সেদিন টেবিলের ওপারে
দীপঙ্করদার একটা দোষ আছে। যখনই কিছু গভীর কথা জিজ্ঞাসা করতে হয়, তখনই মাথাটা প্রেসক্রিপশন প্যাডের উপরে রেখে, চোখটাকে এমনভাবে তোলেন যে, বাঁ চোখের থেকে, ডান চোখের ভুরুটা আরো বেশি উঠে যায়...
জীবনের একটা ছক থাকে।
ডাক্তার হয়ে কয়েক দশক কাটিয়ে দেওয়ার পরেও একটা অলীক আশা থাকে, টেবিলের ওপারে যেন কোনোদিন বসতে না হয়। কিন্তু জীবনের নিয়ম কি শুধু আমার জন্য পাল্টাবে?
ছোটবেলায় ছোট্ট বন্ধুদের ছোট্ট জন্মদিনে লুচি-ছোলার ডালের নিমন্ত্রণ আসে।
আরও একটু বড় হলেই, কে কোন ইউনিভার্সিটিতে চান্স পেয়েছে সেই পার্টির নিমন্ত্রণ।
তারপর আসতে থাকে বিয়ের নিমন্ত্রণ। তারপর অন্নপ্রাশন। তারপর ফাইভ-ষ্টার হোটেলে আন্তর্জাতিক বন্ধুদের জন্মদিনের নিমন্ত্রণ। এভাবেই বেলা গড়ায়।
ঠিক ছক বাঁধা।
সেরকমই নিয়ম মেনে কখনো কখনো বসতে হয় টেবিলের উল্টো পাশে। অবশ্য সেখানে মাঝে মাঝে বসলে জীবনটাকে সম্পূর্ণ অন্যভাবে দেখা যায়। যেমন বুঝলাম মাসির জন্য ডাক্তার দেখাতে গিয়ে।
— সার্জন!! বলিস কি?
মাসির আর্তনাদ শুনতে পাই ফোনের ওপারে। পরিষ্কার বুঝতে পারছি ‘সার্জন’ দেখাতে হবে শুনে মাসির হাত কাঁপছে। শাড়ির আঁচল মুখে। চোখ দুটো বড় বড় হয়ে উঠছে। মাসি বলতে বলতে থাকে,
— আমার তো পা কাঁপছে রে! সার্জন কেন দেখাতে হবে? একটু খাবি খাবি খেয়ে আবার হাঁক পাড়ে মাসি - এই ঘোঁতন তুই কোথায়!! এ তো বলছে সার্জন দেখাতে হবে।
ঘোঁতন মানে মিস্টার রূপনারায়ণ রায়। মাসির ছেলে। HSBC-র ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকার। কোটি কোটি টাকা হাত বদল হয় তার একটা মাউসের ক্লিকে। সে এমন পোস্টে কাজ করে যার পোস্টিং লন্ডন আর টোকিওর বাইরে নেই। তবুও মাসির কাছে সে ঘোঁতন। কদিনের ফুরসতে ঘোঁতন আর চন্দ্রানী এখন মাসির কাছে। খোদ নৈহাটিতে।
ঘোঁতনকে ডাকলেও, ঘোঁতনের খুব হায় আফসোস নেই। থাকার কথাও না। পায়ের যেখানে ফুসকুড়ি, তার ব্যাপারে সার্জনদেরই দেখাতে হয়, তাতে অপারেশন লাগুক কি না লাগুক। হালকা গলায় ঘোঁতন বলল,
— দেখাতে হলে, দেখাতেই হবে। দেখিয়ে নাও।
মাসির তেমন কিছুই না, পায়ে একটা ফুসকুড়ি। ফোনে পাঠানো ছবি দেখে কিছু বোঝা যায় না। কিন্তু যেহেতু সপ্তাহ তিনেক পেরিয়ে গেলেও, কমছে না, তাই আমি নিজেই বললাম। একবার অন্তত সার্জন দেখিয়ে নাও। এতেই মাসির আর্তনাদ।
ছেলের কথায় আশ্বস্ত হয়ে মাসি এবার বলে,
— আচ্ছা ঠিক আছে। তাহলে ফোন নাম্বার দে অ্যাপয়েন্টমেন্ট করি!
