ক্যান্সার সম্পর্কে ১২টি মিথ
বায়োপসি করলে কী ক্যান্সার ছড়ায়? সার্জারি করলে বেড়ে যায়? গাছ গাছড়া দিয়ে কী ক্যান্সার সারানো যায়? ক্যান্সার মানেই কী জীবন শেষ?
এখানে রইলো এই টপিকের বাংলা ভার্সন
For the English Version of this topic click here
👉🏾 ক্যান্সার নিয়ে ভয়ের অন্ত নেই। তারপর সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি যদি সঠিক না হয় তবে পেশেন্টের আরও বিপদ। পদে পদে হোঁচট খেতে হবে। ক্যান্সার নিয়ে এক ডজন ভ্রান্ত ধারণা- বিজ্ঞানসম্মত সমাধান আজকে।
🫣 বায়োপসি করলে ক্যান্সার ছড়ায়……
👉🏾 বায়োপসি ছাড়া ক্যান্সার ডায়াগনোসিস করা যায়, না কিন্তু এখনো দুর্ভাগ্যজনকভাবে বহু মানুষ মনে করেন বায়োপসি করলে ক্যান্সার ছড়ায়। বা নিডিল টেস্ট করে বায়োপসি করলে ক্যান্সার ছড়ায়।
👉🏾 বায়োপসি করলে যে ক্যান্সার ছড়ায় না সে নিয়ে বিজ্ঞানের ধারণা যথেষ্ট পরিষ্কার থাকলেও, সম্প্রতি আমেরিকার ফ্লোরিডাতে প্রাক্তন ইউরোলজিস্ট ডক্টর Ronald Wheeler এর লেখা একটি বই নিয়ে হইচই পড়ে যায়।
👉🏾 যে বইতে উনি দাবি করেছিলেন বায়োপসি ছাড়াই ক্যান্সার চিকিৎসা করা সম্ভব। শেষ পর্যন্ত ২০১৭ সালে ওনার মেডিকেল রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা হয়, এবং ওনাকে গ্রেফতার করা হয়।
🤫 বায়োপসি করলে ক্যান্সার ছড়াতে পারে এই ধরনের মিথ্যা গুজবে ক্যান্সার পেশেন্টদের অপূরণীয় ক্ষতি হয়। তাই এ ধরনের গুজব ছড়ানো বেশিরভাগ ক্যান্সার স্পেশালিস্টদের মতে এক জঘন্য অপরাধ।👉🏾 ২০১৩ সালে endoscopy জার্নালে প্রকাশিত গবেষণায় দেখতে পাচ্ছি 256 জন প্যানক্রিয়াটিক ক্যান্সার পেশেন্টদের মধ্যে তুলনা করে দেখা যাচ্ছে বায়োপসি করলে, বা নিডিল বায়োপসি করলে, ক্যান্সারের ছড়ানোর সম্ভাবনা নেই।
👉🏾 ২০১৫ সালে gut জার্নালে প্রকাশিত ২০৩৪ জন প্রেশেন্টের ওপর গবেষণা করে দেখা যাচ্ছে, বায়োপসি করলে মৃত্যুর সম্ভাবনা বাড়ে না।
👉🏾 2019 সালে ইউরোলজি জার্নালের রিসার্চেও বারবার একই কথা প্রমাণিত হয়ে উঠে আসছে যে বায়োপসি আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান এক অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ,
😮💨 সামগ্রিকভাবে ক্যান্সার বিজ্ঞানে বায়োপসি যথেষ্ট নিরাপদ পরীক্ষার মধ্যেই গণ্য করা হয়,
🤝🏽 ক্যান্সার ছোঁয়াচে,
👉🏾 ক্যান্সার মোটেই ছোঁয়াচে নয়। ভ্রান্ত ধারণার বশবর্তী হয়ে আমরা অনেক সময় দেখি ক্যান্সার পেশেন্টের বাড়িতে যাতায়াত কমিয়ে দিচ্ছেন আত্মীয়-স্বজনরা।
👉🏾 ক্লিনিকে ক্যান্সার পেশেন্টদের পাশে অন্যরা বসতে ভয় পাচ্ছেন। এই সব ধরনের চিন্তাধারা সামগ্রিকভাবে প্রচন্ড দুঃখজনক।
👉🏾 এ কথা ঠিকই আস্তে আস্তে শহর-ভারতবর্ষের অল্প কিছু নাগরিক এই ধরনের কুসংস্কার কাটিয়ে উঠেছেন।
👉🏾 কিন্তু আমাদের পেশেন্টদের সঙ্গে কথাবার্তা বলে ব্যাপারটা জলের মতো পরিষ্কার যে এখনও সম্ভবত লক্ষ কোটি মানুষ মনে করেন ক্যান্সার ছোঁয়াচে। যা সর্বৈব মিথ্যে।
