সার্জেনের সূঁচ সুতো সেলাই
সূঁচ-সুতো, ইতিহাস-উপকথা, বিজ্ঞান আর বিস্ময় - আজকের এই লেখাতে।
এখানে রইলো এই টপিকের বাংলা ভার্সন
For the English Version of this topic click here
ডাক্তারি লাইনের কিছু গল্প ভারী অদ্ভুত। আমাদের অনেক পেশেন্টই কৌতুহলী হয়ে বলেন ডাক্তারবাবু আপনি পেটের মধ্যে কি করে স্টিচ করেন সেটা আমাদের একবার দেখান না!
তাই শুধু আমাদের ওটি তে অত্যাধুনিক স্টিচ দিয়ে কিভাবে আমরা সেলাই করি, শুধু তাই নয়, গত তিন হাজার দুশো বছরে স্টিচের ইতিহাসে কেনো ও কীভাবে ধাপে ধাপে তার বিবর্তন হয়েছে তার ছোট্ট গল্প রইলো এখানে।
সূঁচ-সুতো, ইতিহাস-উপকথা, বিজ্ঞান আর বিস্ময় - আজকের এই লেখাতে।আর সবশেষে, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়ে বলি, জটিল গাইনকলজিকাল সার্জারিতে সুতো আর সূঁচ নির্বাচন করাও এক বিশাল সাইন্স। তাই সম্ভবপর হলে দায়সারা খারাপ স্টিচ ব্যবহার এবং তার সাইডএফেক্ট এড়িয়ে থাকার কৌশল ও জানিয়ে রাখবো সংক্ষেপে।
🗿 - ইতিহাস
👉🏾 দুহাজার বছর আগের ঘটনা। রোমান সাম্রাজ্যের কলোসিয়ামে তখন অভিজাত মানুষদের বিনোদনের মাধ্যম ছিল গ্ল্যাডিয়াটরদের ধুন্ধুমার লড়াই। লক্ষ্য থাকত বিরোধী পক্ষের গ্ল্যাডিয়াটরদের গোড়ালির পেছনে যে টেন্ডন, বাঙালি যাকে রগ বলে, সেই শক্ত জিনিসটা জখম করে দেওয়া। সে রগ কেটে গেলে আমরা কেউই মাটি থেকে উঠতে পারব না। এই টেন্ডনের নাম আকিলিস টেন্ডন।
গ্রিস এর পৌরাণিক উপকথায় থিটিস এর ছেলে আকিলিস বিশাল শক্তিধারী হলেও, যুদ্ধে পায়ের পেছনের এই টেন্ডন জখম হওয়াতে পরাজিত হয়েছিল আকিলিস। গ্ল্যাডিয়াটরদের যুদ্ধেও শত্রুর লক্ষ্য থাকতো যাতে আকিলিস টেন্ডন কেটে দেওয়া যায়। ব্যাস, একটা খেলোয়াড়ের ক্যারিয়ার শেষ?
👉🏾 এই কেটে যাওয়া আকিলিস টেন্ডনকে জোড়া দেওয়ার কাজে ব্যবহৃত হল ভেড়ার পেটের নাড়িভুড়ি থেকে পাওয়া এক ধরনের তন্তু। Galen (131 to 211 AD) এর লেখায় আমরা পেলাম কিভাবে তখন গ্লাডিয়েটরদের আবার যুদ্ধ-উপযোগী করে তোলা হত এই তন্তু দিয়ে পা সেলাই করে।
🧵 কিন্তু মানুষের মাথায় এলো কি করে যে এটা দিয়ে সেলাই করা যায়?