আমি বলি,
— এটুকু পার্কস তো তুমি তো পেতেই পারো। আমিই না হয় তোমার জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট করিয়ে দেবো।
অ্যাপয়েন্টমেন্ট করে ফেললাম। 23rd August, শনিবার।
— আসতে পারবে? শনিবার দুপুর তিনটায়?
ফোন করি আমি। বেশি দূর নয়, নৈহাটি থেকে ঘোঁতনের রথে করে একটুখানি এলেই কলকাতা।
— আচ্ছা ঠিক আছে, চলে যাবো, মাসি সায় দেয়।
ফোনটা রেখেছি কি রাখিনি, সঙ্গে সঙ্গে আবার ফোন ব্যাক,
— আচ্ছা, রোববার দিন অ্যাপয়েন্টমেন্ট হয় না?
— কেন! রোববার কেনো?
— না মানে, সামনে পুজো আসছে। ডাক্তার দেখিয়ে একটু গড়িয়াহাটে বাজার করে আসতে পারতাম। এত দূরেই যখন যাচ্ছি।
খোঁজ নিয়ে জানাই মাসিকে। রোববার দিন ডক্টর দাশগুপ্ত চেম্বার করেন না। এবার বেজায় অখুশি মাসি।
— তোরা যে কি করিস! রোববারে চেম্বার করলে পেশেন্টদের কত সুবিধা হয়।
— কেনো? শনিবার তোমার কী অসুবিধে? জিজ্ঞাসা করি আমি।
মাসি সারা জীবন হোম মিনিস্টার, চন্দ্রানীও এখন ছুটিতে। পুজো পর্যন্ত এদেশেই। ঠিক উত্তর দিতে পারে না মাসি, তবুও একটা নাছোড়বান্দার মত রিকোয়েস্ট জানিয়ে রাখে, আচ্ছা তবু রিকোয়েস্ট করে রাখিস যদি রবিবার একটু দেখে দিতে পারে। পাঁচ মিনিটের তো ব্যাপার।
আমি জানি সেই রিকোয়েস্ট করলে কাজ হবে না। আর সে রিকোয়েস্ট আমি করবও না। ডাক্তার যত সিনিয়র হয় তত সে বুঝতে পারে হাসপাতাল, আর এই দৈনিক হাঁপাতে হাঁপাতে এমার্জেন্সির ফোন, একদিন তার জীবনটাকে ছিবড়ে করে দেবে। তাই যত বয়স বাড়ে সঙ্গত কারণেই রবিবার আর ছুটির দিনগুলোতে, বাড়ীর ওই ছোট্ট চেয়ারটার কথা মনে হয়। মাসির ডাক্তার দীপঙ্কর দাশগুপ্তরও নিশ্চয়ই তাই।
পুরো আগস্ট মাস, মাসির বারংবার ফোন। ‘অ্যাপয়েন্টমেন্টটা ঠিকঠাক আছে তো?’
বারবার আশ্বস্ত করি। ১৪ই আগস্ট যখন মাসির আট নম্বর ফোন এলো তখন মনটা বলছে ভারতের মতো আমারও যেন ১৫ই আগস্টই স্বাধীনতা হয়।
যতবার অ্যাপয়েন্টমেন্টের দিন এগিয়ে আসছে, গাড়ি চেপে কলকাতা এসে সার্জন দেখানোর কথা হচ্ছে, মাসির মনে সন্দেহ তত তীব্র হচ্ছে,
— সার্জন? সার্জন কেন? আমার কি অপারেশন কেস?
— সার্জন শুধু কাটে না। কোথায় না কাটলেও হবে সেও তার ডিপার্টমেন্ট, বলি আমি!
