আমার ওভারিয়ান সিস্ট কি ক্যান্সার?
বলুন ডাক্তারবাবু: ক্যান্সার নয় তো ? ডাক্তারি মতে উত্তরটা খুব সহজ।পুরোপুরি সঠিক উত্তর পেতে হলে কেবল একটি মাত্র রাস্তা।
এখানে রইলো এই টপিকের বাংলা ভার্সন
For the English Version of this topic click here
🤔 - মহিলাদের ওভারিতে সিস্ট ধরা পড়লেই প্রথম যে প্রশ্ন মাথায় ঘুরপাক খায় তা হল, এই সিস্ট ক্যান্সার কিনা?
😟 - আর ক্যান্সার থেকে জীবনের ঝুঁকি আছে কিনা। বলুন ডাক্তারবাবু: ক্যান্সার, নাকি ক্যান্সার নয়? যাতে আপনি আপনার সিস্টের চিকিৎসা বেছে নিতে পারেন, বিজ্ঞানসম্মত ভাবে।
👨🏻⚕️ - ডাক্তারি মতে উত্তরটা খুব সহজ।পুরোপুরি সঠিক উত্তর পেতে হলে কেবল একটি মাত্র রাস্তা।
সম্পূর্ণ সিস্ট-টিকে বাইরে বার করে মাইক্রোস্কোপের তলায় রাখলেই প্যাথলজিস্ট বলে দেবেন সেটা কি ক্যান্সার, কি ক্যান্সার না।👉🏾 - কিন্তু আপনার আসল প্রশ্ন তো আলাদা। আপনার মনের প্রশ্ন হচ্ছে: পেট না কেটে, কোন বায়োপসি না করেই, বাইরে থেকে ডাক্তারবাবুকে বলতে হবে এই সিস্ট ক্যান্সার কি ক্যান্সার না। তাই তো?
🙄 - না না, এই প্রশ্নের উত্তরটা আর অত সহজ নয়। কারণ এতে ঢুকে গেলো চান্স ফ্যাক্টর। কোন সিস্টে ঝুঁকি বেশি আর কোনটাতে কম। তাহলে বিজ্ঞান কিভাবে জানছে কোন সিস্টের ক্যান্সারের ঝুঁকি সবথেকে বেশি?
🫳🏽 -চলুন শিখে নেই।
👉🏾 - যে সিস্ট বড় সেই সিস্টের কী ক্যানসারের সম্ভাবনা বেশি? প্রাচীনকালে অনেকেই ভাবতেন- যে সিস্ট যত বড় সেই সিস্টের ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা তত বেশি।
✂️ - নাহ। সার্জারি করার পর দেখা গেল অনেক সময় ছোট সিস্টে ক্যান্সার পাওয়া যাচ্ছে। আর বড় সিস্ট অপারেশন করার পরে দেখা যাচ্ছে সেটা মোটেই ক্যান্সার ছিল না।
😧 - তাহলে কী, যে সিস্টের সিম্পটম যত বেশি, সেই সিস্টের ক্যান্সার হবার সম্ভাবনা সবথেকে বেশি?
😬 - মানে যাদের পেট ব্যথা অস্বস্তি সবথেকে বেশি হবে সেই সিস্টের ক্যান্সার হওয়ার প্রবণতাই কি বেশি।❌ - কিন্তু ঠিক তাও নয়।
🤫 - একটা বড়সড় সংখ্যার (এক তৃতীয়াংশ) ক্যান্সার জাতীয় সিস্ট আসে গোপনে। প্রায় উপসর্গহীন ভাবে। সুতরাং ব্যথা হচ্ছে কিনা সে দেখেও বোঝা যাবে না।
💡 - তা হলে কী, যে সিস্ট হলে পিরিয়ডের সব থেকে বেশি প্রবলেম হয়, সেটার মধ্যেই ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা সব থেকে বেশি?
🤷🏻♀️ - একদম না। প্রচুর ওভারির ক্যান্সারে পিরিয়ডের কোন সমস্যা হয় না। ডাক্তারি মহলে ওভারিয়ান ক্যান্সারের তো একটা বদনামই রয়েছে। যে, এ গাইনোকলজিক্যাল সমস্যার বদলে গ্যাস-অ্যাসিডের সিম্পটম নিয়েই বেশি আসে ।
🤔 - তাহলে উপায়? সিস্টের আকার, সিম্পটম, দেখে নিশ্চিত ভাবে বলার কোনও উপায়ই নেই যে তিনি ক্যান্সার কিনা।
🔬 - চলল রিসার্চ। খোঁজ খোঁজ!
