এন্ডোমেট্রিওসিসের চিকিৎসা
এক এক মহিলার ক্ষেত্রে একেক রকম ট্রিটমেন্ট দরকার হয়। চিকিৎসার এক প্রধান লক্ষ্য হলো উপসর্গ লাঘব করা। যাতে আপনার কোয়ালিটি অফ লাইফ আরো ভালো হয়।
এন্ডোমেট্রিওসিস ও এডিনোমায়োসিস এর চিকিৎসা কি ?
গাইনোকোলজিক্যাল বই পড়লে আমরা বারবার দেখতে পাই যে মহিলাদের মধ্যে এন্ডোমেট্রিওসিসের লক্ষণ একেকজনের ক্ষেত্রে একেক রকম হয়। কারোর মূল সমস্যা ব্যাথা। কারুর মূল সমস্যা ভারী ব্লিডিং। আবার কারোর সমস্যা সন্তান না হওয়ার জন্য ইনফারটিলিটি। আবার কারো কারোর সেক্সের পরে বা সেক্সের সময় ব্যথা। তাই এক এক মহিলার ক্ষেত্রে একেক রকম ট্রিটমেন্ট দরকার হয়
কোন ধরনের চিকিৎসা আপনার জন্য উপযুক্ত তা নির্ভর করবে আপনার বয়স, আপনার উপসর্গ কি রকম এবং আপনি কবে আপনার প্রেগনেন্সি প্ল্যান করছেন এসবের ওপর। এই সমস্ত কিছু পর্যালোচনা করে একজন ডাক্তার রোগীর সাথে আলোচনা করেন ও তার চিকিৎসার বন্দোবস্ত করে থাকেন। এন্ডোমেট্রিওসিস ও এডিনোমায়োসিস চিকিৎসার এক প্রধান লক্ষ্য হলো উপসর্গ লাঘব করা। যাতে আপনার কোয়ালিটি অফ লাইফ আরো ভালো হয়।
যদিও মনে রাখা প্রয়োজন এন্ডোমেট্রিওসিসের চিকিৎসা করলে সাময়িক উপকার পেলেও, সেই চিকিৎসা বন্ধ করলে আবার এন্ডোমেট্রিওসিসের সমস্যা ফিরে আসার সম্ভাবনা থাকে। যদিও সংখ্যাগরিষ্ঠ মহিলাদের ক্ষেত্রে এন্ডোমেট্রিওসিসের সমস্যা ফিরে এলেও, তা সহ্যের মধ্যে থাকে।
এন্ডোমেট্রিওসিস ও এডিনোমাইসিস চিকিৎসার বিশেষ কিছু উপায়:
🌀 ব্যথার ওষুধ বা Pain Killer:-
প্যারাসিটামল এবং নন-স্টেরয়েডাল অ্যান্টিইনফ্ল্যামেটরি ড্রাগ (NSAID) ব্যথা কমানোর জন্য দেওয়া হয়। NSAID (যেমন আইবুপ্রোফেন এবং ন্যাপ্রোক্সেন ) এন্ডোমেট্রিওসিসে তৈরি হওয়া ফোলার বিরুদ্ধে কাজ করে। পাশাপাশি ব্যথা এবং অস্বস্তি কমাতেও এটি সাহায্য করে। যদি সম্ভব হয় তবে পিরিয়ডের ব্যথা শুরু হওয়ার আগের দিনই NSAID নেওয়া ভালো। এই ওষুধগুলিও যদি ব্যথা কমাতে সাহায্য না করে তাহলে আপনাকে স্পেশালিস্ট পেইন ম্যানেজমেন্ট টিমের কাছে যেতে হতে পারে।
🌀 হরমোন চিকিৎসা
এন্ডোমেট্রিওসিসের জন্য ব্যবহৃত অনেক হরমোন চিকিৎসাই কিন্তু আসলে গর্ভনিরোধক হরমোন বা কন্ট্রাসেপটিভ পিল। এই ওষুধগুলি খুবই উপকারী কিন্তু যদি আপনার প্রেগনেন্সি নেওয়ার থাকে তাহলে অবশ্যই এই ওষুধগুলো নেওয়ার আগে ডাক্তারবাবুর সাথে পরামর্শ করে নিন।।