তারপর আবার প্রশ্ন, আচ্ছা অপারেশন যদি করতে হয়, তাহলে কি জেনারেল Anaesthesia দেবে, না লোকাল?
— আগে তো অপারেশনের দরকার আছে কিনা সেটা দেখা যাক, তারপর তো Anaesthesia।
মাসি শুনে খুশি হয়। ফোনটা রেখে দেয়। অ্যাপয়েন্টমেন্টের দুদিন আগে তুমুল বৃষ্টির মধ্যে গাড়ি চালিয়ে, কোনোমতে গাড়ি পার্ক করে হাতের ব্যাগটাকে আড়াআড়িভাবে মাথার ওপর দিয়ে বৃষ্টিটাকে আড়াল করে মাথাটা বাঁচিয়ে দৌড়াচ্ছি। পকেটে মোবাইল বাজছে। সতেরোটা মিসড কল। গোপালের চায়ের দোকানে আশ্রয় নিই।
— হ্যাঁ বলো, মোবাইলের স্ক্রিন থেকে জল মুছে রিং ব্যাক করি আমি।
প্রবল অসন্তুষ্ট মাসি। অনুযোগ জানায় ১০ মিনিট ধরে, তোকে ফোন করে যাচ্ছি।
— ওহ সরি! বলি আমি, একদম শুনতে পাইনি।
— তা কেন শুনবি! এখন কেষ্ট-বিষ্টু হয়েছিস, মাসির সামান্য ফোন কি এখন কানে আসে!
প্রথমে ব্যাখ্যা করতে যাচ্ছিলাম যে কেন ফোনের আওয়াজ শুনতে পাইনি। তারপর দেখলাম এসব ব্যাখ্যা করা বৃথা। গলাটাকে যথেষ্ট সম্ভব শান্ত করে জিজ্ঞাসা করলাম,
— বল, কি বলছ?
— আচ্ছা ডাক্তার যদি Anaesthesia দেয় আর তারপরে যদি আমার জ্ঞান না আসে? রিস্ক নেই তো?
ইচ্ছে করল হাতের ফোনটা ছুঁড়ে রাস্তার ধারের জমা জলে ফেলে দিই। ডাক্তার এখনো দেখাই হয়নি, আদৌ অপারেশন করার দরকার হবে কিনা তাও জানা যায়নি! আর তার মধ্যেই প্রশ্ন আসছে Anaesthesia কি ধরনের হবে, আর হলে সেখান থেকে জ্ঞান ফিরবে কিনা? তারপরই মনে হল, বলে কি হবে! শুকনো হেসে বললাম,
— না না, সব জ্ঞান ফিরবে। আবারো আশ্বস্ত হয়ে মাসি ফোন ছেড়ে দেয়।
অ্যাপয়েন্টমেন্টের ঠিক আগের দিন মাসির আবার ফোন।
— অ্যাপয়েন্টমেন্টটা ক্যানসেল করে দে। নেপালের মেয়ের পেট খারাপ, তাকে নিয়ে নেপাল হাসপাতালে গেছে। বলছে নাকি স্যালাইন দেবে।
নেপাল অর্থাৎ ঘোঁতনের রথের সারথি,
— গাড়ি ভাড়া করে চলে এসো, বলি আমি।
— না না, তা হয় নাকি? কত টাকা নেবে বলতো!
দেখলাম কথা বাড়িয়ে লাভ নেই। দীপঙ্করদাকে কুণ্ঠিত হয়ে ফোন করে বলি, মাসি কালকে আসছে না। দীপঙ্করদা ভাবলেশহীন গলায় বলে, ও ঠিক আছে। পরে হবে।
এদিকে শুধু অ্যাপয়েন্টমেন্ট ক্যানসেল করলেই হবে না। আবারও তো নতুন অ্যাপয়েন্টমেন্ট চাই। আবার অ্যাপয়েন্টমেন্ট করা হলো। এবার মাসির প্রশ্ন,
— আচ্ছা, শোন তুই বরং অ্যাপয়েন্টমেন্টটা ক্যানসেল করে দে। আমি এখানে বীরেশ্বর দাসকে দেখিয়ে নিই।
— বীরেশ্বর দাস? বিশুদা তো হার্টের ডাক্তার!! পায়ের ফুসকুড়ির জন্য কার্ডিওলজিস্ট?