👉🏾 সেসব দিনে গিটার বা ভায়োলিন এর মত বাদ্যযন্ত্রে ব্যবহার হতো ভেড়ার পেট থেকে পাওয়া এই তন্তু। আওয়াজ ও উঠত দারুন। তিন সুতোর এই ভায়োলিনের নাম ছিল কিট।
গুজব যে একজন সেলিব্রিটি গ্ল্যাডিয়াটরের কাটা টেন্ডন কে মরিয়া হয়ে জুড়ে দেওয়া হয়েছিল ভায়োলিনের সুতোয় সূঁচ দিয়ে। (https://en.wikipedia.org/wiki/Catgut) এইখান থেকে এলো প্রথম আধুনিক যুগের সার্জিক্যাল সুতো। তার নাম catgut।এই catgut ই পৃথিবীর সর্বপ্রথম সার্জিকাল সুতো। যেটা শরীরের মধ্যে নিজেই মিলিয়ে যায়।
👉🏾 কিন্তু এ তো গেল মাত্র দু হাজার বছর আগের ঘটনা কিন্তু এর আগেও ৩২০০ বছর ধরেই আমরা দেখতে পাই সার্জিক্যাল সুতো ব্যবহার হয়ে আসছে। যদিও সেটা catgut এর মত মিলিয়ে যাওয়া সুতো ছিল না, সেগুলো তৈরি হতো সিল্ক, সুতির সুতো, গাছের ফাইবার, আর উল থেকে। মিশরের পিরামিড পাওয়া প্যাপিরাস নথিতে এসব উদ্ধার করেন এডউইন স্মিথ।
👨🏻⚕️ সার্জারির ইতিহাস বলতে গেলে ভারতবর্ষের কথা আসবেই। খ্রিস্টপূর্ব ৫০০ বছর আগে ভারত ভূমিতে সার্জারির প্রবাদ পুরুষ শুশ্রুত লিখে গেছেন সুশ্রুত সংহিতা। সেখানে দেখতে পাই জখম হয়ে যাওয়া মানুষের ক্ষতর দুপাশের ত্বক পাশাপাশি নিয়ে এসে আটকে রাখা হতো বড়সড়ো কালো পিঁপড়ের দাঁত দিয়ে।
এদের চোয়ালগুলো বেশ শক্ত। তাই স্কিনকে আঁকড়ে ধরে থাকতো। আজকে আমি যখন ওটিতে স্টেপলার ব্যবহার করি তখন খানিকটা এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। যদিও পিঁপড়ের বদলে আজ এসেছে অত্যাধুনিক টাইটেনিয়ামের স্টেপেলস।
এতে টিস্যুর মধ্যে কোন ইনফ্লামেশন আর সুতো ছাড়াই ক্ষত মেরামত সম্ভবপর। আড়াই হাজার বছর আগে সুশ্রুত আবিষ্কার করেছিলেন এ ধরনের সারিয়ে দেওয়ার পদ্ধতি।
🤕 - ক্ষত নিরাময়
👉🏾 আসলে সার্জারির ক্ষত যেভাবে সারে তার ওপর সার্জেন্ বা পেশেন্ট কারোরই হাত নেই। পেশেন্ট এর ক্ষতর দুপাশের টিস্যু সামনাসামনি নিয়ে এলে এবং সামনে রেখে দিলে নানা রকম শারীরিক ক্রিয়া বিক্রিয়ার মাধ্যমে - এপার ওপার দু পার মিলিয়ে ব্রিজ তৈরি করে ফেলে শরীরের কোলাজেন। সে এক গল্প। সে না হয় অন্যদিন হবে।
সুতোর কাজ হল এই দুপাশের টিস্যুকে, শরীর সেরে ওঠা পর্যন্ত সামনাসামনি লাগিয়ে রাখা, যাতে শরীর তার নিজের কাজটা ঠিকঠাক মতো করতে পারে। এছাড়াও সুতোর আর একটা কাজ আছে সেটা হল অপারেশনের সময় রক্তবাহ গুলো থেকে যাতে হেমারেজ না হয় তার জন্য। সুতোর এই ধরনের ব্যবহারকে স্টিচিং বলা হয় না, বলা হয় লাইগেচার বা ফাঁস।
🪢 - গিঁট
