ক্যান্সারে ডিপ্রেশন?
কিন্তু কেন? ভেবে না দেখলে এগোব কি করে? সমাধান হাতের কাছে থাকলেও থেকে যাবে অধরা !
আজকের বিষয়টা এমনই যে মন মানতে চাইবে না এমন কিছু হওয়া সম্ভব।
WHO এর পরিসংখ্যান বলছে, বাড়ছে ক্যান্সার। কিন্তু, এর সাথে মোকাবিলার রাস্তা পড়ায় না কোনও স্কুল-কলেজে। সময় এসেছে নিজেকে সম্বৃদ্ধ করে তোলার। এই খানেই জেনে নিতে পারবেন নানা প্রয়োজনীয় কৌশল।
ক্যান্সার হলে মন খারাপ হয় সে সবাই জানেন। কিন্তু এ ব্যাপারটা আলাদা। কাদের হয় এধরনের ডিপ্রেশন? কোথায় ট্রিটমেন্ট হয় এই সমস্যার ? বাড়িতে বা অফিসে কারও ক্যান্সার থাকলে এ এক গুরুত্বপূর্ণ সহজপাঠ।
ভবিষ্যতে কার কি হবে সে কথা কেই বা বলতে পারে? ক্রিস্টোফার কলম্বাস খুঁজতে বেরিয়েছিলেন ইন্ডিয়া তার বদলে পৌছে গেলেন উল্টোদিকে আরেক ভূখন্ডে, ভেবেই নিয়েছিলেন সেটাই ভারতবর্ষ।
আদিবাসীদের নামও দিয়েছিলেন রেড ইন্ডিয়ান। সেটা যে মোটেই ভারত নয়, আমেরিকা সেটা এখন সবাই জানেন। শতাব্দীর পর শতাব্দী আমরা খুঁজে পেয়েছি গল্প লেখার এক বাহানা, কিন্তু আসল কথা সেটাই- ভবিষ্যতের উপর কারো হাত নেই।
সমীকরণটা শুনতে সরল মনে হলেও যারা ক্যান্সারে ভুগেছেন বা ট্রিটমেন্ট করিয়েছেন তাদের কাছে ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তার ভয় এক গুরুতর সমস্যা। এর বেশিরভাগটা জুড়েই থাকে অজানার ভয় এবং ক্যান্সার ফিরে আসবার ভয়।
ব্যাপারটা যে অনেক সময় খুব অমূলক, তাও নয়। কিন্তু এই নিয়ে ক্যান্সার পেশেন্টদের উৎকণ্ঠা, উদ্বেগ এবং মন খারাপ বড়োসড়ো আকার ধারণ করে প্রায়শই।
অনেক সময় এতে যে ক্রমাগত দীর্ঘমেয়াদি স্ট্রেস তৈরি হয়। সেই স্ট্রেসের ফলেও ক্যান্সার ফিরে আসার সম্ভাবনা বাড়তে পারে।
এমনকি স্ট্রেসে নতুন দ্বিতীয় ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনাও বাড়ে। কিন্তু সবার যে একই রকম সমস্যা হয় সেরকমটা নয়।
কিন্তু সমাজের মানুষ হিসেবে কোন পেশেন্টদের উপর আর একটু বেশি নজর রাখতে হবে, দেখে নেই সেই ব্যাপারটা। এদের বলা হয় at risk পেশেন্ট। ক্যান্সারের রিস্ক নয়। ক্যান্সারের কারণে মন খারাপ হওয়ার রিস্ক।
প্রথমত
বয়স:
ক্যান্সারের প্রকোপ বেশি বয়সে বেশি হয়। কিন্তু ক্যান্সারের জন্য মন খারাপ, উৎকণ্ঠা বা উদ্বেগ সংখ্যাতত্ত্বের দিক দিয়ে দেখতে গেলে, তা বেশি হয়, অল্প বয়সি ক্যান্সার পেশেন্টদেরই । এখানেই শেষ নয়, বয়স্ক ক্যান্সার পেশেন্টরা , স্বত:প্রণোদিত হয়ে ওনাদের এই সমস্যা বলেন। বা আশেপাশের লোকজন বয়স্কদের হাবভাব দেখে সমস্যার আভাস পেয়ে যান। কিন্তু অল্প বয়সী ক্যান্সার পেশেন্টরা মুখ ফুটে স্বীকার করেন না, যে তাদের এ ধরনের কোন সমস্যা চলছে। তাদের সমস্যা চলতে থাকে নীরবে।
দ্বিতীয়ত:
ছেলে না মেয়ে কাদের বেশি হয় ক্যান্সারজনিত মন খারাপ?