মাসি বলে,
— ডাক্তার হলেই হল। সার্জন হতে হবে কেন? পাশের বাড়ির গৌরী বীরেশ্বর দাসের ১২ মাস ওষুধ খায়। ওর পায়ে কালশিটে পড়েছিল। বীরেশ্বর দাসকে দেখি একদম ঠিক আছে।
— কিন্তু মাসি, নৈহাটি থেকে কলকাতা আসার সমস্যার জন্য তুমি সম্পূর্ণ একটা ভুল ডাক্তার দেখাবে?
— না না, শোন! গাড়ি-টাড়ি নিয়ে যাতায়াত করা মুশকিল। হাতের কাছে যাকে পাই, দেখিয়ে নিই।
— বেশ তো বলো ঘোঁতনদাকে! হাল ছেড়ে দি আমি। ফোন ছাড়তে ছাড়তে নিরুপায় হয়ে আবার হাঁক পারি, নিদেন পক্ষে কাছের কোন সার্জনকে দেখিয়ে নাও।
— না না, এখানে সার্জন দেখাবো না। সেরকম হলে তোর ওখানেই যাব।
মাসি বীরেশ্বর দাসকে দেখায়নি। দীপঙ্করদার সাথে আরও দুবার অ্যাপয়েন্টমেন্ট ক্যানসেল হয়েছে। কোনদিন গরম বেশি, কোনদিন বৃষ্টি, কোনোদিন নেপালের শরীর খারাপ। অগাস্ট পেরিয়ে সেপ্টেম্বর মাস গড়িয়েছে।
আবারও অ্যাপয়েন্টমেন্ট করে দিয়ে আমি মাসিকে রীতিমত হুমকি দিই। এবারই লাস্ট। আর করতে পারব না। দেখাতে হয়তো দেখাও, নইলে আর আমি নেই।
— তুই কিছুই বুঝিস না! মাসি আকুল গলায় বলে, প্রচুর সমস্যা। বাড়িতে তালা চাবি বন্ধ করে জল খাবারের বন্দোবস্ত করে একটা লোক রেখে আসতে হবে। হাসপাতালে আসতে বললেই তো আসা যায় না! সুবিধে অসুবিধে আছে।
শেষে একদিন মাসি সত্যি সত্যিই এলো। নেপালের গাড়িতে চড়ে। আমাকে বলে দিয়েছে তুই থাকবি কিন্তু হাসপাতালে। তাই আছি। নেপালের গাড়ি থেকে নেমেই মাসির এক বিশাল হাসি,
— পুজোর বাজারটা করে ফেললাম বুঝলি।
দীপঙ্কর দাশগুপ্তকে দেখালাম। অনেকক্ষণ ধরে দেখলেন। মাসির সঙ্গে গল্প করলেন।
দীপঙ্করদার একটা দোষ আছে। যখনই কিছু গভীর কথা জিজ্ঞাসা করতে হয়, তখনই মাথাটা প্রেসক্রিপশন প্যাডের উপরে রেখে, চোখটাকে এমনভাবে তোলেন যে, বাঁ চোখের থেকে, ডান চোখের ভুরুটা আরো বেশি উঠে যায়। সেরকম ভঙ্গি করেই জিজ্ঞেস করেন
— এনার জন্যই তুই পাঁচবার অ্যাপয়েন্টমেন্ট ক্যানসেল করে, নতুন নতুন অ্যাপয়েন্টমেন্ট করছিলি?