সুতোয় কিভাবে গিঁট দিতে হয় বা নট বাঁধতে হয় সেটা সম্পূর্ণ একটা আলাদা বিজ্ঞান। প্রায় দু ডজন এরও বেশি নট বাধার পদ্ধতি আমাদের আয়ত্ত করতে হয় বছরের পর বছর ধরে সার্জিক্যাল ট্রেনিং এ।
🧑🏼🦱 - স্যার জোসেফ লিস্টার
👉🏾 আধুনিক সার্জারির সাবালক হয়ে ওঠা শুরু বোধ হয় ১৮৭০ এর দশকে। যখন ব্রিটিশ সার্জেন স্যার জোসেফ লিস্টার জীবাণুহীন সার্জিক্যাল পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। লিস্টারের এই যুগান্তকারী ধারণা পাল্টে দিয়েছিল পৃথিবীর সার্জারির রূপরেখা। তার আগে পর্যন্ত পেশেন্ট,ডাক্তার সবাই রাস্তার জামাকাপড় পড়েই অপারেশন থিয়েটারে ঢুকতেন। যেখানে-সেখানে করা হতো সার্জারি। প্রবাদপুরুষ লিস্টারের নামে একটা ওয়ার্ড ও ছিল আমাদের ক্যালকাটা মেডিকেল কলেজের ইডেন হসপিটালে।
👨🏻⚕️ শোনা যায় ১৮৭৬ এ লিস্টার বক্তৃতা দেন Philadelphia Centennial Exhibition’s Medical Congress-এ। এই সময় জনৈক রবার্ট উড জনসন তার বক্তৃতায় উদ্বুদ্ধ হয়ে প্রতিষ্ঠা করেন জনসন এন্ড জনসন বলে অপারেশনের সরঞ্জাম তৈরীর এক কোম্পানি। যা আজও চলছে।👉🏾 ১৮৮৭ সালে জনসন এন্ড জনসন আরো কিছু নতুন ধরনের সুতো বাজারে নিয়ে আসেন। এই সুতোগুলো সবই জীবাণুমুক্ত, যাকে বলা হয় স্টেরাইল।
👉🏾 রেডক্রস থেকে শুরু করে সার্জেন রা সবাই এই সুচার নিতে ঝাঁপিয়ে পড়লেন। পুরনো লাইব্রেরি ঘেঁটে জানা যায় যে জীবাণুমুক্ত সুতো আর লিস্টারের প্রদর্শিত পথে, পরিষ্কার ঘরে, আলাদা জামা কাপড়ে সার্জারি করার ফলে পেশেন্টরা আরো তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরতে শুরু করলেন।
💉 - সূঁচ
👨🏻⚕️ দেখুন এতক্ষণ সুতো নিয়েই বকে যাচ্ছি। কিন্তু যেভাবে সূঁচের মধ্যে সুতো পুরে মানুষের শরীরে সেলাই হয় সেই সূঁচের ব্যাপারে কিছুই বলিনি। বিজ্ঞান আছে সেখানেও। পাথর বা হাড় দিয়ে তৈরি তীক্ষ্ণ যন্ত্রপাতি মানুষ ব্যবহার করে আসছে বহু হাজার বছর ধরে। প্রায় সেই আদিম মানুষের সময় থেকেই।
আজ থেকে ৩২ হাজার বছর আগে পাওয়া প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনে আমরা দেখতে পাই নতুন প্রস্তর যুগ বা নিওলিথিক মানুষের খুলিতে পাওয়া গেছে আধুনিক সূঁচ। যার মধ্যে রয়েছে সুতো পড়ানোর জায়গা। যাকে বলা হয় Eye of the Needle।
👉🏾 মা, মাসিরা নিডিল এর চোখ দিয়েই সুতো পরিয়ে সেলাই করেন নকশি কাঁথা। এতদিন এরকম চোখওয়ালা সূঁচ দিয়েই সাধারণ মানুষ তো বটেই, সার্জেনরাও করে আসছিলেন মানুষের শরীরে সেলাই। কিন্তু শরীর তো কাঁথা নয়!