🔬 - তারপর পেশেন্ট এবং ডাক্তাররা রিসার্চ করে দেখলেন যদি এমন কিছু উপায় থাকে যে ব্লাড টেস্ট করে বলে দেওয়া যাবে যে এই সিস্ট ক্যান্সার কি না।
🧐 - যেমন ভাবা তেমনি কাজ। Ca125 বলে একটা কেমিক্যাল আবিষ্কার করে পাওয়া গেল।🔬 - প্রথমে মেডিকেল সাইন্স ভাবতে শুরু করল যার Ca125 বেশি তারই বোধহয় ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা সব থেকে বেশি। প্রথম প্রথম রিসার্চ-ও তাই বলল। কিন্তু আরও গভীর রিসার্চ চলতে দেখা গেলো, ব্যাপারটা একদমই তা নয়,
🤷🏻♀️ - এখনো বহু পেশেন্ট Ca125 এর Ca মানে মনে করেন বোধহয় ক্যান্সারের সংক্ষেপ নাম Ca, আদতে যে সেটাকে বলা হয় কার্বোহাইড্রেট এন্টিজেন সেটা অনেকেই জানেন না।
🙏🏻 - Ca125 এর বিভ্রাট নিয়ে আমাদের আস্ত একটা ভিডিও বানানো আছে, চাইলে Ca125 এর ইতিহাস, ভূগোল, ভবিষ্যৎ সবই জেনে নিতে পারেন সেখানে।
⁉️ - কিন্তু আপনার প্রশ্নের কি হবে?
⁉️ - সিস্ট মানেই কি ক্যান্সার, কি ক্যান্সার না, বলুন ডাক্তারবাবু।
🩻 - এবার মেডিকেল সাইন্স বললেন তাহলে আসুন দেখি আল্ট্রাসাউন্ড করে। আল্ট্রাসাউন্ড এ এক আশ্চর্য বিজ্ঞান, ⚔️ - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ প্রাণ নিয়েছে লক্ষ লক্ষ মানুষের। কিন্তু প্রচুর প্রযুক্তি আবিষ্কার হয়েছে এই বিশ্বযুদ্ধের সময়গুলোতে। তার মধ্যে একটি অনবদ্য হলো আল্ট্রাসাউন্ড।
📑 - 1942 সালে প্রথম এর ব্যবহার শুরু হয় মেডিকেল সাইন্সে। 1942 এ অস্ট্রিয়ার ডাক্তার বাবু Dr. Karl Theodore Dussik প্রথম প্রকাশিত করলেন আল্ট্রাসাউন্ড দিয়ে মেডিকেল সাইন্সে পরীক্ষা-নিরীক্ষার কথা। তারপরে আমেরিকা, জাপান, ইউরোপ। শেষে প্রফেসর Ian Donald এবং তার সাঙ্গোপাঙ্গরা Glasgow তে 50 দশকের মাঝামাঝি আল্ট্রাসাউন্ড কে পুরোপুরি একটা বিজ্ঞানের সম্মান দিয়ে দিলেন।
🩻 - আজ তার 70 বছর পরে আল্ট্রাসাউন্ড মেশিন পাড়ায়, মহল্লায়, সব জায়গাতে।
🩻 - আল্ট্রাসাউন্ড একটা বড়সড়ো বিজ্ঞান। চিকিৎসাবিজ্ঞানকে অনেক দূর সে এগিয়ে নিয়ে গেছে। এমনকি গাইনোকলজিকাল কোন সমস্যা হলে প্রথমেই যেটা করা হয় সেটা হলো আল্ট্রাসাউন্ড।
🩻 - কেন আল্ট্রাসাউন্ড? না, এমন নয় যে আলট্রা সাউন্ড আমাদের মনের প্রশ্নের সব থেকে ভালো উত্তর দিতে পারে। বা সরাসরি বলতে পারে সিস্ট ক্যান্সার কিনা।
কিন্তু এই জন্যই আল্ট্রাসাউন্ড করা হয়, যে সেটা সস্তা আর সেটা তাড়াতাড়ি হাতের কাছে মেলে।
💡 - সিস্টের জন্য মহিলাদের আল্ট্রাসাউন্ড দুরকম ভাবে করা হয়। একটা পেটের ওপর দিয়ে যাকে বলা হয় ট্রান্স abdominal scan. আর একটা করা হয় বাচ্চার রাস্তা বা ভ্যাজাইনার মধ্যে দিয়ে যাকে বলা হয়, ট্রান্স ভ্যাজাইনাল স্ক্যান বা TVS। TVS শ্রেষ্ঠতর।
📈 - সে যাই হোক, সব আল্ট্রাসাউন্ডেই শব্দ তরঙ্গ ব্যবহার করে পেটের ভেতরকার ছবি তোলা হয়। এ শব্দ মানুষের কান শুনতে পায় না। তবু তা দিয়েই ছবি। ছবি না বলে বোধ হয় ছায়া বলাটাই বেশি ভালো।
😰 - এবার, আপনি ডাক্তার আর পেশেন্টদের মানসিক অবস্থাটা বুঝুন। সবাই তো ঘেমে নেয়ে একসা।
👥 - ছায়া দেখে বলতে হবে এই দাড়িওয়ালা ভদ্রলোক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নাকি পাড়ার বুড়োদা?
