে প্রচন্ড আশাহত হয়েছিলাম। সার্জারি বই আদ্যপান্ত। কিন্তু কোথাও লেখা নেই কিভাবে ছুরি-কাঁচি ধরতে হবে!
গুনতিটা ক্রমশই বেড়ে যায়।
কখনো ছিল ৫, তারপরে শুনলাম ১০,
এখন পনেরোর দিকে যাচ্ছে গুণতি।
‘মেঘে ঢাকা তারা’ ক’বার দেখলে? আমার এক পিসতুতো দাদা আছে, যার সাথে অনেকদিন বাদে দেখা হলেই আমি এই প্রশ্ন করি।
আমি নিশ্চিত যে মেঘে ঢাকা তারা একদিন দাদাভাই ২০ বারেরও বেশি দেখে ফেলবে। হয়তো বা দেখেও ফেলেছে এতদিনে!
শোলে অনেকেই দেখে, কিন্তু মেঘে ঢাকা তারা?
প্রথম প্রথম অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করতাম, এই পাগলামির কারণ কি দাদাভাই?!! আর কি কোন ভালো সিনেমা বের হয় না? তুমি মেঘে ঢাকা তারাই দেখে যাও এতবার করে?
উত্তর যেটা পেয়েছিলাম সেটা প্রথমে অর্থহীন বাজে কৌতুক বলে মনে হলেও ব্যাপারটা ভয়ংকর সত্যি।
দাদাভাই বলল, আমি প্রথমবার দেখে কিছু বুঝতেই পারিনি। তারপর দ্বিতীয়বার দেখা থেকে যতবার দেখছি ততবার মনে হচ্ছে সিনেমাটার এক নতুন মানে বেরিয়ে আসছে।ঋত্বিক ঘটকের এই সৃষ্টি অমর।
এইরকমই কথা বলতে শুনেছি আরো অনেক সৃষ্টির ব্যাপারেই।
সত্যজিৎ রায়ের ঘরে-বাইরে, সীমাবদ্ধ ।
মায়, শঙ্করের যে দু মলাটের মধ্যে ছাপানো একটা ছোট-বই, যেখান থেকে সীমাবদ্ধ সিনেমাটা তৈরি হয়েছে, তার জন্যও।
এ যেন এক প্রকাণ্ড পেঁয়াজের মত। যতবার খোলা ছাড়ানো হবে ততবার একটা অন্যরকম রং- আর অন্যরকম স্বাদ পাওয়া যাবে।
আমার চেনা এক এক আমলা দ্বিতীয়বার ‘সীমাবদ্ধ’ দেখে ঘেমে নেয়ে হরির দোকানের ফুলকপির সিঙারাটা না শেষ করেই শুয়ে পড়েন। পরদিন চাকরিতে ইস্তফা দিয়ে গাছের নার্সারি খুলেছিলেন। তিনি সম্ভবত শর্মিলা ঠাকুর আর বরুণ চন্দের কথোপকথন পেরিয়ে, সিনেমাটার আসল উপলক্ষ্যটা বুঝে ফেলেছিলেন।
আমাদের মেডিকেল লাইনেও এরকম অনেক পেঁয়াজ-বই আছে। সে বইগুলো যতবার পড়ি ততবার নতুন নতুন করে তার অর্থ আমার সামনে আসে।
এরকম একটা বই ছিল Bailey and Love
তখন মেডিকেলের থার্ড ইয়ারে পড়ি। জীবনের প্রথম সার্জারি বই কিনতে যাব, তাই মনটা খুবই খুশি। যদিও বইটার দাম আমার দুমাসের হোস্টেল খরচ থেকেও বেশি।
কিনতে বেশ কষ্ট হয়েছিল।
হোস্টেলে ফিরে যখন প্লাস্টিকের মোড়ক খুলে বইটা পড়তে শুরু করি তখন প্রচন্ড আশাহত হয়েছিলাম। সার্জারি বই-ই আদ্যপান্ত। কিন্তু কোথাও লেখা নেই কিভাবে অপারেশন করতে হবে।
কারণ তখন আমার কাছে অপারেশনের মানে, শরীর থেকে অসুখ বার করে, শরীরটা সেলাই করে দেওয়া। কিন্তু আসল সার্জারি যে শুধু সেটা নয়, সেটা বুঝতে সময় লেগেছিল আরো বেশ কয়েক বছর।