ছেলেদের মধ্যে এই ধরনের সম্ভাবনা দেখা যায় না বললে ভুল হবে। তবে মহিলাদের মধ্যে এই সমস্যার প্রকোপ অনেকটাই বেশি।
তৃতীয়ত:
কোন ধরনের ক্যান্সারে এ ধরনের সমস্যা বেশি দেখা যায়?
যতদূর রিসার্চ গড়িয়েছে তাতে দেখা যায় যে লাং এর ক্যান্সারে এ ধরনের সমস্যা সব থেকে বেশি হয়। এর কাছেই আছে মহিলাদের ক্যান্সার। যার মধ্যে ওভারিয়ান, ইউটেরাইন, সারভাইক্যাল ভালভাল এবং ভ্যাজাইনাল ক্যান্সার গুলো রয়েছে। এছাড়াও ব্রেস্ট ক্যান্সার,কলোরেক্টাল ক্যানসার প্রোস্টেট এবং কিডনি ক্যান্সারেও এ ধরনের সমস্যাগুলো অপেক্ষাকৃত বেশি দেখা যায়। যারা ক্যান্সারের উপসর্গে বেশি ভোগেন তাদের ক্ষেত্রে এ ধরনের প্রকোপ আরো বেশি। সুতরাং সিম্পটম নিরাময় এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করে ক্যান্সার পেসেন্ট এর ক্ষেত্রে।
চতুর্থত
সংখ্যালঘু গোষ্ঠী:
আমাদের দেশে সাধারণত সংখ্যালঘু বললে একটি নির্দিষ্ট ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষকেই বোঝা যায়। কিন্তু ব্যাপারটা ক্যান্সারের ক্ষেত্রে আদৌ তা নয়।
যারা আর্থিকভাবে পিছিয়ে রয়েছেন, তারাও সমাজে এক ধরনের সংখ্যালঘু। নর্থ বেঙ্গল এর গ্রাম থেকে কলকাতা এসে ছেলের নতুন আবাসনে যে মহিলা মানিয়ে নিচ্ছেন তিনিও মানসিকভাবে সংখ্যালঘু। যিনি একসময় অফিসে উঁচু পদে কাজ করতেন, বা খুব প্রভাব প্রতিপত্তিশালী নেতা বা নেত্রী ছিলেন - যেদিন তার ক্যান্সার হয়, তিনিও যেন সংখ্যালঘু।
বাংলায় কথা বলা মানুষ যখন অবাঙালি জায়গায় থাকতে শুরু করছেন বা অ-বাঙালি কোন মানুষ যখন বাংলায় এসে থাকতে শুরু করছেন তিনিও সংখ্যালঘু।
বয়েস হলে চোখের সমস্যা কাদের না হয়! ধরুন এক মহিলা চোখে আগে ভালো দেখতে পেতেন, ভালো বই পড়তে ভালবাসতেন, তার যখন কোন কারণে দৃষ্টি শক্তি চলে যায় আর তার সাথে-সাথে থাকে ক্যান্সার তখন তারাও সংখ্যালঘু নয় কি?