এন্ডোমেট্রিওসিসের সমস্যার তীব্রতা কমাতে হলে আপনার শরীরের মাসিক হরমোনের সাইকেল কন্ট্রোল করা জরুরি এবং এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হিসেবে অস্থায়ীভাবে ওভারি থেকে ডিম তৈরি ও বন্ধ হয়ে যেতে পারে এতে আপনার পিরিয়ড হয় না বা হলেও খুব কম পরিমাণে হয়।
ঠিক এই কারণে প্রতি মাসে হরমোনের ওঠা নামা না হওয়ার কারণে সেই সুযোগে শরীর নিজে থেকেই এন্ডোমেট্রিওসিসের প্রদাহ অনেকটাই সারিয়ে তুলতে সক্ষম হয়। কখনো দেখা যায় প্রেগনেন্সির পরে এন্ডোমেট্রিওসিসের সমস্যা অনেকটাই কম। এর কারণটাও ঠিক একই।
তার কারণ প্রেগনেন্সির সময় দশ মাস এবং তার কিছুটা পরেও ব্রেস্ট ফিডিং করানোর সময় আরো মাস তিনেক পিরিয়ড বন্ধ থাকে মানুষের শরীর এই সুযোগে সদ্ব্যবহার করে এন্ডোমেট্রিওসিসকে কমিয়ে ফেলতে সাহায্য করে।
কিছু হরমোনাল চিকিৎসাপদ্ধতি যেগুলি প্রচলিত আছে:
🔷 ক) যেমন কম্বাইন্ড ওরাল কনট্রাসেপটিভ পিল বা প্যাচ ইস্ট্রোজেন এবং প্রোজেস্টেরন হরমোন গুলি আপনার পিরিয়ডকে হালকা, কম করতে সাহায্য করে। আমরা অনেক সময় পরামর্শ দিই তিন প্যাকেট ট্যাবলেট — একের পর এক, কোন বিরতি ছাড়া নিতে যাতে আপনার পিরিয়ড সমস্যা কিছুটা হলেও কম হয়। এন্ডোমেট্রিওসিস ****টিস্যু এবং পিরিয়ডকে অস্বস্তি জন্য এই ধরনের ট্যাবলেট গুলি দারুন ফল দেয়।
🔷 খ) মাইরেনা ডিভাইস - এটি একটি ছোট T আকৃতির (যার মধ্যে প্রোজেস্টেরন বলে এক ধরনের হরমোন থাকে) ডিভাইস যা ঢুকিয়ে দেওয়া হয় ইউটেরাসের কোটরে। এই মাইরেনা থেকে এক নির্দিষ্ট পরিমাণ প্রজেস্টেরন চুঁইয়ে ইউটেরাসের ভিতরে লাইনিং এ কাজ করে পিরিয়ডের তীব্রতা কমাতে সাহায্য করে। এটি ব্যথা কমাতে সাহায্য করে এবং পিরিয়ড কম বা বন্ধ করতে সাহায্য করে। এটি পাঁচ বছর পর্যন্ত স্থায়ী হয়।
🔷 গ) প্রোজেস্টেরন ট্যাবলেট বা মিনি পিল/প্রোজেস্টেরন- পিল বা ইনজেকশন বা ইমপ্ল্যান্ট এন্ডোমেট্রিওসিস কে কম করার জন্য ব্যবহার করা হয়। এই চিকিৎসা গুলি লক্ষ্য হল আপনার পিরিয়ডকে একেবারে বন্ধ করা এবং এন্ডোমেট্রিওসিস নতুন করে তৈরি হতে না দেওয়া।
🔷 ঘ) অন্যান্য হরমোনের চিকিৎসাও আছে কিন্তু সেগুলি কোন কোনটা নির্ভরযোগ্য কন্ট্রাসেপটিভ নয়। এই হরমোন গুলি চলাকালীন সাধারণত প্রেগনেন্ট হতে বারণ করা হয়। অতএব এই হরমোন গুলি ব্যবহার করলে সাথে কন্ট্রাসেপটিভ কিছু উপায় ব্যবহার করা দরকার।
