জীবনের ত্রিভুজ
একজন পেশেন্ট হাসপাতালে যখন ভর্তি হচ্ছে তখন তার কাছে পৃথিবীর সব দরজা বন্ধ এমনকি তার নিজের বাড়ির দরজাও। অন্তত বন্ধ না হলেও, বেশ খানিকটা নিরুপায় হয়েই মানুষজন হাসপাতালে ভর্তি হন।
প্রতিটি মানুষের জীবনে এই ত্রিভুজ।
পরাধীন ভারত তখন পরিকল্পিত ভাবে বিভ্রান্ত। বাংলায় মন্বন্তর। কলকাতার রাস্তায় রাস্তায় ক্ষুধার্ত মৃতদেহ। পোর্টব্লেয়ার থেকে জাপানিদের নিয়ে নেতাজি তখন ইংরেজ রাজত্ব আক্রমণের ছক কষছেন। গান্ধী অনশনে। সেই তেতাল্লিশের দিনগুলো।
ঠিক সেই দিনগুলোতে, নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে সাজানো গোছানো কলেজে আব্রাহাম ম্যাসলো গবেষণা করছেন।
ব্যাপারটা কি ?
পেলে মারাদোনার জীবনটা হয়তো ভালো ছিল
ওনাদের গোলপোস্টটা অন্তত সরে সরে যেত না।
শিফটিং গোলপোস্ট এক ভয়ঙ্কর ব্যাপার
অথচ, আপনার আমার সবার জীবনেই গোলপোস্ট সরে যায়!
হেঁয়ালি নয় - রীতিমত সত্যি!
চাওয়া চাহিদা এবং পাওয়া এই তিনটে জিনিসের মধ্যে অনেক সময় পার্থক্য থেকে যায়।
চিরাচরিত বাঙালি বিয়ের অনুষ্ঠানের কথা একবার ভাবুন।
বৌভাতের দিন সকাল বেলা বউ এসে তার হাজবেন্ডের কাছ থেকে ঘটা করে ভাত-কাপড়ের প্রতিশ্রুতি পায়।
কিন্তু সত্যি কি শুধু ভাত-কাপড় পেলেই তার সারা জীবন চলে যায়?
তাহলে তো কোনোদিন কারও ডিভোর্স হয়তো হতোই না
তার সাথে মিশে থাকে নানা ধরনের চাহিদা।
চাই ভালোবাসা, চাই পারিবারিক সম্মান। চাই নিরাপত্তা। চাই প্রাইভেসি। চাই আত্মসম্মান
চাই আরো অনেক কিছু
মানুষ মানেই গোলপোস্ট সরে সরে যায়
সেটা যে সবসময় খারাপ, তা নয়
কিন্তু সরে।
অনেকটা ঠিক এমনই গোল বাঁধে কোন পেশেন্ট হাসপাতালে ভর্তি হলে।
অবশ্যই সেই পেশেন্টের প্রাথমিক চাহিদা হয় - যাতে তিনি ভালো হয়ে যান।
নববধূ বাড়িতে আসা আর পেশেন্টের হাসপাতালে আসার উপমা টা একদমই ঠিক হলো না।
নববধূ কান্না কাটি করে বাড়ি ছাড়লেও শ্বশুরবাড়ী ঢোকার আগে মুচকি হাসি
অন্তত একটা কাঙ্খিত জীবনের হাতছানি
কিন্তু একজন পেশেন্ট হাসপাতালে যখন ভর্তি হচ্ছে তখন তার কাছে পৃথিবীর সব দরজা বন্ধ এমনকি তার নিজের বাড়ির দরজাও।
অন্তত বন্ধ না হলেও, বেশ খানিকটা নিরুপায় হয়েই মানুষজন হাসপাতালে ভর্তি হন।
রূঢ় বাস্তব। কিন্তু চরম সত্যি।
আমি প্রথম প্রথম ভাবতাম এই ভাবনার একটা ব্যতিক্রম নিশ্চয়ই আছে। যখন কেউ সুখের সময় হাসপাতালে ভর্তি হন।