✂️ - আল্ট্রাসাউন্ডে দেখে যাকে ক্যান্সার বলে মনে হচ্ছে, তার ধুন্ধুমার অপারেশন করা হলো। শেষে দেখা যাচ্ছে সেটা ক্যান্সারই ছিল না।
😨 - উল্টোটা আরো ভয়ংকর। আলট্রাসাউন্ড এ যে সিস্টকে শান্তশিষ্ট বলে মনে হয়েছিল। কয়েক মাস পরেই দেখা যাচ্ছে সেই সিস্ট ক্যান্সার। আল্ট্রাসাউন্ডে শান্তশিষ্ট বলে মনে হওয়াতে পেশেন্ট আর ডাক্তার কেউই অপারেশন করে সিস্টকে বাদ দেন নি।
🚯 - এরকম ঝুড়ি ঝুড়ি, ভুরি ভুরি ভয়ানক গোলমাল হওয়ার পর থেকে ১৯৯৯ সালে ইন্টারন্যাশনাল ওভারিয়ান টিউমার অ্যানালাইসিস বা IOTA বলে একটা মেডিকেল গ্রুপের জন্ম হলো। তার শীর্ষে ছিলেন Dr Dirk Timmerman বলে বেলজিয়ামের এক এক গাইনোকলজির প্রফেসর।
👨🏻⚕️ - তার সাথে সঙ্গ দিলেন Dr Lil Valentin, আর Dr Tom Bourne.
👨🏻⚕️ - এদের ধ্যান-জ্ঞানই হল, পেট না কেটে কিভাবে আল্ট্রাসাউন্ডের সাহায্যে ভবিষ্যৎবাণী করা যায় যে, সে ‘সিস্ট’ ক্যান্সার কিনা।
🌊 - এরপর গঙ্গা দিয়ে অনেক জল বয়ে গেছে। ওভারিয়ান সিস্টের মধ্যে শব্দ তরঙ্গ প্রবেশ করিয়ে আল্ট্রাসাউন্ড এর মাধ্যমে জানার চেষ্টা চলল কোন সিস্ট বা টিউমারের মধ্যে ক্যান্সার থাকতে পারে।
💯 - আল্ট্রাসাউন্ড স্ক্যান করার পরে সেই সিস্টের ভেতরের কিছু লক্ষণ দেখে, স্কোর করা হতে থাকলো যে এর কত নম্বর হতে পারে, যদি বিনাইন বা নন ক্যান্সার এর B নম্বর বেশি হয় তাহলে সেটা সম্ভবত ক্যান্সার নয়।
♏ - আর যদি M নম্বর বা ম্যালিগন্যান্সি ধরনের নম্বর বেশি হয় তাহলে সেটায় ম্যালিগন্যান্সি বা ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।😓 - মেডিক্যাল সাইন্স এর গলার কাঁটার মত একটা ভাবনা আটকে থাকে প্রায়শই। তা হল ইউরোপের বিজ্ঞানীদের যা পছন্দ হয়, আমেরিকার বিজ্ঞানীদের তা না-পসন্দ,আবার উল্টোটাও সত্যি।
🌊 - আটলান্টিক মহাসাগরকে সেই জন্য অনেক সময় কৌতুক করে ‘পুকুর’ বলা হয়।
🌊 - পুকুরের এপারের বাসিন্দা, ইউরোপিয়ানরা আর ওপারের বাসিন্দা আমেরিকানরা কিছুতেই সহমত হতে পারেন না, মেডিকেল সাইন্স এর কোন ব্যাপারে।
✌🏻 - শেষ পর্যন্ত এই IOTA এর মত আমেরিকায় এক সিস্টেম বেরোলো। নাম হলো তার ORADS।
🤷🏻♀️ - কিন্তু পেশেন্ট আর অসুখ। সে কি আর আমেরিকা ইংল্যান্ড মানে!! তাহলে ভারত আফ্রিকা কাকে মানবে? তাই শেষ পর্যন্ত এই ইউরোপ আর আমেরিকার ভাবধারা মিলিয়ে দেবার জন্য সেই Timmerman সাহেবই শুরু করলেন নতুন গবেষণা।
🧑🏻🔬 - যাতে ইউরোপ আর আমেরিকার দুটো সিস্টেম মিলিয়ে পেশেন্টের জন্য সবথেকে ভালো আল্ট্রাসাউন্ড এর পদ্ধতি আবিষ্কার করা যায়। রিসার্চ চলছে এখনও।