নন-কন্ট্রাসেপটিভ চিকিৎসা গুলি হল:
🔷 GnRH যা ডিম্বাশয় থেকেই ইস্ট্রোজেন তৈরি হতে বাধা দেয় যাতে সাময়িকভাবে মেনোপজ তৈরি হয়। এই ওষুধগুলি ইনজেকশন, ইমপ্লান্ট বা নাকের স্প্রের মাধ্যমে দেওয়া হয়। অনেক জটিল এন্ডোমেট্রিয়সিসের সমস্যায় এই ধরনের ইনজেকশন গুলি খুবই উপকারী। তবে এর কিছু কিছু সাইড এফেক্ট রয়েছে।
কিছু মহিলা অস্থায়ীভাবে মেনোপজ এর সময় হট-ফ্লাশ এর সমস্যা হয়েছে বলে বলেন। তবে এই ওষুধগুলি অনেকদিন ধরে ব্যবহার করলে হাড় হালকা বা অস্টিওপোরোসিস নামে এক ধরনের সমস্যা তৈরি হতে পারে। এর জন্য এই ধরনের ওষুধ গুলি সাধারণত ছ মাসের বেশি ব্যবহার করা হয় না।
যদি কোনো কারণে এই ওষুধ ছয় মাসের বেশি ব্যবহার করতে হয় তাহলে ডাক্তার বাবু আপনার সাথে হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি বা অ্যাড-ব্যাক বলে এক ধরনের ওষুধের ব্যাপারে কথা বলবেন। অ্যাড-ব্যাক ওষুধ খানিকটা হলেও হাড় কে সুরক্ষিত রাখে।🔷 ট্যাবলেট আকারে এর কিছু আধুনিক প্রোজেস্টেরন পাওয়া যায়। আধুনিক এই ধরনের ওষুধপত্রগুলো দাম খানিকটা বেশি হলেও যথেষ্ট উপকারী। বলা চলে এন্ডোমেট্রিওসিস সমস্যার সমাধানে এই ধরনের ওষুধগুলি বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে এসেছে, কিন্তু যেকোনো প্রজেস্টেরনের মতই এর একটি সাইডএফেক্ট হলো অনিয়মিত স্পটিং বা মাঝে মাঝে অল্পসল্প ব্লিডিং।
🌀 সার্জিকাল ট্রিটমেন্ট:
ওষুধে যদি এন্ডোমেট্রিওসিস সমস্যার সমাধান না হয় বা প্রেগনেন্সির কারণে বা অন্যান্য সাইডএফেক্ট এর সমস্যার জন্য যদি ওষুধ না দেওয়া সম্ভব হয় তবে সার্জিক্যাল ট্রিটমেন্ট মহিলাদের এই চিকিৎসার পরবর্তী ধাপ। রোগটি আপনার শরীরে কোথায় এবং কতটা ছড়িয়ে পড়েছে তার ওপর আপনার অস্ত্রপচারের ধরন নির্ভর করবে। যেকোনো অস্ত্রোপচারই নির্দিষ্ট কিছু ঝুঁকি থেকে যায়। যা নিয়ে আপনার ডাক্তার বাবুর কাছে থেকে বিশদে জেনে নিন।
সার্জারির অপশন গুলি হল:
🔷 ক) ল্যাপেরোস্কোপিক ট্রিটমেন্ট সার্জারি-
এন্ডোমেট্রিওসিস ক্ষেত্রে সবচেয়ে প্রচলিত এবং অন্যতম এক কার্যকারী অপারেশন হলো ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারি। এতে পেট না কেটে, কি-হোল বা পেটের মধ্যে ছোট ফুটোর মাধ্যমে যন্ত্র ঢুকিয়ে এবং ক্যামেরা ঢুকিয়ে এন্ডোমেট্রিওসিসের টিস্যু গুলোকে কেটে বাদ দেওয়া হয়। কখনো কখনো