👉🏾 এ কথা ঠিকই ১০০ টি ক্যান্সারের মধ্যে ১৫ টি ক্যান্সার মানে ১৫ শতাংশ ক্যান্সার জন্ম নেওয়ার পেছনে থাকে ইনফেকশন ঘটিত সমস্যা। 👉🏾 যেমন না ধোয়া স্যালাডের মধ্যে দিয়ে শরীরে প্রবেশ করা H Pyrlori, সার্ভিক্স ক্যান্সারের এবং গলার ক্যান্সারের কারণ HPV বা হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস, এমনকি না সেরে ওঠা হেপাটাইটিস রোগের জন্য লিভার ক্যান্সার।
👉🏾 কিন্তু তৈরি হয়ে যাওয়া ক্যান্সার কখনো এক শরীর থেকে আরেক শরীরে ছড়ায় না। এরকম কোন প্রমাণ বিজ্ঞানের কাছে নেই।
👉🏾 সুতরাং ক্যান্সার পেশেন্টের পাশে বসে নির্ভয় গল্প করুন। একসাথে চা খান। একসাথে হলিডেতে যান।
👉🏾 ক্যান্সার, তার ট্রিটমেন্ট অর্থাৎ কেমো, রেডিয়েশন ইত্যাদি কারণেও আশেপাশের মানুষ বা আত্মীয়-স্বজনের মধ্যে ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়ার কোন রিস্ক নেই।
🤔 ক্যান্সার প্রতিরোধ যোগ্য নয়,
👉🏾 এ কথা ঠিকই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে ক্যান্সারের সংখ্যা, কিন্তু WHO পরিসংখ্যানে স্পষ্ট ৩০-৫০ শতাংশ ক্যান্সার প্রতিরোধ যোগ্য, এবং এই প্রতিরোধের রাস্তা কিন্তু কোন ওষুধপত্র বা বিজ্ঞাপনে দেখা কোন তাবিজ কবজ মাদুলিতে নয়,
ক্যান্সার প্রতিহত করার দশ দশটি উপায়ে জানতে হলে নিচের ডেসক্রিপশন বক্সে লিংক দেখুন সেখান থেকে পেয়ে যাবেন।
👉🏾 এইগুলো এতটাই মূল্যবান এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ অথচ কোনোটাতেই আপনার একটি টাকাও খরচ হবে না।
👉🏾 স্রেফ সচেতনতার অভাবে আমরা সেগুলো মান্য করি না, একটু জানলেই আপনি শতকরা ৩০ শতাংশ ক্যান্সারকে হারিয়ে দিতে পারবেন একটি মাত্র ওষুধ না খেয়েও।
🤦🏽♀️ তাবিজ কবজ পড়ে ক্যান্সারের ট্রিটমেন্ট হয়,
👉🏾 ক্যান্সারের ট্রিটমেন্ট নিয়ে প্রচুর গবেষণা চলছে। প্রতিনিয়তই নতুন নতুন তথ্য আমাদের সামনে আসছে। একে পরাস্ত করতে হলে দরকার ভালো কোয়ালিটির সার্জারি।
👉🏾 সাথে অনেক সময় কেমো বা রেডিওথেরাপীর দরকার হয়। তাই তাবিজ কবজ শেকড়-বাকড় দিয়ে ক্যান্সার সারানোর মোটেই চেষ্টা করবেন না।
👉🏾 এগুলোর উপর ভরসা করে থাকলে সব থেকে যার ক্ষতি হয় সে পেশেন্ট। তার কারণ যতদিন আপনি এর ওপর ভরসা করে আছেন ততদিন ওনার আসল চিকিৎসা পিছিয়ে যাচ্ছে।
🤔 মাইক্রোওয়েভ ওভেনের রেডিয়েশন থেকে ছড়ায় ক্যান্সার,
👉🏾 এইরকম ভাবধারাও সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। মাইক্রোওয়েভ যে ধরনের তরঙ্গ ব্যবহার করে সেটা এক ধরনের রেডিয়েশন।
👉🏾 এই প্রসঙ্গে বলে রাখা ভালো এই রেডিয়েশন এর সাথে কিন্তু ক্যান্সারের চিকিৎসার রেডিওথেরাপি কে একসাথে গুলিয়ে ফেলবেন না।
👉🏾 শুনতে অনেকটা একই কিন্তু এগুলো সম্পূর্ণ আলাদা।