ভেবে দেখুন এই সুতো যখন এই চোখের মধ্যে দিয়ে যায় , আর তা দিয়ে সেলাই করা হয় - তখন সেই সেলাইয়ের ক্ষতটা হয় তিনগুণ চওড়া। দুপাশে দুটো সুতো আর মাঝখানে সুঁচ।
🪡 - এ্যাট্রোমাটিক নিডল
👉🏾 ১৯২০ সালে স্কটিজ ফার্মাসিস্ট জর্জ মার্সেন আবিষ্কার করলেন চোখ হীন সূঁচ। এতে সুতো সরাসরি সূঁচে লাগানো থাকতো। চোখ দিয়ে সুতো পরানোর দরকার হত না। সেলাই করার জায়গার ক্ষতর পরিমাণ কমে এলো। পেশেন্ট আরও তাড়াতাড়ি উঠতে থাকল সেরে। এই আবিষ্কার যুগান্তকারী। কারণ এর কিছুদিন পর থেকে শুরু হবে রক্তের সার্জারি বা হার্ট-সার্জারি। এই এ্যাট্রোমাটিক নিডল ব্যবহার করার ফলে রক্তের লিক আর হতো না। নামটা খেয়াল করুন A-TRAUMATIC মানে ট্রমাহীন বা ক্ষতহীন।
👉🏾 এখনও এই মার্সেন এর প্রতি সম্মান দেখিয়ে কিছু স্টিচের মধ্যে, তার নামের প্রথম অংশ পাওয়া যায়। মার-সিল্ক /মার-সুচার এরকম কিছু।
👉🏾 এই মারসন আর জনসন সাহেবের দুই কোম্পানি মিলে একসাথে তৈরি হল ethicon। আজকাল বেশিরভাগ আধুনিক সুতোই তৈরি হয় এথিকনের ল্যাবরেটরীতে।
🧵 - সুতোর ধরনধারণ
1969 এ সিনথেটিক স্টিচ এলো। এই স্টিচ গুলো অত্যন্ত সরু, কিন্তু বেশ শক্তপোক্ত। হার্ট এর বাইপাস সার্জারিতে সার্জেনদের প্রথম পছন্দ। এই সুতোর দাম বেশ বেশি। কিন্তু আমরাও জটিল গাইনোকলজি সার্জারিতে এ ধরনের সুতো ব্যবহার করে থাকি। তার বছর পাঁচেক বাদে 1974 এ সার্জেন্ দের বন্ধু আরেক সুতোর জন্ম হলো। যার নাম ভাইক্রিল।
এই সুতো খুব সহজেই মানুষের শরীরে মিলিয়ে যায়। কাটার দরকার পড়ে না। চুলের বিনুনীর মত এর মধ্যেও তন্তু গুলো নানা রকম পেঁচিয়ে পেচিয়ে থাকে, তার ফলে জন্ম হয় অত্যন্ত এক নরম সুতোর। কিন্তু এই চুলের বিনুনীর বাঁকে বা ব্রেইডের মধ্যে লুকিয়ে থাকতে পারে জীবাণু। তাই এগুলো ব্যবহার করতে গেলে সার্জেনরা নানারকম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেন।
ইদানিং ভাইক্রিল এর ওপরে এসেছে, অ্যান্টিবায়োটিক কোটিং। যাতে ইনফেকশন এর সম্ভাবনা একদম কমিয়ে ফেলা যায়। এরপরে হইহই করে বাজারে এসেছে PDS, এসেছে মনোক্রিল। ছোটখাটো মাইনর সার্জারি স্কিন জুড়ে যাওয়ার জন্য গ্লু বা আঠা। যা দিয়ে ছোট ক্ষতে, কেটে যাওয়া ত্বক জুড়ে দেওয়া যায় সহজেই।
সার্জারির সময় কোন সুতো আর কোন সূঁচ ব্যবহার হবে এই নিয়ে আমাদের মত সার্জেনদের বড্ড খুঁতখুঁতেমি রয়েছে।
সার্জারির সময় ব্যবহার করা সূঁচ গুলো ঠিক জামাকাপড়ে ব্যবহার করার সূঁচের মত সোজা নয়। কারণ শরীরের গভীরে অত বড় সূঁচ ঢোকানোর জায়গাই থাকে না। মানুষের শরীরের মধ্যে দিয়ে যাতে সুতো গলিয়ে দেওয়া যায় তার জন্য সার্জিক্যাল নিডলগুলো বেশির ভাগই অর্ধচন্দ্রাকার। তার মধ্যেও ব্যাস এর নানা রকম পার্থক্য রয়েছে। কোন নিডল ছোট, কোন নিডল বড়। কোন নিডলগুলো খুব বাঁকা। বা কোন নিডলগুলো একটু সোজা মত।
পেশেন্ট এর শরীরের আকৃতি, তার অর্গান এর মাপ, আর যেখানে সেলাই করা হচ্ছে সেটা শরীরের কত বেশি গভীরে তার ওপর নির্ভর করে কোন সুতো আর কোন মাপের সুঁচ দিয়ে সেলাই করা হবে।
আজকাল স্টেনলেস স্টিলের বদলে নিডল তৈরি হচ্ছে অত্যাধুনিক মেটাল alloys দিয়ে। যেগুলো আরো পাতলা কিন্তু আরও শক্ত। শরীরকে যতটা কম সম্ভব আঘাত করেই যাতে সেলাই করে ফেলা যায়।
🚥 - সাবধানতা
বিভিন্ন সুতোর বিভিন্ন রকম কাজ। এক একটা সুতোর দাম 60 টাকা থেকে শুরু করে প্রায় তিন হাজার টাকার কাছাকাছি, তার পরেও রয়েছে ট্যাক্স।