যেমন ধরুন বাচ্চাকাচ্চা হওয়ার সময় সিজারিয়ান সেকশন বা নর্মাল ডেলিভারি হওয়ার সময় যখন হবু মা হাসপাতালে ভর্তি হন।
কিন্তু আমার একজন গাইনোকলজিস্ট বন্ধু আমাকে শুধরে দিয়ে বলেন
তোর ভাবনা টা সঠিক নয়
ঠিক করে ভেবে দেখ, ঠিক ওই সময় যখন বাচ্চা ভূমিষ্ঠ হওয়ার সময় আগত, সেই সময় পেশেন্ট মা কিন্তু নিজের বাড়িতেও থাকতে পারেন না। আসতে হয় তাকে হাসপাতালে।
ভেবে দেখলাম, আমার ভাবা একমাত্র ব্যতিক্রমটাও সঠিক না।
অগত্যা যেটা দেখা যাচ্ছে যে পেশেন্ট যখন হাসপাতালে ভর্তি হন তখন খানিকটা নিরুপায় হয়েই তিনি এ পথে হাঁটেন।
এই কোণঠাসা হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সময় সবারই মনে হয় যদি শুধু ‘শরীরটা’ ভালো হয়ে যায় তাহলে বোধ হয় কেল্লাফতে।
কিন্তু বাস্তবটা সম্পূর্ণ অন্য কথা বলে।
ধরুন হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর, তার জ্বর, শারীরিক কষ্ট, মাথা-ব্যথা বা বমি ভাব এগুলো চিকিৎসার মাধ্যমে ঠিক হচ্ছে।
ঠিক সেই সময়ই পেশেন্টের গোলপোস্ট পাল্টাতে থাকে
ঠিক সেই সময়
মনে হতে শুরু করে এই সমস্যাগুলো নাহয় লাঘব হচ্ছে, কিন্তু এই নিরাময় চিরস্থায়ী তো?
আবার এই সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে না তো?
অথবা,
হাসপাতালের বিল কত হচ্ছে?
সে বিল কে ভরবে?
বা পেশেন্ট যদি চাকুরে হন তাহলে মনে হবে আর কতদিন নির্ঝঞ্ঝাটের ছুটি পাওয়া যাবে?
অফিসের বড়কর্তা তাকে কোন কথা শোনাবে না তো?
তিনি যদি ‘কর্মচারী’ না হন তাহলে আরো বিপদ!
তার মনে হতে থাকে বাড়িতে গেলে কবে আবার রান্না করতে পারবেন
কর্তব্যে কবে ফিরতে পারবেন?
বা রান্না না করলে বাড়ির লোক খাবে কি?
আরো হাজারও কূট প্রশ্ন মাথার মধ্যে উঁকি দেয়।
তিনি অসুস্থ হয়ে যাওয়ার জন্য বাড়ির লোককে কতই না কষ্ট ফেলে দিয়েছেন
বাড়ির লোক কষ্ট না পেলেও, ভাবনার ঘূর্ণি থামে না
আমি ব্যক্তিগত ভাবে মহিলাদের টিউমার বা ক্যান্সারের পেশেন্টদের দেখি।
অনেকসময়ই সময় মনখারাপ
তার অনুপস্থিতিতে হাজবেন্ড কি করছে বাড়িতে?
ছেলেই বা কি করছে?
না জানি কতই বা অসুবিধা হচ্ছে।
ওরা কী হোম ডেলিভারি খাচ্ছে?
ছেলে হয়তো মুম্বই বা নটিংহাম থেকে এসেছে মাকে দেখার জন্য
তার কর্ম ক্ষেত্রে কোন সমস্যা হচ্ছে না তো?