মাইক্রোওয়েভ এক ধরনের ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ফিল্ড তৈরি করে খাবারে থাকা জলের অণুকে আরো বেশি ভাইব্রেট করে খাবার গরম করে এবং সরকারি নিয়ম-নীতি এতটাই শক্ত যে বাজারে বিক্রি হওয়া মাইক্রোওয়েভ ওভেন প্রচুর কড়া বাধা-নিষেধ মেনে তৈরি করতে হয়।
👉🏾 এইসব মাইক্রোওয়েভ ওভেন থেকে ক্যান্সার তৈরি হওয়ার মতো কোনো রেডিয়েশন শরীরে পৌঁছয় না।
👉🏾 মাইক্রোওয়েভ আমাদের চারিদিকে প্রচুরভাবে ব্যবহার হয়ে চলেছে।
👉🏾 ফোন, টেলিভিশন এমনকি পুলিশকর্তারা যেরকম ভাবে প্রচন্ড স্পিডে ছুটতে থাকা গাড়ির স্পিড নির্ণয় করে তাকে শাস্তি দেন, সেই সবই মাইক্রোওয়েভ। এবং সেগুলো সবই নিরাপদ।
🏃🏽♀️ ক্যান্সার সব সময় ফিরে আসে,
👉🏾 এরকম ধারণার কোন বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা নেই। ইংল্যান্ডে প্র্যাকটিস করার সময় প্রায়শই দেখতাম, হয়তো কোন একজন বয়স্ক মহিলাকে দেখছি, তার মেডিকেল হিস্ট্রি দিতে গিয়ে উনি বলছেন তার কুড়ি বছর আগে ক্যান্সার হয়েছিল।
👉🏾 এখন হয়তো উনি অন্য একটা কোন সমস্যার জন্য এসেছেন।
👉🏾 যত বিজ্ঞান এগোচ্ছে, মেডিকেল সাইন্স এগোচ্ছে, দেশ এগোচ্ছে, তত ক্যান্সারের আরো তাড়াতাড়ি নির্ণয় হচ্ছে। এবং ক্যান্সারকে হারিয়ে দেওয়াও ততটাই সহজ হচ্ছে।
👉🏾 এ কথা ঠিকই কিছু কিছু ক্যান্সার বেশ দুষ্টু ধরনের এবং তারা প্রায়শই ফিরে আসে, কিন্তু এ কথাও সত্যি সঠিক সময় নির্ণয় হলে বহু ক্যান্সারই আজকাল কিওর করে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে।
সুতরাং অকারণ ভয় না পাওয়াই ভালো।
পরবর্তী ভ্রান্ত ধারণা,
🌳 ভেষজ ওষুধ খেলে ক্যান্সার কিওর করা যায়,
👉🏾 অনেকে এই ভেবে ভেষজ ওষুধ খান যে ওনার ক্যান্সার তো সেরে উঠবে। আর কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াও হবে না।
👉🏾 এই ধরনের ভ্রান্ত ধারণা থেকে যতটা দূরে পারবেন থাকুন।
👉🏾 গাছের সাথে আলোপ্যাথির শত্রুতা নেই। বহু এলোপ্যাথি ওষুধের জন্ম তৈরি হয়েছে গাছ থেকে। এবং তার মধ্যে কিছু অ্যান্টি ক্যান্সার ওষুধও রয়েছে। 👉🏾 কিন্তু সেই ওষুধগুলো যেইভাবে গাছ থেকে নিষ্কাশন করা হয়, যেভাবে তাদের পরবর্তীতে প্রসেস করে তারপর পেশেন্টকে দেওয়া হয়, তার মধ্যে একটা আস্ত বিজ্ঞান লুকিয়ে রয়েছে।
👉🏾 গাছ থেকে সরাসরি এক গুচ্ছ ভেষজ কেমিকাল নিয়ে, বৈজ্ঞানিক নিষ্কাশন পদ্ধতি ছাড়া ওষুধ খেলে সেই ওষুধে লুকিয়ে থাকতে পারে অন্যান্য বিপদের হাতছানি।
👉🏾 আমেরিকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথের ন্যাশনাল ক্যান্সার ইনস্টিটিউট তাদের বিবৃতিতে জনসাধারণকে সতর্ক করেছেন কোন ওষুধ ন্যাচারাল মানেই সম্পূর্ণ নিরাপদ, তা যেন একদমই মনে না করা হয়।
👉🏾 উদাহরণ হিসেবে বলা যায় ট্রেস এবং অ্যাংজাইটির জন্য kava kava বলে এক ধরনের ভেষজ ব্যবহার করলে হতে পারে অপূরণীয় লিভার ড্যামেজ।
👉🏾 মন খারাপ বা হালকা ঘুমের জন্য খাওয়া St John's wart এর ভেষজ ওষুধ খেলে ফল এমন মারাত্মক হয়, যে কিছু কিছু ক্যান্সার ওষুধও আর কাজ করতে পারে না।