পেশেন্ট হিসেবে আমরা অনেক সময় উল্লসিত হই যখন আমাদের অপারেশন খুব সস্তায় জলের দলে হয়ে যায়। কিন্তু ভেতরে কি সেলাই দেওয়া হচ্ছে? সেটা বোঝার মত সুযোগ কতজনেরই বা থাকে। নিচু মানের সুতো ব্যবহারের সাইড এফেক্ট অনেক সময় প্রকাশ পায় কয়েক দশক বাদে। তখন হয়তো ভুলেই হয়তো গেছেন কবে সার্জারি হয়েছিল।
👉🏾 জটিল গাইনিকলজিক্যাল সার্জারিতে পেশেন্টদের শরীরে প্রোটিন এর পরিমাণ কম থাকায় অনেকসময়ই সেরে উঠতে সময় লাগে। এসময় সুতো নির্বাচন এক বড় ভূমিকা নেয়। ক্যান্সার পেশেন্টদের সার্জারিতে সম্পূর্ণ আলাদা পদ্ধতিতে সার্জারি ও সেলাই করা হয়।
👉🏾 চিকিৎসার খরচ নিয়ে হাসপাতাল - ডাক্তার বাবুর সাথে আলোচনার সময়ে ওটির ভেতরের ব্যবহার্য সামগ্রী নিয়ে আপনার চিন্তার কথা ওনাকে জানিয়ে রাখুন আগেভাগে। ওটির ভেতরে কি ধরনের সুতো, কি নিডল আর কি সামগ্রী ব্যবহার করছে তার জন্য দায়িত্ব খানিকটা নিতে হয় আমাদের মতো সার্জনদেরই, যাঁরা দায়িত্ব নিয়ে পেশেন্টের স্বার্থের জন্য লড়াই করে যাবেন এই আধুনিক অর্থনীতিতেও।
This is an impartial , unsponsored health information. For public awareness and not a replacement of Medical Advice.
Reference
Snyder CC. On the history of suture. Bull Hist Dent 1977;25:79–84 [PubMed] [Google Scholar]
Breasted JH. The Edwin Smith Papyrus: Hieroglyphic Transliteration, Translation and Commentary. Chicago, IL: University of Chicago Press; 1930 [Google Scholar]
Dawson WR. Making a mummy. J Egypt Archaeol 1927;13:40–9 [Google Scholar]
Ricci JV. The Development of Gynaecological Surgery and Instruments. San Francisco, CA: Norman Publishing; 1990 [Google Scholar]
Scott M. 32,000 years of suture. NATNews 1983;20:15–17 [PubMed] [Google Scholar]
Greive J. Medicine in Eight Books, Translated with critical notes and explanatory. London: D Wilson and T Durham; 1756 [Google Scholar]
Bollom T, Meister K. Surgical principles: biodegradable materials in sports medicine. In: DeLee JC, Drez DJ, Miller MD. eds. DeLee & Drez's Orthopaedic Sports Medicine: Principles and Practice. 2nd edn Philadelphia, PA: Saunders; 2003 [Google Scholar]
Kravetz RE. Horse hair sutures. Am J Gastroenterol 2003;98:691. [PubMed] [Google Scholar]
Gruner OC. A Treatise on the Canon of Medicine of Avicenna, Incorporating a Translation of the First Book. London; Luzac & Co.; 1930 [Google Scholar]
Paré A. OEuvres complètes d'Ambroise Paré. Paris: J-B Baillière; 1840 [Google Scholar]
Edwards G. Philip Syng Physick, 1768–1837. Proc R Soc Med 1940;33:145–8 [PMC free article] [PubMed] [Google Scholar]
Dorsey JS. Elements of Surgery: For the Use of Students. Philadelphia, PA: Parker & Warner; 1818 [Google Scholar]
Truax C. The Mechanics of Surgery. Chicago, IL: Hammond Press; 1899 [Google Scholar]
Search tools: Suture stitch needle surgeon vicryl monocryl knott stitching Marsen Lister Ethicon catgut gladiator Achilles tendon Colosseum