এন্ডোমেট্রিওসিসের ছোট স্পট গুলোর উপরে এক ধরনের ইলেকট্রোথেরাপি করা হয় যাতে এন্ডোমেট্রিওসিসের সমস্যা লাঘব হয়। এই সার্জারির ব্যাপ্তি একেকজন পেশেন্টের ক্ষেত্রে একেক রকম হয়, কারুর ক্ষেত্রে এই ছোট খাটো স্পট গুলি বাদ দিয়ে ইলেক্ট্রো থেরাপি করলেই সমস্যার মুক্তি ঘটে।
আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে ওভারির মধ্যে তৈরি হওয়া চকলেট সিস্ট বাদ দিতে হয়। কখনো কখনো আক্রান্ত ওভারি পুরোটাই বাদ দিতে হয়। আবার কখনো কখনো এন্ডোমেট্রিওসিসের সমস্যা আরো তীব্র হলে ইউটেরাস, ওভারি এবং ফ্যালোপিয়ন টিউব-ও বাদ দেওয়ার দরকার পরে। কখনো জটিল ধরনের এন্ডোমেট্রিওসিসের ক্ষেত্রে পটি এবং ইউরিনের রাস্তার অংশ বাদ দেওয়া প্রয়োজন হয়।
যেহেতু এই সার্জারির ব্যাপ্তি অনেকটা জুড়ে, তার জন্য ডাক্তারবাবু আপনার সঙ্গে সার্জারির আগে বিশদে কথা বলে নেবেন।
🔷 খ) ল্যাপারোটমি সার্জারি-
যদি ল্যাপারোস্কপি সার্জারিতে জটিল সার্জারি করা সম্ভব না হয় তাহলে পেট কেটে বা ওপেন সার্জারি করে এই ধরনের সার্জারি করা হয়। যদিও বেশিরভাগ সার্জারি আড়াআড়িভাবে পেট কেটে করা হয়। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে আরো জটিলতর সার্জারি গুলোর ক্ষেত্রে লম্বালম্বি ভাবে পেট কাটা হয়।
ল্যাপেরোস্কপি বা রোবটিক সার্জারিতে পেটের ভিতরে শুধুমাত্র যন্ত্রই প্রবেশ করে। তাই যদি পেটের ভিতরে অঙ্গগুলো সার্জেনের আঙুল দিয়ে অনুভব করে অপারেশন করার দরকার হয় তাহলে এই জটিলতর ক্ষেত্র গুলোতে ল্যাপারোস্কপি বা রোবটিক সার্জারিতে কাজ হয় না।
ওপেন সার্জারি বা ল্যাপারোটমি সার্জারির প্রয়োজন হয় ।
🔷 গ) হিস্টেরেক্টমি সার্জারি-
গাইনোকোলজিক্যাল অঙ্গ বাঁচিয়ে রক্ষণশীল সার্জারি গুলো যদি এন্ডোমেট্রিওসিসের সমস্যা সমাধান করতে সমর্থ্য না হয় সে ক্ষেত্রে ইউটেরাস, ফ্যালোপিয়ন টিউব এবং ওভারিসহ সমস্ত অরগ্যানই বাদ দিয়ে জটিল এন্ডোমেট্রিওসিসের চিকিৎসা করা ছাড়া উপায় থাকে না।
যাদের অল্প বয়স, তাদের ক্ষেত্রে ওভারি দুটি বা একটি ওভারি পেটে রেখে আসা হয় । কিন্তু ওভারি রেখে দিলে ভবিষ্যতে এন্ডোমেট্রিওসিসের সমস্যা আবার ফিরে আসার সম্ভাবনা বেশি থাকে। শুনতে আশ্চর্য লাগলেও সমস্ত গাইনোকোলজিক্যাল অঙ্গ বাদ দিলেও আবারও এন্ডোমেট্রিওসিসের ফিরে আসার সম্ভাবনা থাকে, যদিও তা অত্যন্ত বিরল।