🧑🏻🔬 - আর তার সাথে বার্মিংহামের এখনো গবেষণা হয়ে চলেছে তার নাম ROCkeTS স্টাডি ‣ , এতে শোনা যাচ্ছে আল্ট্রাসাউন্ড ছাড়াও ভবিষ্যতের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সও কাজে লাগিয়ে বোঝার চেষ্টা করা হবে। অপারেশনের আগেই ওভারিয়ান সিস্টের লুকোনো ক্যান্সার কে খুঁজে বের করার জন্য।
🤔 - আপনি প্রশ্ন করতেই পারেন, এই সমস্ত গল্প শুনে আমার কি হবে? আমার তো উত্তর দরকার। যে আমার পেটের সিস্ট ক্যান্সার? কি ক্যান্সার নয়।
👉🏾 - কিন্তু একথা গল্প বলার একটি মাত্রই কারণ। তার কারণ আপনি বুঝতেই পারছেন আজ পর্যন্ত বিজ্ঞানীরাও 100 শতাংশ সঠিকভাবে বলতে সক্ষম নন যে কোন সিস্ট ক্যান্সার কি, ক্যান্সার নয়।
গবেষণা এখনও চলছে।
সন্দেহ তীব্র থাকলে আপনার ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখার জন্য দরকার হবে সার্জারি। কারণ একমাত্র বায়োপসি রিপোর্টই সঠিক বলতে পারে পেটে কী লুকিয়ে ছিল। তাই বলে কী সব সার্জারি? তা নয় - লো রিস্ক ছোট সিস্ট থাকলে ওষুধ বা অপেক্ষা করলেও হতে পারে।
🌏 - সারা পৃথিবীর তাবড় তাবড় বিজ্ঞানীরা মাথা চুলকে মরছেন।তাই আপনি যার কাছে আল্ট্রাসাউন্ড করিয়েছেন তিনিই বা কি করে বলতে পারবেন যে এ ক্যানসার কি, এ ক্যানসার নয়।
👉🏾 এছাড়াও সংখ্যাগরিষ্ঠ রেডিওলজিস্টরা যেভাবে আল্ট্রসাউন্ড করেন তাতে তাদের ওপর থাকে প্রচুর সময়ের চাপ। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এতগুলো আল্ট্রাসাউন্ড করে দিতে হবে এরকম প্রেসার থাকে। আমাদের দেশের রিসোর্স স্বল্প।
👉🏾 তাই সবারই চেষ্টা থাকে কম খরচে কিভাবে আল্ট্রাসাউন্ড করিয়ে নেয়া যাবে। সুতরাং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আল্ট্রাসাউন্ডে এই IOTA সিস্টেম বা ORADS পদ্ধতিতে বিশদ স্কোরিং সিস্টেম দেখে রিপোর্ট দেওয়া সম্ভব হয় না।
🩻 - আল্ট্রা সাউন্ডে এই O-RADS পদ্ধতিতে শূন্য থেকে পাঁচ এই ছটি ধাপে ওভারিয়ান সিস্ট কে শ্রেণীবিভাগ করা হয়।
‣ 👨🏻⚕️ - যে ধরনের ওভারিয়ান সিস্টের স্কোর O-RADS 3 বা তার থেকে বেশি তার ক্ষেত্রে গাইনোকলজিক্যাল অঙ্কলজিস্টের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
🤏🏻 - কিন্তু মোটের উপর এই স্কোর থাকলে সিস্টের ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই বেশি।
🧐 - তাই আপনার আল্ট্রাসাউন্ড রিপোর্ট এই ধরনের পরিভাষার দিকে খেয়াল রাখুন।
আল্ট্রা সাউন্ড স্ক্যান,
সিস্টের ভেতরে সেপ্টাম (septum),
মাল্টিসেপ্টেড (multiseptate),
মাল্টিলকুলার (multilocular),
সলিড এরিয়া (solid area) ,
প্যাপিলারি (papillary) প্রজেকশন,
হেটারোজেনাস (Heterogenous),
ইরেগুলার (Irregular) সিস্ট,
ইনক্রিসড ব্লাড ফ্লো (increased blood flow)
