ডায়াবিটিসে গাইনকলজিকাল কেয়ার
যদি আপনার নিজের বা পরিবারের কারো ডায়াবিটিস থাকে তাহলে আপনার gynaecological হেলথ এর ব্যাপারে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।
এখানে রইলো এই টপিকের বাংলা ভার্সন
For the English Version of this topic click here
ডায়াবেটিস হলে কিডনি, চোখ, হার্ট এ সমস্ত ব্যাপারে যতটা জনসচেতনতা লক্ষ্য করা যায়, ততটা লক্ষ্য করা যায় না, গাইনোকলজিক্যাল সমস্যার ব্যাপারে। পৃথিবীতে 53 কোটিরও বেশি মানুষের আজ ডায়বিটিস। গত 25-30 বছরে পৃথিবীতে ডায়াবেটিসের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। কিন্তু ভয় নয়। চলুন খুঁজি ভালো থাকার কিছু কৌশল। সতর্ক হলে সমাধান আপনার হাতের মুঠোয়।
আজকে এ ব্যাপারে ৯টি বিষয় নিয়ে কথা বলব, দশম বিষয়টি মানে প্রেগনেন্সিতে ডায়াবিটিস। সে নিয়ে যে চ্যানেলে প্রেগনেন্সি সংক্রান্ত ব্যাপার স্যাপার আলোচনা হয় সেখানে দেখে নিতে পারেন।
🩸 ডায়াবিটিস পেশেন্টদের Menstrual প্রবলেম
👉🏾 সংখ্যাগরিষ্ঠ ক্ষেত্রে ডায়াবিটিস মহিলাদের ওজন একটু বাড়তির দিকেই থাকে। বাড়তি ওজনের জন্য শরীরে মহিলা-হরমোনের তারতম্য প্রায়ই দেখা যায়। সাথে আসে ইউটেরাসে ব্লিডিং কন্ট্রোল করার সমস্যা।
👉🏾 কারোর কারোর ক্ষেত্রে ব্লিডিং থামতেই চায় না, বা অনিয়মিত হতে পারে। মাস তিনেকের বেশি এ ধরনের সমস্যা থাকলে ডাক্তার দেখিয়ে আল্ট্রাসাউন্ড করে দেখে নেওয়া দরকার, ইউটেরাস এর বর্তমান পরিস্থিতি কি রকম রয়েছে।
👨🏻🔬 দুটো পিরিয়ডের মাঝখানে ছিটেফোঁটা ব্লিডিংকে বলা হয় (ইন্টার-মেন্সট্রুয়াল ব্লিডিং)।👉🏾 এই ধরনের ব্লিডিং, এবং যে ব্লিডিং এ হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমে যাচ্ছে বা যে ব্লিডিং অনিয়মিত তার জন্য পরামর্শ নিতে ভুলবেন না। বিশেষত 40 এর পরে এই ধরনের সমস্যাগুলো হলে আল্ট্রাসাউন্ডের সাথে সাথে ইউটেরাসে ক্যামেরা দিয়ে দেখার প্রয়োজনও হতে পারে।
👉🏾 প্রাথমিকভাবে কোন অসুবিধে ধরা পড়লে জরায়ুর অপারেশন বা hysterectomy ছাড়াই ট্রিটমেন্ট হওয়া সম্ভব। অন্যতম প্রধান যে চিকিৎসা আপনার জীবনকে সহজ করে তুলবে তা হল ওজনকে ঠিকঠাক মাত্রার মধ্যে নিয়ে আসা।
👉🏾 কিন্তু ডায়াবিটিস যাদের থাকে তাদের অনেকের ক্ষেত্রেই ওজন কমাতে ঘাম ছুটে যায়। ভয় না পেয়ে ডায়েটিসিয়ান, ফিটনেস স্পেশালিস্ট আর ডাক্তার বাবুর সাথে পরামর্শ করে ডায়েট আর জীবনযাত্রার পরিবর্তনের মাধ্যমে আপনি সহজেই করতে পারেন সমস্যার সম্পূর্ণ সমাধান। চাই একটু ধৈর্য।
🙆🏻♀️ ডায়াবিটিস পেশেন্টদের লিভার
👉🏾 অনেক সময় গাইনোকলজিক্যাল ব্লিডিং কমাতে কিছু হরমোন সংক্রান্ত ওষুধ পত্র দেওয়া হয়। যদি ডায়াবিটিস থাকে বা বিশেষত 35 এরপরে মহিলা দের এই ধরনের ওষুধ খেলে লিভার ড্যামেজ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