প্রশ্নটা মাসির জন্য নয়। আমার জন্য। মুখ দিয়ে একটা ছোট্ট ‘হু’ বেরিয়ে যায় আমার।
এবার দীপঙ্করদার প্রশ্ন মাসির দিকে।
— এতদিন এটা নিয়ে কি করছিলেন? আবারও ডান চোখের ভুরু উঁচু।
— না মানে….. কিছু একটা বলতে গিয়ে মাসি বিড়বিড় করে।
বলা তো আর যায় না, কখনো নেপালের মেয়ের ডায়রিয়া, কখনো বৃষ্টি, কখনো বেশি রোদ, এ সমস্ত কারণেই একবার অ্যাপয়েন্টমেন্ট হয়েছে আর ক্যানসেল হয়েছে।
প্রেসক্রিপশন লেখা শেষ। বললেন
— এই অয়েন্টমেন্টটা আপনি লাগান, আবার দু সপ্তাহ বাদে দেখবো।
মাসি এবার প্রচণ্ড অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করে
— আর সার্জারির ডেট?
— আগে মলম লাগান তো দেখি! না কমলে, তারপরে না হয় দেখা যাবে।
— আচ্ছা সার্জারি হলে, Anaesthesia টা কি হবে?
এতক্ষণে আমি মাসির ডান হাত ধরে হিড়হিড় করে টানতে টানতে মাসিকে ঘরের বাইরে বার করে দিয়েছি, কারণ এর পরের প্রশ্নটাই হবে Anaesthesia থেকে জাগবো কিনা? যদিও এখন অপারেশন করাই ঠিক হলো না। নিচে এসে ফার্মাসি থেকে মাসিকে ওষুধটা কিনে দিই। ২৬৭ টাকার একটা মলম। মাসির বিশ্বাস হয় না।
— বলিস কি? এই মলমটার জন্য এতদূর এলাম? আর ২০০০ টাকা ফি?
প্রচণ্ড অসন্তুষ্ট মাসি। মাসিকে আবার নেপালদার হাতে গিফট করে দিয়ে এসে নিজের গাড়িতে উঠতে উঠতে মুচকি হাসি।
আমরা অনেক সময়ই নিজের প্র্যাকটিসে মনে করি কেন এতদিন দেরি করে পেশেন্ট এসেছে। আগে এলে কত সহজেই ট্রিটমেন্ট হয়ে যেত, সবার তো আর মাসির মত ভাগ্য হয় না।
কিন্তু আন্তরিক ইচ্ছে থাকলেও হয়তো ডাক্তারের কাছে আসাটা অনেক সময় নেপালের মেয়ের ডায়রিয়া বা আবহাওয়ার তারতম্যের কারণে ক্যান্সেল হয়ে যায়।
স্বাস্থ্যের জরুরি প্রয়োজন Convenience এর প্রকাণ্ড আদালতে নিতান্তই অসহায়। ডাক্তারের স্পেশালিটি, তার দক্ষতা, পেশেন্টের কাছে তার প্রয়োজনীয়তা, তার বিদ্যাবুদ্ধির দৌড়, তার সিন্সিয়ারিটি, সবই গৌণ ।
শুধু একটা জিনিসই প্রধান- ‘Convenience’
ইচ্ছা থাকলেও এই Convenience চক্করেই বাঁধা পড়ে যায় সঠিক ডায়াগনোসিস, সঠিক ডাক্তারের কাছে যাওয়া , সঠিক সময় ওষুধ খাওয়া, আর চিকিৎসার সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া।
নিজের ক্লিনিকে অনেকসময়েই অবাক হয়ে ভাবতাম, সময় গড়িয়ে যাবার জন্য সামান্য সমস্যা কীভাবে তিল থেকে তাল হয়।
এতদিন উত্তর পাইনি।
সেদিন টেবিলের উল্টো দিকে না বসলে জানতেই পারতুম না।
This is an impartial , unsponsored health information. For public awareness and not a replacement of Medical Advice.






Satyi "convenience" akta boro jinis hoe utheche ajkal 10min delivery ba video conference kore dr. dekhanor juge.
valo laglo lekhata...
বেশ ভালো