হিস্টেরেক্টমি সার্জারি নিঃসন্দেহে বড় সিদ্ধান্ত যা আপনার শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই সব কিছু বিচার করে সিদ্ধান্ত নিন আপনি।
যদি আপনার দুটি ওভারি বাদ দিয়ে দেওয়া হয় তবে আপনার সার্জিক্যাল মেনোপজ হবে । সেক্ষেত্রে আপনি আপনার ডাক্তারের সাথে হরমোন প্রতিস্থাপন থেরাপি বা HRT নিয়ে আলোচনা করতে পারেন যা আপনার মেনোপজের লক্ষণগুলি সারিয়ে তুলতে সাহায্য করতে পারে। আজকাল হরমোন ছাড়াও অন্য নানা আধুনিক পদ্ধতিতে মেনোপজের সমস্যার সমাধান হচ্ছে।
যে কোন চিকিৎসার আগে পেশেন্টের সম্মতি খুবই জরুরী। আপনার সম্মতি চাওয়ার আগে আপনার ডাক্তার অপারেশনের ঝুঁকি, অসুবিধা এবং অপারেশন না করে বিকল্প কি চিকিৎসা আপনি করতে পারেন, সবকিছুই আপনাকে জানাবেন। যাতে আপনি সঠিক সিদ্ধান্ত এবং সঠিক চিকিৎসা নিতে পারেন।
আপনি যদি যেকোনো রকমের চিকিৎসা সম্পর্কে অনিশ্চিত হন তাহলে আগে আরো বিশদ তথ্য আপনার ডাক্তারকে জিজ্ঞাসা করতে পারেন।
🌀 প্রথাগত চিকিৎসা ছাড়াও অন্য কোন বিকল্প পদ্ধতি এন্ডোমেট্রিওসিসে সাহায্য করতে পারে কি?
কিছু কিছু মহিলা কিছু 🔷 স্পেশাল ডায়েট বা দুধজাত খাবার এড়িয়ে বা 🔷 নিয়মিত এক্সারসাইজ করে এন্ডোমেট্রিওসিসের সমস্যা থেকে মুক্তি পাবার চেষ্টা করে থাকেন। এরমধ্যে অনেকেই সফল হতে পারেন। এছাড়াও 🔷 কাউন্সিলিং বা ব্যথা মোকাবিলা করার জন্য ব্যথার ক্লিনিক বা
🔷 সাইকোলজিক্যাল থেরাপিও এন্ডোমেট্রিওসিসের সমস্যা তীব্রতা থেকে মহিলাদের খানিকটা রেহাই দেয়।
🌀 কিভাবে এন্ডোমেট্রিওসিস প্রজনন কে প্রভাবিত করে ?
এন্ডোমেট্রিওসিসে মহিলাদের প্রেগনেন্সির সমস্যা আসতে পারে। তবে এমন নয় যে তারা প্রেগনেন্ট হতে পারবেন না। এই রোগের চিকিৎসার জন্য প্রেগনেন্সি নিজেই একটি দুর্দান্ত চিকিৎসা।
সঠিকভাবে বোঝাতে গেলে প্রেগনেন্সি চলাকালীন আপনার ইউটেরাস ওভারি যে পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যায় তাতে ভবিষ্যতে আপনি এন্ডোমেট্রিওসিসকে খুব সহজেই প্রতিরোধ করতে পারবেন। আপনার ডাক্তারবাবু আপনাকে এই ব্যাপারে আরো বেশি তথ্য দিয়ে সাহায্য করতে পারবেন।
This is an impartial , unsponsored health information. For public awareness and not a replacement of Medical Advice.
Search tool: Quality of Life Masterclass Endometriosis Adenomyosis NSAID Contraceptive Pill GnRH Laparoscopic Surgery Hysterectomy Surgery