সুতরাং সতর্ক থাকুন।
🧖🏽 ক্যান্সার মানেই মৃত্যু,
👉🏾 ক্যান্সার মানেই মোটেই মৃত্যুদণ্ড নয়। সভ্যতার ইতিহাসে ক্যান্সার অপেক্ষাকৃত নবীন এক চ্যালেঞ্জ।
👉🏾স্বভাবতই বিজ্ঞানীদেরও বেশ কয়েক দশক সময় লাগছে ক্যান্সার কে ভালোভাবে বোঝার জন্য। কারণ ক্যান্সার ‘একটি’ অসুখ নয়।
👉🏾 প্রতিটি অর্গানের নানারকম শ্রেণি এবং উপশ্রেণীর ক্যান্সার রয়েছে।
👉🏾 প্রচুর রিসার্চের এর মাধ্যমে ক্যান্সারের ট্রিটমেন্টের সাফল্যের হার বাড়ছে। অনেক মানুষ ক্যান্সার পেরিয়েও দীর্ঘজীবী হচ্ছেন।👉🏾 আমেরিকার ন্যাশনাল ক্যান্সার ইনস্টিটিউটের পরিসংখ্যান বলছে ২০১৯ সালে আমেরিকা তে ক্যান্সার সার্ভাইভারদের সংখ্যা পৌঁছেছে প্রায় এক কোটি সত্তর লক্ষের কাছাকাছি। এত বিপুল সংখ্যার মানুষ ক্যান্সার কে হারিয়ে বেঁচে রয়েছেন।
👉🏾 জানতে পারছি গত চল্লিশ বছরে ক্যান্সার হারিয়ে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা হয়েছে দ্বিগুণ।
👉🏾 ক্যান্সার ঘটিত মৃত্যুর সংখ্যা আস্তে আস্তে কমছে।
👉🏾 যে দেশে ক্যান্সার নিয়ে যত বেশি জনসচেতনতা সেই দেশে ক্যান্সার নির্ণয়ও তাড়াতাড়ি হচ্ছে। চিকিৎসাও আরো ভালোমতো হতে পারছে।
১৯৯০ এর সময় থেকে আর এখনকার সময় পর্যন্ত ব্রেস্ট,প্রস্টেট এবং থাইরয়েড ক্যান্সারে পাঁচ বছর ধরে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা ৯০ শতাংশ ভালো হয়েছে।
পরবর্তী ভ্রান্ত ধারণা
✂️ সার্জারি করলে ক্যান্সার ছড়ায়,
👉🏾 সঠিক পরিকল্পনায় সার্জারি করলে ক্যান্সার ছড়ায় না। বরঞ্চ যাদের সার্জারির দরকার আছে তাদের ক্ষেত্রে যদি এই ভয়ে সার্জারি না করা হয়, তাহলে ক্যান্সার আরো বেশি ছড়িয়ে যায়।
👩🏽🦲 কেমো মানেই চুল পড়বে,
👉🏾 এ কথা ঠিকই যে কিছু কিছু কেমোতে মাথার চুল পড়ে যায়। তবে তা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই চিরস্থায়ী নয়।
👉🏾 সংখ্যাগরিষ্ঠ ক্ষেত্রে মাথার চুল ফিরেই আসে।
👉🏾 এছাড়াও এমন ভুরি ভুরি কেমোথেরাপি রয়েছে যাতে মাথার চুল পড়েই না।
👩🏽❤️💋👨🏻 ক্যান্সার হলে সেক্স করা যায় না,
👉🏾 এরকম ধারণার কোনো বিজ্ঞানসম্মত কারণ নেই।
👉🏾 এমনকি গাইনোকলজিক্যাল ক্যান্সারেও বেশিরভাগ পেশেন্টই সঠিক ট্রিটমেন্ট পেলে এবং তাকে ভালোভাবে সব কিছু বোঝালে তিনি আর পাঁচজন নর্মাল মহিলার মতই সেক্সুয়াল অ্যাক্টিভিটি করতে পারেন।
👉🏾 তবে সেক্সের জন্য শুধু শরীর নয়। মানসিক ব্যাপার ও বেশ খানিকটা জড়িত।
👉🏾 ক্যান্সারে যেহেতু প্রচন্ড স্ট্রেস দুশ্চিন্তা এই সমস্ত হয়, তাই অনেকেই সেক্স থেকে গুটিয়ে যান।
👉🏾 কিন্তু আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি এমনই, আজকাল বহু পেশেন্টই এই ধরনের সমস্যা থেকে বেরিয়ে পুরোপুরি সাধারণ জীবন যাপন করছেন।
🧳 ক্যান্সার পেসেন্ট কখনো হলিডে তে যেতে পারেন না,