🗓️ - এই ধরনের সমস্যা পেলে তা 2018 সালের O-RADS সিস্টেমে হাই রিস্ক গ্রুপের অন্তর্গত হয়ে যায়।🩺 - এর মানে এই নয় যে, এই ধরনের প্রতিটি সিস্টই ক্যান্সার হয়ে গেছে। কিন্তু ভবিষ্যতে এর ট্রিটমেন্ট গড়পড়্তা ওভারিয়ান সিস্টের মত করলে চিকিৎসা বিভ্রাট হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
🩸 - তার সাথে অনেক সময়ই গাইনোকলজিস্টরা বা গাইনোকলজিক্যাল অঙ্কলজিস্টরা নানা রকম স্পেশাল ব্লাড টেস্ট করে ধরার চেষ্টা করে যে, এই সিস্ট হাই রিস্ক, না লো রিস্ক।
💰 - কখনো কখনো করতে হয় MRI- MRI এর accuracy আল্ট্রাসাউন্ডের থেকে অনেক বেশি, কিন্তু খরচও বেশি।
🩻 - আর হ্যাঁ এক্ষেত্রে আপনাকেও মনে রাখতে হবে সিটি স্ক্যান করলে ওভারিয়ান ক্যান্সার যদি পেটে ছড়িয়ে থাকে তাহলে সেটা ভালো বোঝা যায়। তবে, ওভারির ছোট সিস্ট ক্যান্সার কি না সে বলার মত ক্ষমতা সিটি স্ক্যানের নেই।
👉🏾 -আর কখনো কখনো সন্দেহ খুব তীব্র হলে করতে হয় PET/CT, সম্ভবত সবথেকে ভালো রেজাল্ট পাওয়া সম্ভব PET/MRI তে, কিন্তু ভারতবর্ষে PET/MRI যথেষ্ট বিরল।
🤷🏻♀️ - তাহলে কোথায় গিয়ে দাঁড়ালাম আমরা?
সিস্ট ক্যান্সার কি, ক্যান্সার না সেটা 100% নিশ্চিত ভাবে জানতে হলে সিস্টকে অপারেশন করে বার করে মাইক্রোস্কোপের তলায় রাখতে হবে।তবে হ্যাঁ সব সময় তো সেটা সম্ভব নাও হতে পারে
আল্ট্রাসাউন্ড, MRI আর ব্লাড টেস্টের সংমিশ্রণে বলা যাবে যে, কোনো সিস্ট হাই রিস্ক না লো রিস্ক।
👉🏾 - আজকে 2024 এ দাঁড়িয়ে সারা পৃথিবীর কোথাও- নিউ ইয়র্ক থেকে টোকিও, লন্ডন থেকে দুবাই কোন দেশের ডাক্তার বা বিজ্ঞানীরা হলপ করে বলতে পারেন না, এই সিস্ট 100 শতাংশ ক্যান্সার বা এই সিস্ট 100 শতাংশ নন ক্যান্সার।
👉🏾 ওনারা শুধু বলবেন হাই রিস্ক না লো রিস্ক।
✂️ - তারপরে পেশেন্ট এবং ডাক্তার আলোচনার মাধ্যমে বুঝে নেবেন যে এই সিস্টের অপারেশন করা দরকার কি দরকার না।
👉🏾 - বিজ্ঞান এগিয়ে চলছে প্রচুর রিসার্চ চলছে। সুযোগ থাকলে আপনিও অংশগ্রহণ করুন রিসার্চ স্টাডিতে।
👉🏾 আশা করি বার্মিংহামের রকেটস স্টাডি পুরোপুরি শেষ হলে আল্ট্রা সাউন্ড, MRI এবং কিছু রক্তের বিশেষ টেস্টের মাধ্যমে এবং প্রয়োজন হলে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কে কাজে লাগিয়ে পেশেন্ট এবং ডাক্তার আরো ভালোভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।
👉🏾 তত দিন নিজে পড়াশোনা করে। স্ক্যান ব্লাড টেস্ট করে এবং ডাক্তারবাবুর সাথে বারবার আলোচনা করে, বিশদে জেনে নিন।
This is an impartial , unsponsored health information. For public awareness and not a replacement of Medical Advice.
