হাঁটা
জীবনের পথে প্রতিদিন হাঁটা চালিয়ে রাখতে প্রয়োজন দৈনিক সতর্কতা এবং মনঃসংযোগ। হাঁটা নিয়ে রিসার্চ করার সময় গত কয়েক বছরে প্রচুর রিসার্চ পেপার পড়েছি। সেসব বলব।
এখানে রইলো এই টপিকের বাংলা ভার্সন
For the English Version of this topic click here
🚶🏽♀️ জীবনের কোন পরীক্ষায় প্রস্তুতি ছাড়া পাস করা যায় না, হাঁটাটাও তেমন।
👉🏾 জীবনের পথে প্রতিদিন হাঁটা চালিয়ে রাখতে প্রয়োজন দৈনিক সতর্কতা এবং মনঃসংযোগ। প্রশ্ন যতই সহজ হোক, ক্লাসের……থুরি… জীবনের প্রথম থেকেই চাই প্রস্তুতি।
🤔 জন্মের এক বছর পর থেকে আমরা সাধারণত হাঁটতে শিখি। তারপর অনেকগুলো বছর হেঁটেই যাই, কোনদিন এটা ভাবিও না, যে হাঁটাটা কত বড় একটা আশীর্বাদ।
👉🏾 কারো কারো জীবনে এমন একদিন সময় আসে যেদিন সে হাঁটতে ভুলে যায়। কিন্তু আমাদের প্রত্যেককে সচেতন এবং সাবধান থাকতে হবে যে যাতে এই দিনটি আমাদের জীবনে না আসে।
হাঁটা নিয়ে রিসার্চ করার সময় গত কয়েক বছরে প্রচুর রিসার্চ পেপার পড়েছি। সেসব বলব।যেটা সব থেকে নাড়া দিয়ে গেছে তা ডাক্তারি বইয়ের বাইরে। ইউটিউবে একজনের একটা কমেন্ট দেখতে পাই, তিনি লিখেছেন ১১ বছর ধরে তার হাত পা চারটেই প্যারালাইজড। আজকে উনি বুঝতে পারছেন মানুষের কাছে হাঁটাচলা কত বড় বিলাসিতা।
😥 কম হাঁটলে। ঘুম হয়না,হাড় হয়ে যায় ভঙ্গুর, বাড়ে নিউমোনিয়া, কনস্টিপেশন, নানা ইনফেকশন, গ্রাস করে একাকিত্ব, হারিয়ে যায় আত্মবিশ্বাস, বাড়ে ক্যান্সার।👉🏾 জীবনের অন্তত চারটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে মানুষ হাঁটার সুইচ বন্ধ করে দেয়। ইচ্ছে করে নয়। অজান্তেই। কিন্তু ছোটবেলা থেকে অদম্য সাহস ধরে রাখতে হবে যাতে এই সময়গুলো আপনি পেরিয়ে যেতে পারেন।
🤸🏽♀️ A) পড়ে যাওয়া বা Fall
👉🏾 গবেষণায় প্রমাণ যে ৬৫ বছরের পরে প্রতি তিন জনের মধ্যে একজন এবং ৮০ বছরের পরে অর্ধেক মানুষই বছরের কোন না কোন সময় একবার অন্তত পড়বেন।
👉🏾 যত বয়স বাড়বে পড়ে যাওয়ার প্রবণতা তত বাড়বে। সব সময় যে হোঁচট খেয়ে সিঁড়ি থেকে নয়। বাড়ির ভেতরে সমতল জায়গাতেই বাড়বে পড়ে যাওয়ার সমস্যা। পড়ে যাওয়ার আগে যদি হাঁটার অভ্যাস কম থাকে তাহলে পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আরো বহুগুণ।
মাটিতে পড়ে গেলে অনেক সময় হয়তো বড়সড়ো কোন আঘাত লাগবে না। কিন্তু এই বয়সে হাড় যেহেতু পলকা হয়ে যায় তাই সহজেই ঘটতে পারে ফ্র্যাকচার।
👉🏾 ফ্র্যাকচার না হলেও নিজের ঘরের মধ্যে নিজেই পড়ে যাচ্ছি কেন - এই ভেবে মানুষের মনে চলে আসে এক ধরনের ডিপ্রেশন। হারিয়ে যায় আত্মবিশ্বাস। আমি আর পারব না। এরকম একটা ভাবনা গ্রাস করে। কম হাঁটলে পড়ব না এই বুদ্ধিতে, এই বুদ্ধিতে দিন তিনি হাঁটা কমিয়ে দেন। তারপর হাঁটতে ভুলে যান।
💪🏽 খুবই মনে রাখা দরকার যে এই মনের জোর হারিয়ে ফেলা একদম কাজের কথা নয়,তাই সাবধানে হলেও হাঁটা চালু রাখতে হবে