ব্যাপারটা মানতে মন না চাইলেও একটু গভীরে ভাবলেই বোঝা যাবে, যে এই ধরনের মানুষ গুলোর মধ্যে অনিশ্চয়তার পরিমান অনেক বেশি। এদের মধ্যে ক্যান্সার-ঘটিত মনখারাপ অনেক বেশি।
একটু নজর দিলেই এ ধরনের মানুষগুলোকে মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনা যায়। আর এটাই এই লেখার লক্ষ্য।
পঞ্চম
যাদের দেরি করে ডায়াগনোসিস হয়েছে
দেরি করে ডায়াগনোসিস হওয়াটা অনেক পেশেন্টের মনেই দীর্ঘস্থায়ী মানসিক যন্ত্রণার কারণ। এর মূলত দুটি অংশ রয়েছে ।
১। যেখানে ক্যান্সার ডায়াগনসিসের আগে, সেরকম কোন সিম্পটম দেয়নি, বা, সিম্পটম দিলেও সেটা ক্যান্সারের সিম্পটম বলে মনে হয়নি। তাদের ক্ষেত্রে দেরি করে ডায়াগনোসিস হওয়া, মানসিক যন্ত্রণার কারণ।
২। আর কিছু কিছু পেশেন্টদের ক্ষেত্রে তাদের উপসর্গগুলো অন্য কোন সমস্যার ছদ্মবেশে এসেছিল। যথেষ্ট সময়ে ধরা যায় নি যে ওটা ক্যান্সার।
কিন্তু কারণ যাই হোক, দেরি করে ডায়াগনোসিস হলে সেই পেশেন্টের মনে এক অসহায়তা তৈরি হয়।
এমনও মনে হয়, যে তিনি হয়তো তার জীবনকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি। নিজের শরীর নিজের কন্ট্রোলে নেই - এ প্রচণ্ড এক মন খারাপ করা অবস্থা।
এগুলো মানসিক যন্ত্রণার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
এই তো গেলো সমস্যা আর কাদের কাদের এ ধরনের সমস্যা বেশি হয়।
আর সমাধানই বা কি?
আপনি যখন দেখলেন এ ধরনের সমস্যা কারোর মধ্যে দেখা যাচ্ছে, তখন প্রথমেই কোন দিকে নজর দেবেন? প্রথমে কি ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাবেন?
নাকি প্রথমে আরো একটা মূল্যবান ধাপ আপনাকে মাথায় রাখতে হবে।
একটু খুলে বলি।
ধরুন যেদিন আপনি ব্যাপারটা লক্ষ্য করলেন, ঠিক সেদিন-সেদিনই সাইকিয়াট্রিস্ট এর অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাওয়া গেল না। তাহলে অতি অবশ্যই জেনে নেয়া দরকার পেশেন্টের আত্মহননের কোন রিস্ক আছে কিনা?
ক্যান্সার পেশেন্ট এর মধ্যে সুইসাইড এর প্রবণতা অত্যন্ত বেশি। সাধারণ মানুষের তুলনায় ক্যান্সার পেশেন্টদের সুইসাইডের রিস্ক 20-55 শতাংশ পর্যন্ত বেশি হতে পারে।
যদি এরকম কোন ঝুঁকির সম্ভাবনা বিন্দুমাত্র মনে হয় তাহলে, সেদিনই সাইকিয়াট্রিস্ট না হলেও অন্য যে কোন ডাক্তার বা স্বাস্থ্যকর্মীর সাথে পরামর্শ করা দরকার। এব্যাপারে সচেতনতা নেই বললেই চলে, তবে ব্যাপারটা উড়িয়ে দেবার নয়। যারা, জীবনে এর আগে, অন্য কোন কারণে বিষন্নতার শিকার হয়েছিলেন, তাদের ক্ষেত্রে এ ধরনের সমস্যা আরো বেশি দেখা যায়।
অবশ্যই এর পরের ধাপ সাইকিয়াট্রিস্ট এর কাছে যোগাযোগ করা।ওনার সাথে যোগাযোগ করলে উনিই যাচাই করে নেবেন এমন কোনো রিস্ক আছে কিনা। ওনাদের ফার্স্ট ইয়ার থেকেই এই স্কিল পড়ানো হয়।
কোন সাইকিয়াট্রিস্ট দেখাতে হবে?
অনেক সময়ই পেশেন্ট এবং তার বাড়ির লোক বুঝে পান না যে, কোন সাইকিয়াট্রিস্ট এর কাছে দেখাতে যেতে হবে। বা সাইকিয়াট্রিস্ট কি আদৌ এ ধরনের ট্রিটমেন্ট করেন ?