Reference:
[1]
R. F. Andreotti et al., “O-RADS US Risk Stratification and Management System: A Consensus Guideline from the ACR Ovarian-Adnexal Reporting and Data System Committee,” Radiology, vol. 294, no. 1, pp. 168–185, Jan. 2020, doi: 10.1148/radiol.2019191150.
[2]
IOTA group, “Welcome | Iota Group.” Accessed: Feb. 09, 2024. [Online]. Available:
https://iotagroup.org/
[3]
S.-A. Mezghrani, “Ovarian-Adnexal Reporting and Data System Magnetic Resonance Imaging (O-RADS MRI) | Radiology Reference Article | Radiopaedia.org,” Radiopaedia. Accessed: Mar. 06, 2024. [Online]. Available: https://radiopaedia.org/articles/ovarian-adnexal-reporting-and-data-system-magnetic-resonance-imaging-o-rads-mri?lang=us
[4]
S. Mobeen and R. Apostol, “Ovarian Cyst,” in StatPearls, Treasure Island (FL): StatPearls Publishing, 2024. Accessed: Feb. 05, 2024. [Online]. Available: http://www.ncbi.nlm.nih.gov/books/NBK560541/
[5]
ROCkeTS, “ROCkeTS,” University of Birmingham. Accessed: Feb. 09, 2024. [Online]. Available: https://www.birmingham.ac.uk/research/bctu/trials/pd/ROCKETS/Index.aspx
[6]
A. Sayasneh et al., “Evaluating the risk of ovarian cancer before surgery using the ADNEX model: a multicentre external validation study,” Br J Cancer, vol. 115, no. 5, pp. 542–548, Aug. 2016, doi: 10.1038/bjc.2016.227.
[7]
L. M. Strachowski et al., “O-RADS US v2022: An Update from the American College of Radiology’s Ovarian-Adnexal Reporting and Data System US Committee,” Radiology, vol. 308, no. 3, p. e230685, Sep. 2023, doi: 10.1148/radiol.230685.
[8]
D. Timmerman et al., “Simple ultrasound rules to distinguish between benign and malignant adnexal masses before surgery: prospective validation by IOTA group,” BMJ, vol. 341, p. c6839, Dec. 2010, doi: 10.1136/bmj.c6839.
[9]
D. Timmerman et al., “ESGO/ISUOG/IOTA/ESGE Consensus Statement on pre-operative diagnosis of ovarian tumors,” Int J Gynecol Cancer, vol. 31, no. 7, pp. 961–982, Jul. 2021, doi: 10.1136/ijgc-2021-002565.
[10]
S. Timmerman et al., “External Validation of the Ovarian-Adnexal Reporting and Data System (O-RADS) Lexicon and the International Ovarian Tumor Analysis 2-Step Strategy to Stratify Ovarian Tumors Into O-RADS Risk Groups,” JAMA Oncol, vol. 9, no. 2, pp. 225–233, Feb. 2023, doi: 10.1001/jamaoncol.2022.5969.
[11]
B. Van Calster et al., “Validation of models to diagnose ovarian cancer in patients managed surgically or conservatively: multicentre cohort study,” BMJ, vol. 370, p. m2614, Jul. 2020, doi: 10.1136/bmj.m2614.
[12]
Y. Weerakkody, “Ovarian-Adnexal Reporting and Data System Ultrasound (O-RADS US) | Radiology Reference Article | Radiopaedia.org,” Radiopaedia. Accessed: Feb. 05, 2024. [Online]. Available: https://radiopaedia.org/articles/ovarian-adnexal-reporting-and-data-system-ultrasound-o-rads-us?lang=us
Search tool: Ovarian Cyst Ovary Cyst ORADS Ca125 IOTA Simple Cyst Complex Cyst Cancer MRI