SGOT, SGPT, Alk Phos বাড়তি থাকা মানেই লিভার ড্যামেজ শুরু হয়েছে। তবে সব ওষুধেই তা হয় না। কিন্তু কিছু প্রোজেস্টেরন জাতীয় ওষুধে এই ধরনের প্রবণতা থাকে। ব্লিডিং কমাতে প্রোজেস্টেরনের জুড়ি নেই। আশার কথা অল্পসল্প প্রবলেম হলে ওষুধ বন্ধ হলে লিভার নিজেকেই সারিয়ে নেয়।
বডি ওয়েট বেশি থাকলে লিভার সেরে ওঠা অনেক স্লো হয়ে যায়।
👉🏾 পুজোর সময় জোর করে পিরিয়ড পিছিয়ে দেওয়ার ওষুধও সমস্যাজনক। ওষুধ পত্র গুলো একান্তই খেতে হলে ডাক্তারবাবুর সাথে লিভার বাঁচানোর পরামর্শ নিয়ে নিন। যদি সম্ভব হয় এই ধরনের ওষুধগুলো এড়িয়ে যান। আজকাল অনেক অপশান। আর যদি কোন উপায় না থাকে, তবে ওষুধের দীর্ঘমেয়াদী কোর্স চলাকালীন অতি অবশ্যই প্রতি 4-6 সপ্তাহ লিভার ফাংশন টেস্ট করাতে ভুলবেন না।
🤰🏻 PCOS
যাদের পরিবারে ডায়াবিটিস আছে সেই পরিবারের মেয়ে, মহিলাদের অনেক সময় পিসিওএস বা পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিন্ড্রোম ধরনের অসুবিধে হওয়ার একটু বাড়তি প্রবণতা থাকে।
এ কোন অসুখ নয়। তবুও জীবনের সাধারণ সতর্কতা গুলো মেনে চললে এই সমস্যা বেড়ে যাওয়ার আগে তাকে কন্ট্রোল করা সম্ভব। যে সমস্ত অল্পবয়সী মহিলাদের পলিসিস্টিক ওভারি রয়েছে তাদের ভবিষ্যতে ডায়াবিটিস হওয়ার সম্ভাবনা খানিকটা হলেও বাড়তি থাকে। তাই জন্য প্রথম থেকেই ডায়েট এবং জীবনশৈলী বদলানোর জন্য নজর দেওয়া দরকার।
👉🏾 যাদের ডায়াবিটিস এবং পিসিওএস এর সমস্যা রয়েছে মনে রাখা দরকার তাদের বছরে যেন কমপক্ষে 4 বার পিরিয়ড হয়। পিরিয়ড যদি প্রাকৃতিক ভাবে না হয় তাহলে ওষুধ দিয়ে পিরিয়ড করানো দরকার। নইলে ইউটেরাসের ভেতরের লাইনিং মোটা হয়ে যাবে। অতিরিক্ত মোটা হয়ে গেলে রিস্ক থাকে ইউটেরাসের ক্যান্সার ও প্রিক্যান্সার হবার।
👨🏻🔬 খেয়াল করুন নাক ডাকছে কিনা। সকালে উঠে সে যথেষ্ট চনমনে বোধ করছে কিনা সে ব্যাপারে খেয়াল রাখুন। অনেক সময় পলিসিস্টিক ওভারির প্রবলেমে নাকের পেছনে পর্দা ভারী হয়ে Obstructive Sleep Apnoea বলে এক ধরনের সমস্যা হতে পারে। ঘুমের মধ্যে অক্সিজেনের অভাব হয়। ধরা পড়লে এর চিকিৎসা সহজ।
আর হ্যাঁ বছরে একবার লিপিড প্রোফাইল করিয়ে নিতে ভুলবেন না।
💧 ডায়াবিটিস পেশেন্টদের ভ্যাজাইনাল ডিসচার্জ
মিষ্টি, চকলেট, চিনি এ শুধু আপনার প্রিয় নয়। আপনার শরীরের সুগার শরীরের শত্রু ব্যাকটেরিয়াগুলোর অত্যন্ত লোভনীয় খাবার, তাই তারা বারে বারে ফিরে আসে। হতে পারে ভ্যাজাইনাল ডিসচার্জ। ভ্যাজাইনাল ডিসচার্জ যদি খুব বেশি হয় বা চিকিৎসা করলেও বারবার ফিরে আসতে থাকে তাহলে ডাক্তার দেখিয়ে চিকিৎসা পাল্টানোর প্রয়োজন হতে পারে। এই সময় আল্ট্রাসাউন্ড স্ক্যান এর ও দরকার। কারণ যে ডিসচার্জ ভ্যাজাইনা দিয়ে হচ্ছে সেই ডিসচার্জ এর উৎপত্তিস্থল শুধুমাত্র ভ্যাজাইনা না হয়ে ইউটেরাস বা ফেলোপিয়ান টিউব এর লুকিয়ে থাকা সমস্যাও হতে পারে।