ক্যান্সার মনোবিদ্যা এক বিশাল কিন্তু আধুনিক বিষয়। যদিও ভারতবর্ষে এ ধরনের সুপার স্পেশালাইজড ডাক্তারবাবু চট করে পাওয়া মুশকিল তাই কার কাছে যেতে হবে এই ব্যাপারটার খোঁজ থাকা অত্যন্ত জরুরী। পেশেন্টকে সাইকিয়াট্রিস্ট এর কাছে নিয়ে যাওয়ার আগে ডাক্তারবাবুর সাথে কথা বলে নিন, যে উনি এ ধরনের পেশেন্ট দেখবেন কিনা ।কখনো কিছু মনবিদ হয়তো শুধু বাচ্চাদের মনের ব্যাপার দেখভাল করেন, কিছু ডাক্তারবাবু হয়তো শারীরিক-প্রতিবন্ধী মানুষদের মানসিক চিকিৎসা করেন, তারা হয়তো এ ধরনের পেশেন্ট দেখতে নাও চাইতে পারেন।
ডাক্তারের কাছে পৌঁছে, যদি সেই পেশেন্ট চেম্বারে শোনেন যে সেই ডাক্তারবাবু মনোবিদ হলেও তার ডিপার্টমেন্ট আলাদা ,তাহলে অনেক পেশেন্টের কাছেই সেটা একটা সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। তাই আগে থেকে যোগাযোগ করে জেনে নিন। অনেকটা ট্রাফিক পুলিশের মতই দিক নির্দেশ আর কি।
কে কার কাছে দেখাতে যাবে সেই তথ্যগুলো অত্যন্ত জরুরী।
পরের ধাপ
এটা বোঝা এই মানুষটির কোথায় সমস্যা হয় ?
সাধারণত এই ধরনের গুরু দায়িত্ব আমরা ডাক্তার, নার্সের উপরেই চাপিয়ে দিই, কিন্তু ব্যাপারটা সেখানেই শেষ হলে মুশকিল। সমাজের সদস্য হিসেবে আমাদেরও এই ব্যাপারে পড়াশোনা করা দরকার। যে, কার-ও মানসিক স্বাস্থ্যের আভাস, আপনি নিজে কিভাবে পাবেন!
সাধারণত যে ধরনের ক্যান্সার অনেক দেরি করে ডায়াগনোসিস হয়েছে সেই ধরনের পেশেন্টে দের একটা ঠকে যাওয়ার মনোভাব তৈরি হয়।
সারাক্ষণই উনি ভাবতে থাকেন এত বড় সমস্যা হয়ে গেল তাও কিছু বুঝতে পারলাম না? এর থেকে জন্ম হয় অসহায়তা আর এর থেকে জন্ম হয় ট্রিটমেন্টের ওপর অবিশ্বাস।
এই ধরনের সমস্যা দেখা দিলে পরের ছয় মাসের মধ্যে উৎকণ্ঠা এবং ডিপ্রেশনের শিকার হতে পারেন সেই পেশেন্ট। কখনো তার উপসর্গ প্রকাশ পায় প্রিয়জন দের ওপরে চেঁচামেচিতে, লাজুক হয়ে ঘরের কোণে বসে থাকার মধ্যে, আমাকে দেখে লোকে কি ভাবছে ক্রমাগত এই ধরনের কথা মনে আসতে থাকে, আমি আর পূজো করতে পারব না। বা আমি আর বেড়াতে যেতে পারবো না। এই ধরনের কিছু ভাবধারায়।
সুতরাং ডিপ্রেশনের উপসর্গ যে শুধুমাত্র চোখের জলে হবে এমনটা ভাবার কোন কারণ নেই।
দুটো ছোট ছোট বাস্তব উদাহরণ দিই।এক।ক্যান্সারের চিকিৎসা বা ক্যান্সারে যাদের মাথার চুল পড়ে গেছে তাদের ক্ষেত্রে প্রায়শই আসে আমাকে দেখে মানুষ কি ভাবছে? এ ধরনের আশঙ্কা হয়। যাকে বৈজ্ঞানিক ভাষায় বলা হয় (বডি ইমেজ ইসু)। তৈরি হয় বিষণ্ণতা।দুই।কখনো কখনো তলপেটের কোন ক্যান্সারে যদি পটির রাস্তা পেটে করে দিতে হয়, তার নাম স্টোমা। অনেক মহিলা এই স্টোমা নিয়ে আর কোনদিন ঠাকুর ঘর মুখো হন না। শুরু হয় ঠাকুরঘর থেকে দূরে থাকার মানসিক যন্ত্রণা।