তারপর থেকে যখনই Bailey and Love আবার পড়ি তখনই তার থেকে নতুন নতুন মানে চোখের সামনে আসে।
থার্ড ইয়ার থেকে আজকে, এই বইয়ের অনেকগুলো সংস্করণ বেরিয়ে গেছে। আমারও বেশ কয়েক দশক পার হয়ে গেছে।
এখনো যদি আমি আবার Bailey and Love পড়ি তাহলে আনাচে-কানাচ থেকে বেরিয়ে পড়ে অন্য নানা রকমের তাৎপর্য। যদিও গত কয়েক দশকে সেই চ্যাপ্টারে বাক্যগুলোর তেমন কিছু পরিবর্তন হয়নি। কিন্তু যেটা পরিবর্তন হয়েছে, সেটা আমার মানসিকতার।
তাই এই বইয়ের প্রবাদপ্রতিম সার্জেন-লেখকদের কলম থেকে যা বেরিয়েছিল, তা যে রীতিমত গুপ্তধনের মত সে কথা বলার অপেক্ষা রাখে না।
Bailey and Love এর বই সার্জারির ডিসিশন মেকিং এর জন্য।
আর অপারেশন কিভাবে করতে হবে সেই বইগুলোর নাম অপারেটিভ সার্জিকাল টেক্সটবুক। এর মধ্যে বিখ্যাত ছিল ফারকুহারসন। Farquharson বইয়ের জন্ম 1954 য়, এরিক ফারকুহারসনের হাত ধরে।
তারপর হাল ধরেন তার মেয়ে মার্গারেট ফারকুহারসন। তিনিও সার্জেন। এনারা সব স্কটিশ লোকজন, এডিনবরায় পৈতৃক বাড়ি। স্কটল্যান্ডের লোকজনের হাস্যরস অন্যরকম। বইয়েও তার ছাপ পাতায় পাতায়।
তবে, ফারকুহারসন হতাশ করেননি! এ বইয়ে সেলাই-সূঁচ এই সমস্ত নিয়ে লেখা টেখা ছিল বটে। কিন্তু শেষে গিয়ে দেখলাম সেই এক Bailey and Love এর ছায়া। মানে মেঘে ঢাকা তারার ছায়া। যতবার পড়ব, তত নতুন তাৎপর্য।
এক সময়ে এসব বইয়ের নায়কদের বাস্তবে দেখেছিলাম, আর বুঝেছিলাম সার্জারির মূল কথা কখন অপারেশন করতে হবে আর কখন হবে না।
আর অপারেশন অল্প একটু করতে হবে, না কি অনেকখানি।
ইংল্যান্ডে গাইনি ক্যান্সারের ট্রেনিং এর শেষের দিকে, আমার বস আমাকে বললেন, এবার তোমার সময় হয়েছে অক্সফোর্ডের কোর্স এ যাওয়ার। সেই কোর্সের দাম বেশ কয়েক লক্ষ টাকা। চলবে ও প্রায় দিন সাতেক।
তাই শুরুতেই আমি বেশ দ্বিধাগ্রস্থ। আমি যেই বলতে গেলাম অপারেশনগুলো তো মোটামুটি শিখেই গেছি, আর কি দরকার আছে? এত টাকা খরচ করে এই কোর্সে যাওয়ার।
অ্যান্ডি তখন একটু হালকা হেসে আমাকে বলেছিল, কোর্সটা আসলে ফ্রি। ধরে নাও এই টাকাগুলো শুধু সাত দিনের লাঞ্চ আর ছ’ রাতের ডিনারের খরচ।
ব্যাপারটা তখন বুঝিনি।
কোর্সে গিয়ে পরিচয় হল খুব সেরা প্রায় দেড় ডজন প্রখ্যাত সার্জনের সাথে। তার মধ্যে কেউ সাদা, কেউ কালো, কেউ মহাকালো। (মানে, ইউরোপিয়ান, ভারতীয় উপমহাদেশের বা আফ্রিকান)