👩🏻🦽 B) হাঁটুতে বাত বা অসুবিধে,
👉🏾 হাঁটুর জন্য হাঁটতে পারছিনা বলেন অনেকেই। তাদের হাঁটু এতটাই খারাপ যে তারা মনে করছেন আর হাঁটা যাবে না,
প্রথমত যেটা বলে রাখতে হবে যে হাটুর দেখভাল এর জন্য খাবারে ক্যালসিয়াম যথেষ্ট পরিমাণে যাতে থাকে এবং জীবনের কোন সময়ই আমরা যেন স্থূল বা ওভার ওয়েট না হয়ে পড়ি, তাহলে হাঁটু অনেক বছর ধরে চনমনে থাকবে। আর হাঁটুর যদি খারাপ অবস্থা এতটাই হয় যে হাঁটতেও পারছেন না, তাহলে অতি অবশ্যই অর্থোপেডিক ডাক্তার বাবুকে দেখিয়ে হাঁটু পাল্টে ফেলুন বা তার যথাযথ চিকিৎসা করুন।
না হেঁটে বিশ্রামে থাকলে সেই হাঁটু ভালো হওয়া অসম্ভব। হাঁটু বাঁচাতে গিয়ে যদি হাঁটা বন্ধ করে দেন বা কমিয়ে দেন তাহলে জীবনের আর ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্যের উপরে তার প্রভাব মারাত্মক। সুতরাং ব্যাপারটা গুরুত্ব নিয়ে বুঝুন। আজকে করব কালকে করব, না করে সমাধানের রাস্তা আজ এই মুহূর্তেই খুঁজে নিতে শুরু করুন সক্রিয় ভাবে।
🫀 C) ক্যান্সার, হার্ট বা কিডনির অসুখ বা কঠিন অসুখ ডায়াগনোসিস,
👉🏾 এই সময় অনেকেই হাঁটতে ভুলে যান। ঘটনার আকস্মিকতা এমনই হয় যে দিনের পর দিন সময় কাটে ঘরের মধ্যে। নানা রকম উদ্বেগ উৎকণ্ঠ আর আশঙ্কায় ভুগে।
👉🏾 মনে রাখা দরকার এই প্রতিটি অসুখ এর চিকিৎসার মধ্যে হাঁটা একটা শীর্ষস্থানে থাকে। তাই অতি অবশ্যই চেষ্টা রাখবেন যাতে হাঁটাতে বাদ একদিনও না পড়ে। একদিন আপনার ক্যান্সার, হার্ট বা কিডনির ডাক্তারই বলবেন- হাঁটুন হাঁটুন! যতটা পারবেন হাঁটুন।
কিন্তু যতদিন উনি সেকথা না বলছেন ততদিন নিজের আগ্রহেই হাঁটতে থাকুন নিজের মনে। যাতে হাঁটা না ভুলে যান। কিছু সময় মানুষ হাঁটতে ভুলে যান কোন নিউরোলজিক্যাল কারণের জন্য। Parkinson's disease , Dementia, paralysis এই ধরনের সমস্যাগুলোতে মানুষ একদিন বাধ্য হয়েই হাঁটা বন্ধ করে দিতে হয়।
👉🏾 এতে আপনার যে খুব কন্ট্রোল আছে তা নয় কিন্তু জীবনের শুরুর থেকেই চেষ্টা করে যেতে হয় প্রতিদিন হাঁটা বা এক্সারসাইজ । তাহলে ডেমেনশিয়া এবং নার্ভের অসুখ আপনি ঠেকিয়ে রাখতে পারবেন বহু বছর ধরে।
😠 D) পারিবারিক অশান্তি বা প্রিয়জনের সাথে লড়াই ঝগড়া
অনেক বয়স্ক মানুষ এই মনমালিন্যের দিনগুলো থেকে বাড়িতে নিজেকে গুটিয়ে নিতে শুরু করেন। এই দিন তিনি হাঁটতে ভুলে যান। মন যতই খারাপ হোক বা যতই রাগ অভিমান হোক, কোনদিন যেন হাঁটতে ভুলবেন না। একদিন হয়তো মন খারাপ ঠিক হয়ে যাবে।
👉🏾 ঝগড়ার দিন গুলো দূরে মিলিয়ে যাবে। সেদিন যদি আপনি না হাঁটতে পারেন তাহলে সমস্যা। রিসার্চে প্রমাণ বাইরে প্রতিদিন হাঁটতে গেলে নতুন কটা মানুষের মুখ দেখলে আর সবুজ গাছগাছালির মধ্যে হাঁটলে মনটাও হয়তো ভালো হয়ে গেল।
🚶🏻 এবার চলে আসছি হাঁটার উপকারগুলোতে,
অন্তত পাঁচটি হাঁটার উপকার রয়েছে