জীবন বড় জটিল। এই চিত্রনাট্যের একটা উল্টো দিকও আছে।আমি নিজের প্র্যাকটিসের সময় দেখেছি অনেক মহিলা-পেশেন্ট ক্যান্সার অপারেশন করতে ভয় পাচ্ছেন। পাছে সার্জারির সময় এই ধরনের স্টোমার দরকার হয়। শেষে উনি হয়তো এমন সিদ্ধান্ত নিলেন যে, না, উনি সার্জারি করাবেনই না। কারণ পেটে পটির রাস্তা নিয়ে ঠাকুরঘরে গেলে ঠাকুর কি ভাববেন।উনি সার্জারি করালেন না এবং ঠাকুর ঘরেও যেতে পারলেন। কিন্তু তারপরেই মনে বিষাদ আসে হয়তো বা সার্জারিটা করালেই হত। সেখান থেকে মন খারাপের শুরু আবার। এবার ধরুন উনি এবার মনে করলেন সার্জারি করিয়েই নেওয়া যাক। সেই সময় হয়তো আর সার্জারি সুযোগ নেই। শুরু হয় এক অন্য বিষণ্নতা ।এই কিছু বিশেষ ক্ষেত্র গুলো ছাড়াও ক্যান্সার পেশেন্টদের আশেপাশের পরিবার কে মনে রাখা দরকার যে, সেই মানুষটি ঠিক কিভাবে ক্যান্সারের সাথে মোকাবিলা করছে। সামলে ওঠার জন্য ওনার আর কি কি সাহায্য দরকার হতে পারে। শুধু কেমো কিন্তু একটি মানুষকে বাঁচাতে পারে না।
যাচাই করে দেখা দরকার যে, ডাক্তার এর পরামর্শ মত উনি নিয়মিত এক্সারসাইজ, হাঁটাচলা, ঠিকঠাক খাওয়া-দাওয়া এগুলো করছেন কিনা। কারণ কারোর কারোর ক্ষেত্রে বিষন্নতার প্রথম বহিঃপ্রকাশ হয় যে, ডাক্তার এর পরামর্শ না মানার মধ্যে দিয়ে। কখনো বহিঃপ্রকাশ হয় যে সঠিক ডায়েট ওনার জন্য ভালো, সেই ডায়েট এড়িয়ে গিয়ে।
সুতরাং সবক্ষেত্রে খিদে নেই বলেই খেতে ইচ্ছে করছে না - এরকম ভাবার বদলে সেই মানুষটির শরীর পেরিয়ে মনের জগতে কি হচ্ছে সেই ব্যাপারে খোঁজখবর নিন তার পাশে
দু-দণ্ড বসে।
আরও পড়তে দেখুন:
স্ট্রেস-ক্যান্সার লিঙ্ক
Klaassen Z, Wallis C, Goldberg H et al. The impact of psychiatric utilisation prior to cancer diagnosis on survival of solid organ malignancies. Br J Cancer 2019; 120 (8): 840–847.
আত্মহনন ও ক্যান্সার
People with cancer have a 20–55% higher risk of suicide than people without cancer.
Henson K, Brock R, Charnock J. Risk of suicide after cancer diagnosis in England. JAMA Psychiatry. 2019; 76 (1): 51. Calati R, Di Mattei V, Courtet P. Risk of suicide mortality among cancer patients: A meta-analysis of observational studies. European Psychiatry 2017; 41 (S1): S290–S291
This is an impartial , unsponsored health information. For public awareness and not a replacement of Medical Advice.
Search tool: WHO Cancer Psychiatrist Depression Body Image Issue Stoma Suicide Prevention