সকাল আটটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত তারা আমাদের অক্লান্ত পড়িয়ে গেলেন। লেকচারগুলো এতোই মনোমুগ্ধকর তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
কিন্তু আসল ঝাঁপি খুলতো দুপুরে এবং রাতে খাওয়ার সময়।
আসল সার্জারি যে কাটা-ছেঁড়া, ছুরি-সেলাই আর প্রযুক্তির বাইরে কতদূর বিস্তৃত সেই ব্যাপারে শুনতাম, নানা রকম গল্প-গাছা।
তাদের সবারই বয়স আমার তখনকার বয়সের প্রায় দ্বিগুণ। শিক্ষক-শিক্ষিকা হিসেবে ছাত্রকে কতখানি কাছে টেনে নেওয়া যায়, পেলাম তার জ্বলন্ত প্রমাণ।
শেষ দিনের ডিনার, ওনাদের বাড়ির লোকের সাথে। আমাদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল, যদি আমরা নিজেদের স্ত্রী বা গার্লফ্রেন্ড/বয়ফ্রেন্ড কে নিয়ে যেতে চাই।
সেদিন ডিনারে শুনলাম প্রথিতযশা সার্জনদের অন্দরমহলের কাহিনী। সেইসব সার্জনদের হাজব্যান্ড এবং ওয়াইফরা বলছেন সেই সার্জনের এর নানা রকম উত্থান পতনের কাহিনী। কিভাবে তারা বিনিদ্র রজনী কাটাতেন, হাসপাতালে কোন অনিশ্চিত সিদ্ধান্ত নিয়ে আসার পর।
প্রথিতযশা সার্জেন মিস্টার উইলিয়ামের মেয়ের সাথে আলাপ হল। তিনিও সার্জেন। নাম গ্রেস। মেয়ে যা বললেন তা শুনে আমি তাজ্জব।
গ্রেস নাকি প্রথম দিকে বাবা মিস্টার উইলিয়ামের কোন সার্জিক্যাল সিদ্ধান্তকেই মেনে নিতে পারতেন না। বছর পনেরো সার্জারি জীবন কাটিয়ে ফেলার পর গ্রেস তার বাবা-র সিদ্ধান্তের গুপ্তধন খুঁজে পেতে শুরু করলেন।সার্জারি গুরুমুখী। এই ধরনের সার্জিকাল বুদ্ধি কোন বইয়ে কোনদিনও ছাপা হয়ে বেরোবে না। সব গুরু, সব শিষ্যকে সব কিছু শেখানও না।
তাদের একটা কথা আমার আজও মনে আছে।
বহুকাল আগে ইংল্যান্ডে সার্জারি করতো চুল কাটার নাপিতরা। ডিনারে তাই একজন সার্জেন শেষ পর্যন্ত বলেই ফেললেন, ছুরি-কাঁচি ধরে কাটাকাটির জন্য এত বছরের সার্জারি শেখার কোন দরকার আছে বলে মনে হয় না।
সার্জারির আসল মণি-মাণিক্য লুকিয়ে আছে তার সিদ্ধান্তে। তবে সিদ্ধান্ত শুধু ডাক্তারের নয়, পেশেন্টদেরও।
পেশেন্টদেরও নিজেদের জন্য সিদ্ধান্ত নিতে গেলে করতে হবে যথেষ্ট পড়াশোনা। পেশেন্ট কিভাবে সার্জারি করাবেন, আদৌ করাবেন কিনা? করলে কার কাছে করাবেন? কোথায় করাবেন। সার্জারি ‘আকর্ষণীয় প্যাকেজে’ হয়ে গেলো বলে যখন যুদ্ধজয়ের চা খাচ্ছেন, সে সুযোগে হাসপাতাল বা ইন্সুরেন্স কোম্পানি অজান্তেই আপনার ট্রিটমেন্টে অঙ্গুলিহেলন করবে কিনা, সচেতন হওয়া দরকার সেদিকেও। কিভাবে-ই বা তিনি অপারেশনের আগে ডাক্তারবাবুর সঙ্গে কথা বলে বুঝে নেবেন অপারেশনের ভালো দিক আর খারাপ দিক কি কি আছে। আর কি কি সতর্কতা নেওয়া হচ্ছে, বিপদগুলো এড়িয়ে যাওয়ার জন্য।