সেই সমস্ত ভাবনাতে পেশেন্ট মনে মনেই কুঁকড়ে যান
আড়ালে লুকিয়ে থাকে নানা রকম ভয়। সেটা মুখে প্রকাশ না করলেও মনের গভীর স্তরে সেটা খেলতে থাকে। একটা পাতলা অ্যানজাইটি কাজ করে।
এই অসুস্থ হয়ে পড়ার জন্য বা অশক্ত হয়ে পড়ার জন্য পরিবারে তার সম্মানহানি হলো না তো?
দশ জনের পরিবারের যে পজিশনটা তিনি বহু কষ্টে তৈরি করেছিলেন তা আত্মীয়-স্বজনদের কাছে লঘু হয়ে গেলো না তো?
আবার কারোর ক্ষেত্রে মনে হয়।
আমি আবার উঠে দাঁড়িয়ে ভালো করে হাঁটতে পারবো তো ?
উঠে দাঁড়িয়ে একটু সিনেমা দেখতে পারবো তো,
উঠে দাঁড়িয়ে এক বালতি জল বয়ে বাথরুমে নিয়ে আসতে পারবো তো?
বা কারোর কারোর মনে হয়, নিজের শার্টের বোতামটা লাগাতে পারব তো?
বা ব্লাউজের হুকটা লাগাতে পারব তো?
হ্যাঁ আজকে যদি এই কথাটা শুনে আপনার খুব অবাক বলে মনে হয় তাহলে জেনে রাখুন, জীবনটা কঠিন।
হ্যাঁ নির্দিষ্ট ধরনের কিছু রোগে (যাকে বলে প্যারালাইসিস) অনেক মানুষের কাছে নিজের শার্টে নিজে বোতাম লাগানোটাও চাঁদে পা দেওয়ার মতো সমান।
দুর্ভাগ্যবশত আমরা যে হাসপাতালে যাই বা যে ডাক্তারকে দেখাই বা যে দেশের হেলথ সিস্টেমে আমরা লালিত হই, সেই হেলথ সিস্টেম কিন্তু মানুষের শুধু মাত্র শারীরিক বা বড়জোর খানিকটা দূর পর্যন্ত মানসিক রোগের চিকিৎসা করতে পারে।
কিন্তু এর বাইরে যে যে সমস্যাগুলো রয়েছে তার চিকিৎসা করতে অক্ষম।
তার জন্যই অনেক ক্ষেত্রে হাসপাতাল থেকে ফিরেও রোগীর মনে হয় যে তিনি ভাল হননি।
মনে হয় রবীন্দ্রনাথের সেই ছোট গল্পের সংজ্ঞার মত চিকিৎসাটা অসম্পূর্ণই রয়ে গেল। শেষ হয়ে, হইল না শেষ!
কারও কাছে এর বহিঃপ্রকাশ, কান্নায়, কারও কাছে আক্রোশে, অকারণ রাগে
কারও নীরবতায়, কারও হতাশায়, কারও বা, শূন্য দৃষ্টিতে
কারও, আর কিছু খেতে ইচ্ছে হয় না
কারও বা ‘শুধুই’: আর কিছু ভালো লাগে না
আসল ব্যাপারটা বুঝেছিলেন ম্যাসলো সাহেব। আব্রাহাম ম্যাসলো। অনেকদিন আগের কথা
পরাধীন ভারত তখন পরিকল্পিত ভাবে বিভ্রান্ত। বাংলায় মন্বন্তর। কলকাতার রাস্তায় রাস্তায় ক্ষুধার্ত মৃতদেহ। নেতাজি পোর্টব্লেয়ার থেকে জাপানিদের নিয়ে ইংরেজ রাজত্ব আক্রমণের ছক কষছেন। গান্ধী অনশনে। সেই তেতাল্লিশের দিনগুলো।
ঠিক সেই দিনগুলোতে, নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে সাজানো গোছানো কলেজে আব্রাহাম ম্যাসলো গবেষণা করছেন। সাইকোলজি গবেষণার জগতে যা ম্যাসলো কে নিয়ে যাবে অকল্পনীয় উচ্চতায়। ম্যাসলো ট্রায়াঙ্গল।
🌈 ♥️ এর দিকে দিকে তাকালে বোঝা যাবে যে একজন মানুষের যে ফিজিওলজিক্যাল চাহিদা বা শারীরিক বা মানসিক চাহিদা, সেই চাহিদাটা একদম বেসিক। খাবার, জল, শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা।
সেটা মানুষ বা অসুস্থ মানুষের চাহিদার একদম প্রথম ধাপ।
🌈♥️ এরপরে রয়েছে মানুষের (safety needs বা নিরাপত্তার চাহিদা ) সে নিজে নিরাপদ কিনা! সে নিজের বাড়িতে নিরাপদ কিনা
নিরাপত্তা শুধুমাত্র চোর ডাকাতের হাত থেকে নয়।
নিরাপত্তা সামাজিক এবং তার সাথে অর্থনৈতিক!