😷 ডায়াবিটিস পেশেন্টদের ফাঙ্গাল ইনফেকশন
👉🏾 অনবরত চুলকুনি, জ্বালা। মহিলাদের ভালভা বা ভ্যাজাইনাতে, ছত্রাক ঘটিত ইনফেকশন খুবই কমন। ভালভা কিন্তু ভ্যাজাইনা নয়, ভালভা ব্যাপারে যদি আপনি জানতে চান তাহলে নিচের লিংকে ভালভার খোঁজ রইল। ভালভাতে ফাঙ্গাল ইনফেকশন মহিলাদের ক্ষেত্রে খুবই কমন। আর যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে অনেক সময়ই ভালভাল ইনফেকশন ঘুরেফিরে চলে আসে।
👉🏾 মহিলারা এই সময় নানা রকম এন্টিফাঙ্গাল ওষুধপত্র বা ক্যান্ডিডা ওয়েন্টমেন্ট ব্যবহার করে উপকার পান। কিন্তু কিছুদিন গেলেই আবার সেই সমস্যা ফিরে আসতে থাকে। গরমকালে এই সমস্যা হয় আরো বেশি। বারবার সমস্যা আসতে থাকলে ভালভা তে ম্যাগনিফাইং গ্লাস দিয়ে দেখে নেওয়া দরকার যে অন্য কোন সমস্যা ওই ফাঙ্গাল ইনফেকশনের আড়ালে লুকিয়ে আছে কিনা। এই পদ্ধতির নাম vulvoscopy
👉🏾 এ কোন অপারেশন নয় কিন্তু বাড়তি সতর্কতা থাকলে ভবিষ্যতে সমস্যা অন্যদিকে মোড় নেওয়ার আগেই তার চিকিৎসা করা সম্ভব। আর হ্যাঁ ভালভা ইনফেকশন কেয়ার এর জন্য বেশ কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা রয়েছে, এই নিয়ে আমরা আমাদের পেশেন্টের জন্য একটি পিডিএফ ফাইল বানিয়েছি। যদি আপনার সেটা পেতে ইচ্ছে হয় তাহলে নিচে কমেন্ট করুন বা আমাদের DM করুন।
🤒 ডায়াবিটিস পেশেন্টদের বারবার ইউরিন ইনফেকশন
👉🏾 মহিলাদের ইউরিনের রাস্তা বা urethra দৈর্ঘ্য মাত্র কয়েক সেন্টিমিটার। স্বভাবতই বাইরে থেকে ইনফেকশন এসে ইউরিন ইনফেকশন হতে পারে। ডায়াবিটিস মহিলাদের ক্ষেত্রে এই ইনফেকশন আরো ঘন ঘন হয়। এদিকে বারবার অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করলে ভবিষ্যতে এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
👉🏾 তাই ডাক্তার দেখানোর সাথে সাথে প্রতিদিন যথেষ্ট জল খান। টয়লেট করে মোছার সময় হাত নাড়ানোর দিক যেন এমন হয় যে পটির রাস্তা থেকে কোন মতেই জল বা টিস্যু পেপার সামনের দিকে না আসতে পারে।
অ্যান্টিবায়োটিক নেওয়ার আগে ইউরিন রুটিন এক্সামিনেশন এর সাথে কালচার রিপোর্ট করুন। এই রিপোর্ট আসতে দিন তিনেকের মত সময় লাগলেও এলোপাথাড়ি অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের হাত থেকে আপনি বাঁচতে পারেন। ইউরিন টেস্ট করার সবথেকে ভালো সময় সকালে। প্রথম ইউরিন একটু ছেড়ে তারপরের ইউরিন পটে সংগ্রহ করা। একে বলে midstream urine.