সেইখানেই বোধহয় সার্জারির আসল সাফল্য।
এর পরেও আছে এক মোক্ষম বিদ্যা।
শোনা যায় ইংল্যান্ডের তৎকালীন নাপিতকুল কে যখন এনাটমি পড়ানো শেখানো হলো তখন তারা সার্জারি থেকে দু-কদম পিছিয়ে গেলেন। তারা নাকি এতটাই সতর্ক হয়ে গেলেন যে শেষ পর্যন্ত নাপিতদের অপারেশন করাই নাকি বন্ধ হয়ে গেল।
এই তথ্যটির সত্যাসত্য আমি আজ পর্যন্ত জানিনা।
তবে এ কথা ঠিক রয়েল কলেজে যখন আমরা ডিগ্রি পেতাম তখন বাড়িতে যে অভিনন্দন চিঠি আসতো, তার খামের ওপরে ডাক্তারদের নামের আগে ‘ডক্টর’ মুছে সযত্নে লেখা থাকতো ‘মিস্টার’। আমাদের পূর্বপুরুষ সার্জেন নাপিতদের সম্মান দেয়ার জন্যই এই বন্দোবস্ত।
মেডিকেল রয়েল কলেজগুলোর ডাক্তাররা কিন্তু শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ‘ডক্টর’ হয়ে থাকেন। কিন্তু সার্জিক্যাল রয়েল কলেজগুলোতে ডিগ্রির পরে ‘ডক্টর’ হয়ে যান ‘মিস্টার’। এই ‘মিস্টার’ সম্মানের জন্য কত বছরের পড়া, সাধনা। এই ‘মিস্টার’ সম্বোধনের চিঠি হাতে পাওয়ার জন্য।
শেষে ফারকুহারসনের বইয়ের একটা লাইন না বলে পারছি না। আগা-পাশতলা গুরুগম্ভীর বইয়ের মধ্যে লেখা ছিল হার্নিয়া অপারেশন যেন শীতকালে না করা হয়।
সেটা সত্যি সত্যি গুরু গম্ভীর সিদ্ধান্ত, নাকি কৌতুক- সেটা বুঝতে সময় লেগেছিল আরো কিছু সময়। মেডিকেল কলেজের এক দাদা এসে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন অসুখের সাথে সাথে, অসুখটার কারণটা যদি খুঁজে পেয়ে তার চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে সমস্যাটা ফিরে আসার সম্ভাবনা প্রবল।
শীতকালে হাঁচি-কাশি বেশি হয়। তাই পেটে চাপ লেগে হার্নিয়ার নতুন সেলাই ছিঁড়ে গিয়ে আবার হার্নিয়া হতে পারে। তাই শীতকালে হার্নিয়া অপারেশন করা বারণ।
পুরনো শিক্ষা এটাই যে, অসুখের কারণটাকে আগে খুঁজে সেটার ঠিকঠাক মত চিকিৎসা করা।
কিন্তু মানুষের শরীরের মতো জটিল যন্ত্র বোধ হয় আর পৃথিবীতে কিছু নেই। নতুন শিশুর জন্ম হয় কোন ওয়ারেন্টি কার্ড আর ম্যানুয়াল ছাড়াই।
তাই সব অসুখের কারণ খুঁজে পাওয়া গেছে, এমনটা নয়। হয়তো বিজ্ঞান আরো কিছু বছর গবেষণা করলে খুঁজে পাবে। কিন্তু অনেক অসুখেরই কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না। অনেক অসুখেরই কারণ খুঁজে পাওয়া গেলেও, ‘কারণ’-টার চিকিৎসা করা সম্ভব নয়। মানে এখনো বিজ্ঞানের হাতে সেরকম হাতিয়ার এসে পৌঁছয় নি।