তার অর্থনৈতিক স্বাধীনতা থাকবে কিনা!
তার চাকরিটা এই অসুখের পরেও বজায় থাকবে কিনা ?
তার আশেপাশে যে রিসোর্সগুলো রয়েছে সেগুলো অটুট থাকবে তো?
যে বাড়িটাতে তিনি থাকছেন সেই বাড়িটা তার শেষ পর্যন্ত থাকবে তো?
হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরে ই এম আই দিতে পারবেন তো?
কিংবা তার যদি কিছু বিষয়-আশয়-সম্পত্তি থাকে তাহলে সেগুলোরই বা কে দেখভাল করবে?
🌈♥️ এর পরের ধাপে চলে আসে Love and belonging
ব্যাপারটা কি?
এখানে একজন অসুস্থ মানুষ অবচেতন মানেই যাচাই করে নিতে থাকেন তার আশেপাশের মানুষগুলোর মধ্যে বন্ধুত্ব পাওয়ার সম্ভাবনা। বন্ধুগুলো বন্ধু থাকবে তো? হাসি পাচ্ছে? বন্ধুত্ব কি গ্র্যান্টেড? আজকেই এক বন্ধুর সাথে সিরিয়াস ঝগড়া করে আসুন! পঁচিশ বছরের বন্ধুত্ব ভাঙতে দু মুহূর্ত সময় লাগবে না। পরিবারের মধ্যে তার মূল্য অটুট থাকবে কী? তার হাজবেন্ড বা ওয়াইফ এর সাথে সাথে তিনি আবার ইন্টিমেট হতে পারবেন কিনা?
পৃথিবীর কোনো সম্পর্ক চিরস্থায়ী নয়। হাসপাতালের বেডে শুয়ে সামাজিক ও পারিবারিক বলয়ের প্রতিটি মানুষের সাথে পেশেন্টের যোগাযোগকে একজন পেশেন্ট নিক্তির বিচারে বিচার করতে থাকেন। এই চাহিদাগুলো পরিপূর্ণ না হলেও সেই মানুষটি সুস্থ হয়েও, সুস্থ হয়ে উঠবেন না।
🌈♥️ এরপর আসে self esteem বা আত্মসম্মান। আত্মসম্মান বলতে আমরা ছোট করে যা বুঝি, আত্মসম্মানের আসল পরিধি তার থেকে অনেক বড়।
নিজের নখ নিজে কাটাও একটা আত্মসম্মান। নিজেকে নিজে দেখভাল করার স্পৃহাও, হয়তো জগতের সবথেকে বড় আত্মসম্মান। অনেক পেশেন্টের কাছে নখ কাটাও বাহুল্য।
এখানেই শেষ নয়
ভয় হয়, রোগে ভুগে বিছানায় পড়ে থাকলে বাড়ির মানুষজন তাকে ঠিক দেখভাল করবেন তো?
একটা পরিবারের তার যে মূল্য, সেই মূল্য তার আত্মীয়-স্বজনের মধ্যে কমে যাবে না তো?