👉🏾 ক্যান্সার পেসেন্ট যে কোথাও ঘুরতে যেতে পারেন না এটাও এক ভ্রান্ত ধারণা। আমাদের বহু পেশেন্ট দীঘা পুরী দার্জিলিং থেকে শুরু কবে নিউইয়র্ক পর্যন্ত বেরিয়ে আসেন।
👉🏾 আমাদের দেখা এক মহিলা ইউটেরাইন ক্যান্সার থেকে সেরে উঠে আমাকে ছবি পাঠিয়েছিলেন। তিনি বেড়াতে গিয়ে জিপের উপরে উঠে ছবি তুলেছিলেন স্রেফ আমাকে চমকে দেয়ার জন্য।
👉🏾 আমাদের অনেক পেশেন্টই রাজস্থানে গিয়ে উটে চড়ে বা সুইজারল্যান্ডে স্কি করতে করতে আমাদের ছবি পাঠান।
👉🏾 শুধু আমরা বলে নয় সারা পৃথিবীতে আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসা দেওয়া হলে, পেশেন্টরা ভালোভাবেই তাদের জীবন যাপন করতে পারেন।
🙅🏽♀️ ক্যান্সার পরিবারের একজনের হলে সবার হবে,
👉🏾 এই ধরনের ধারণার কোনো বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা নেই।
👉🏾 এ কথা ঠিকই সব ক্যান্সারী জেনেটিক, কিন্তু জেনেটিক মানেই এমন নয় যে সেটা তার বংশগত জেনেটিক রোগ।
👉🏾 ১০০ টি ক্যান্সারের মধ্যে হাতে-গোনা মাত্র অল্পসংখ্যক কয়েকটি ক্যান্সার বংশগত।
👉🏾 শুনতে আশ্চর্য লাগলেও সত্যি, যাদের ক্ষেত্রে বংশগত ক্যান্সার ধরা পড়েছে সাধারণত সেই সমস্ত পরিবারের স্বাস্থ্য, সমাজের অন্যান্য পরিবারের স্বাস্থ্যের থেকে আরও বেশি ভালো হয়।
👉🏾 তার কারণ তারা অত্যন্ত সজাগ এবং সচেতন থাকেন এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বিপদ সহজেই এড়িয়ে যেতে পারেন। এই বিজ্ঞান কে বলা হয় অঙ্কজেনেটিক্স। 👉🏾 ইদানিং ম্যাথমেটিক্যাল মডেল এ জেনে যাওয়া যাচ্ছে যে বংশগত কোন ক্যান্সার থাকলে সেটা পরবর্তী প্রজন্মে কোন বয়সে বহিঃপ্রকাশ হবে।
👉🏾 তার আগে কিছু চেকআপ এবং ট্রিটমেন্ট করলেই মুশকিল আসান।
তাই ভয় নয়। বিজ্ঞানের ওপর ভর করে জিতে নিন ক্যান্সার থেকে জেতার উপায়।
This is an impartial , unsponsored health information. For public awareness and not a replacement of Medical Advice.
References:
[1]
J. P. Joseph et al., “Percutaneous Image-guided Core Needle Biopsy for Upper Tract Urothelial Carcinoma,” Urology, vol. 135, pp. 95–100, Jan. 2020, doi: 10.1016/j.urology.2019.10.005.
[2]
S. Ngamruengphong et al., “Risk of gastric or peritoneal recurrence, and long-term outcomes, following pancreatic cancer resection with preoperative endosonographically guided fine needle aspiration,” Endoscopy, vol. 45, no. 8, pp. 619–626, Aug. 2013, doi: 10.1055/s-0033-1344216.
[3]
K. Punsky, “Mayo Researchers Find Cancer Biopsies Do Not Promote Cancer Spread,” Mayo Clinic News Network. Accessed: Apr. 08, 2024. [Online]. Available: https://newsnetwork.mayoclinic.org/discussion/mayo-researchers-find-cancer-biopsies-do-not-promote-cancer-spread/
Search tool: cancer myth biopsy cancer spread sex after cancer
