যেমন হার্নিয়ার ক্ষেত্রে একটা বড়সড়ো সমস্যা মানুষের শরীরের দুর্বল কোলাজেন। কোলাজেন এক ধরনের টিস্যু। এই দুর্বল কোলাজেনকে সবল করার রাস্তা মানুষের কাছে আজও জানা নেই। তাই ফিরে ফিরে আসে হার্নিয়া।
খালি চোখে মনে হবে সার্জারি ফেল হয়ে গেছে।
বা ধরুন, কিছু কিছু ক্যান্সারের ক্ষেত্রে টিউমারের আগ্রাসন এতটাই ভয়ংকর হয় যে আমাদের সমস্ত নজর চলে যায় কিভাবে সেই টিউমার বাদ দিয়ে পেশেন্টকে রক্ষা করা যাবে।
আরও রিসার্চ ও নজর যাওয়া উচিত টিউমারের আর তার ছড়িয়ে পড়ার ‘কারণ’ টা খোঁজার জন্য। একদিন হয়তো বিজ্ঞান আরও সাবালক হয়ে বলবে যে কি কারণে সেই ক্যান্সারটা হয়েছিল। তবেই তার ট্রিটমেন্টে আরও সাফল্য। হয়তো ক্যান্সার যেদিন প্রকাশ পেল তার বহু দশক আগে থেকেই চিকিৎসা শুরু করে দেওয়া সম্ভব হবে। অঙ্কুরেই বিনাশ হবে সে।
আবার, যেমন ধরুন কখনো কখনো হাঁটুর ব্যথায় মনে হয় হাঁটু-টা অপারেশন করিয়ে নিলেই বোধহয় ভালো হতো। কিন্তু সার্জেনের কাছে গেলেই সেই সার্জেন যত্ন করে বুঝিয়ে দেবেন যে, শরীরের অতিরিক্ত ওজন যদি থেকে থাকে, তাহলে আগে সেটার চিকিৎসা করতে হবে। নয়তো, হাঁটু রিপ্লেস করলেও ফিরে আসবে হাঁটুর সমস্যা। হয়তো একটু অন্য রূপে।
আশা করব পৃথিবীর জটিলতম স্বাস্থ্য সমস্যাগুলোর কারণ একদিন না একদিন খুঁজে পাওয়া যাবে। যে সমস্যাগুলোর কারণ এতদিন পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া গেছে মনোযোগী ছাত্র হয়ে আমাদের সবার সেদিকেই নজর রাখতে হবে।
এর সাথে জানা দরকার, মায়ের হাতে যত্নে একটি করে বানানো পিঠেপুলি, কারখানার কনভেয়ার বেল্টে বানানো খাবারের থেকে আলাদা হবেই।
---
উপরের বইগুলোর আসল পরিচয়:
1. এখনকার সংস্করণ Bailey & Love's Short Practice Of Surgery 28th Edition International Student's Edition (Set Volume 1 & 2), CBS Publishers and Distributors Pvt. Ltd.; Twenty Eighth Edition (30 March 2023); Taylor & Francis Books India Pvt. Ltd., 2nd
এখনকার সংস্করণ Farquharson's Textbook of Operative General Surgery. CRC Press/Exclusively distd . By Jaypee; 10th edition (1 January 2015)
This is an impartial , unsponsored health information. For public awareness and not a replacement of Medical Advice.
Search tool: Surgery Operation Gynecological cancer Anatomy Human Body