হয়তো বাড়িতে ফোন আসবে ভিন শহরের আত্মীয়ের। আর সেই ফোনে পেশেন্টের জন্য মিশে থাকবে শুধুই অনুকম্পা। একজন পেশেন্টের কাছে তার আত্মসম্মান হয়তো বাড়ির বাইরে রাস্তায় বার হয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর স্বাধীনতা। একজন ক্যান্সার পেশেন্ট এর যখন কেমোথেরাপিতে তার মাথার চুল পড়ে যায়, তখন ঠিক এইখানটিতে এসে আঘাত পড়ে।
একজন হার্টের পেশেন্ট - যখন দৌড়ঝাঁপ করে বাজার হাটে যেতে পারেন না, তখন ঠিক এইখানে এসে আঘাত পড়ে । একজন কিডনির পেশেন্ট- যখন বাড়ির আর পাঁচটা মানুষের মতো, একই মেনু খেতে পারেন না,
প্রতিদিন যখন তার জন্য আলাদা মেনু রান্না করতে হয়। তার আঘাতটা এসে পড়ে ঠিক এইখানে।
🌈♥️ ম্যাসলো সাহেবের ট্রায়াঙ্গেলের একদম উপরের তলায় রয়েছে self actualisation । আত্মোপলব্ধির চাহিদা।
যেখানে মানুষ জানতে চায়,
আমি যেটা হতে চেয়েছিলাম সেটা হতে পেরেছি কি?
একজন মহিলা হয়তো চেয়েছিলেন তার নাতির সঙ্গে বসে একটু পার্কে হেঁটে-চলে-দৌড়ে বেড়াবেন তিনি সেটা পারছেন কি? একজন প্যারালাইজড মানুষ হয়তো ভেবেছিলেন শার্টের বোতাম গুলো আটকে তিনি বেড়াতে যাবেন। তিনি সেটা পারছেন কি?
একজন মানুষ হয়তো ভেবেছিলেন জুতোর ফিতে বেঁধে বাইরে হাঁটতে যাবেন তিনি সেটা পারছেন কি?
যখন আমরা এগুলো পারি না
তখন এই self actualization এর স্তরে এসে আছড়ে পড়ে মানসিক আঘাত। ঠিক এই কারণেই একজন মানুষ শারীরিকভাবে সুস্থ হয়ে গেলেও তিনি প্রকৃত অর্থে সুস্থ হন না।
আশা করবো ভবিষ্যতের অর্থনীতি ও সমাজ ডাক্তার, হাসপাতাল কে সর্বাঙ্গীন দিক গুলো দেখভাল করার সুযোগ ও পরিসর দেন। রোগীর পারিবারিক সদস্যের প্রত্যেক জনের মনে রাখা দরকার যে যেই মানুষটি একটু অসুস্থ হয়ে পড়েছেন আজকে, তার শুধুমাত্র মানসিক দিক নয়, বা শারীরিক স্বাস্থ্য নয়- মানুষ হিসেবে তার চাহিদা পরিবার পূর্ণ করতে পারছে কিনা।
আমাদের স্কুলে কলেজে এই ম্যাসলো ট্রায়াঙ্গেল পড়ানো হয়নি। অথচ আমরা প্রত্যেকে মানুষ। এই আউট অফ সিলেবাস ম্যাসলো ট্রায়াঙ্গেল আজ থেকেই আলমারির পাশে বা দরজার পেছনে আঠা দিয়ে লাগিয়ে প্রায়ই রিভাইজ দিতে হবে। যেদিন দরকার সেদিন পড়লে চলবে না। মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রস্তুতি পরীক্ষার দিন করলে হয় না।
একজন পেশেন্টকে ভালো করে তোলার জন্য যেমন ভালো ডাক্তার, ভালো হাসপাতাল, ভালো নার্স, ভালো ওষুধ দরকার তার সাথে সাথে দরকার ভালো পরিবারের সদস্য এবং আরও আধুনিক সামাজিক আবহাওয়া।
This is an impartial , unsponsored health information. For public awareness and not a replacement of Medical Advice.\
Search tool: Health System Abraham Maslow Paralysis Physiological Needs Love and Belonging Triangle