👉🏾 অ্যান্টিবায়োটিক বা অ্যালকাসল খেয়ে ইউরিন কালচার করতে দিলে রিপোর্ট ভুল আসার সম্ভাবনা। চেষ্টা করুন ল্যাবরেটরি থেকে পট নিয়ে সেই পটেই ইউরিন দিতে। ইউরিন স্যাম্পেল নিয়ে অনেক দূরের ল্যাবে গিয়ে কালচার করলে রাস্তায় তাপমাত্রা এবং সূর্যের আলোতে ব্যাকটেরিয়া মারা গিয়ে কালচারের রিপোর্ট ভুল আসবে। বছরে তিনবারের বেশি ইউরিন ইনফেকশন হলে গাইনোকলজিস্ট এর সাথে ইউরোলজিস্টও দেখান।
✂️ ডায়াবিটিস পেশেন্টদের সার্জারি থেকে সেরে ওঠা
ডায়াবিটিস থাকলে যে কোন সার্জারি থেকেই সেরে ওঠার প্রক্রিয়া স্লো হয়ে যায়। যদিও যাদের ডায়াবেটিস খুব কন্ট্রোলে থাকে তাদের ক্ষেত্রে এই ব্যাপারটার রিস্ক অনেকটাই কম।
তবুও যে কোন রকমের গাইনোকলজিক্যাল অপারেশনের আগে ডাক্তারবাবুর সাথে পরামর্শ করে অপারেশনের আগে এবং পরের সময়গুলোতে যাতে ডায়াবেটিস কন্ট্রোল ঠিকঠাক থাকে সেই ব্যাপারে বাড়তি খেয়াল রাখুন। এই সময় অতিরিক্ত সতর্কতার জন্য ওষুধপত্র সাময়িক ভাবে ডাক্তার বাবুরা পাল্টে দিতে পারেন।
🩸 ডায়াবিটিস পেশেন্টদের মেনোপজের পরে ব্লিডিং
👉🏾 ডায়াবিটিস যদি থাকে তাহলে মেনোপজের পরে ব্লিডিংএ নিন বাড়তি সতর্কতা। অতি অবশ্যই আল্ট্রাসাউন্ড স্ক্যান করানো দরকার, ব্লিডিং শুরু হওয়ার দুদিনের মধ্যেই। যাদের ডায়াবেটিস থাকে তাদের ইউটেরাস এর ভেতরের লাইনিং বা এন্ডোমেট্রিয়াম মোটা হয়ে যাওয়ার একটা প্রবণতা থাকে। বাড়ে পলিপ হওয়ার সম্ভাবনা।
👉🏾 মনে রাখুন ডায়াবিটিস থাকুক আর না থাকুক মেনোপজের পরে যে কোন মাত্রার ব্লিডিংয়ের জন্যই ডাক্তার বাবুর কাছে অতি অবশ্যই দুদিনের মধ্যে যাওয়া দরকার। যাতে আপনি চেক করিয়ে নিশ্চিন্তে বাড়ি ফিরতে পারেন।
👉🏾মেনোপজের পড়ে ছিটে ফোঁটা ব্লিডিংও অবজ্ঞা করার মতো নয়। এই সময় যে আল্ট্রা সাউন্ড হবে সেই আল্ট্রা সাউন্ড যেন ট্রান্স ভ্যাজাইনাল আল্ট্রা সাউন্ড হয়। পেটের উপর দিয়ে আল্ট্রো সাউন্ড হলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ইউটেরাসের ভেতরে ছবি বিশদে ধরা পড়ে না।
🧬 ডায়াবিটিস পেশেন্টদের গাইনোকলজিক্যাল ক্যান্সার
যাদের ডায়াবিটিস আর ওজন বাড়তির দিকে তাদের ক্ষেত্রে ইউটেরাস এর ভেতরের লাইনিং বা এন্ডোমেট্রিয়ামের ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই বেশি। তাই জীবনের প্রথম থেকে শুরু করুন শরীরের ওজন কন্ট্রোল করার। যাতে এই ধরনের সমস্যাগুলো আপনি এড়িয়ে থাকতে পারেন। মনে রাখুন প্রিভেনশন ইজ বেটার দেন কিওর।
অতি সহজে কিছু সাধারণ ডায়েট এবং জীবনশৈলী পরিবর্তনের মাধ্যমে আপনি এড়িয়ে যেতে পারেন এই ধরনের অসুবিধাজনক সমস্যা গুলো। আধুনিক কিছু গবেষণায় উঠে আসছে যে, ডায়বিটিসে মহিলাদের ওভারিতে সিস্ট, টিউমার,ক্যান্সার, হওয়ার প্রবণতাও খানিকটা বাড়তি থাকে।
ওভারির সমস্যায় কিন্তু গাইনোকলজিক্যাল সিম্পটম আশা করবেন না। গ্যাস, অল্প খেলেই পেট ফুলে থাকা, খিদে না পাওয়া, পটির বা ইউরিন এর সমস্যা, পেটে ব্যথা বা পেট ফুলে থাকলে, অতি অবশ্যই ডাক্তার বাবুর সাথে পরামর্শ করে নিদেনপক্ষে একটা আল্ট্রাসাউন্ড রিপোর্ট করিয়ে নিন।
প্রথমে ধরা পড়লে ইউটেরাস, ওভারি বা গাইনোকলোজিক্যাল ক্যান্সারও কিওর করা সম্ভব। তাই ভয় না পেয়ে আত্মবিশ্বাসী হয়ে নিজের স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য এইসব তথ্যগুলো নিজে জানুন এবং অন্যকে জানান।
This is an impartial , unsponsored health information. For public awareness and not a replacement of Medical Advice.
Search Tool: Diabetes Gynaecological care Diabetic Diabetics UTI discharge fungal infection postmenopausal bleeding