🦵🏻 1) শরীরে ব্যথা বেদনা এবং অর্থোপেডিক সমস্যা থেকে মুক্তি
আমাদের শরীরে হাড়ের সংখ্যা ২০৬ আর জয়েন্ট এর সংখ্যা প্রায় ৩৫০। শুধু মেরুদন্ডের মধ্যেই জয়েন্ট এর সংখ্যা ১০০ ও বেশি। যেখানে যত বেশি জয়েন্ট সেখানে তত বেশি গোলমাল। সেখানে তত বেশি ব্যথা হওয়ার সম্ভাবনা।
মেরুদন্ডে যে ৩৩ টি ছোট ছোট হাড় রয়েছে তার মাঝখানে আবার থাকে ক্যারাম এর গুটির থেকে একটু বড় কার্টিলেজ বলে এক ধরনের জেলি টাইপের জিনিস। যার পোশাকি নাম ডিস্ক।এই ডিস্ক এর সাইডগুলোতে রক্তের প্রবাহ রয়েছে। কিন্তু এর কেন্দ্রে আসেনা কোন রক্ত।এই ডিস্ক এর কেন্দ্রের পুষ্টির জন্য শরীর ওয়েট করে থাকে যে কখন আমরা হাঁটাচলা করব বা এক্সারসাইজ করবো। কারণ, ঠিক ততটুকু সময়, ডিস্ক এর চারপাশ থেকে কেন্দ্রের দিকে আসবে পুষ্টি এবং ভালো থাকার সব রসদ।
হাঁটাচলা করতে ভুলে গেলে বা শরীরের দিকে যথেষ্ট নজর না দিলে কার্টিলেজগুলো ক্রমাগত ভাঙতে শুরু করবে। ফলে আরো বেড়ে যাবে ঘাড়ে কোমরে ব্যথা। এতে আমরা ভয় পেয়ে নড়াচড়া বন্ধ করে দেবো। এবং আরো ক্ষতিগ্রস্ত হবে এই কার্টিলেজ, এ যেন এক স্বখাত-সলিল।
এই সময় মন বলবে একটু ভালো হয়ে উঠি, তারপরে হাঁটবো। কিন্তু সেখানেই লুকিয়ে আছে আরো বড়সড়ো ফাঁদ। না হাঁটলে ভালো হয়ে ওঠাও কোনদিন আর হবে না। তাই কেউ যদি মনে করেন যে সম্পূর্ণ ভালো হয়ে তারপর হাঁটতে শুরু করব , তাহলে সেদিন আর কোনোদিনই আসবে না। তাই ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে শুরু করুন হাঁটতে চলতে। আস্তে আস্তে ব্যথা চলে যাবে। কারণ হাঁটার মতো ওষুধ, আর দ্বিতীয়টি নেই।
🦹🏻♂️ 2) হাঁটায় আছে ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করার শক্তি। বাড়ে ইমিউনিটি।
👉🏾 2016 সালে ব্রিটিশ মেডিক্যাল জার্নালে প্রকাশিত কিউ, বাখমান আর আলেকজান্ডারের গবেষণায় প্রমাণ পেট, ব্রেস্ট আর ইউটেরাসের ক্যান্সার কমে নিয়মিত শরীর চালনায়।
2020 এর জার্নাল অফ ক্লিনিক্যাল অঙ্কলজি তে ম্যাথিউজ আর মুরের রিসার্চ পথ দেখিয়েছে হাঁটাচলা করলে ক্যান্সারের রিস্ক যায় কমে।
👉🏾 সবথেকে আশ্চর্যের হলো ওয়াইডারপাসের রিসার্চ। 14 লক্ষ মানুষের ওপরে হয়েছিল এ রিসার্চ। সর্বমোট একডজন অর্থাৎ আরও ন’ টি ক্যানসারের রিস্ক কমছে নিয়মিত হাঁটাচলায় ।
কড়া রোদ এড়িয়ে যত পাড়ুন হাঁটুন। হাঁটলে কমছে স্ট্রেস হরমোন, এ ছাড়াও কিছু বাড়তি কেমিক্যালের ক্ষতিকারক প্রভাব কমছে।
🩻 অস্থি মজ্জা থেকে বেরোচ্ছে ন্যাচারাল কিলার সেল।
👉🏾 লড়াই মজবুত হচ্ছে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া আর ক্যানসারের বিরুদ্ধে। শরীর থাকছে ভালো।
🤯 3)বাড়ছে স্মৃতিশক্তি।
👉🏾 আজকাল নানা রকম গবেষণা হয়ে চলেছে ঝড়ের গতিবেগে। এর মধ্যে একটি গবেষণার কথা না বললে আমাদের এই লেখাটা অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।আশি ছুঁই ছুঁই আশি জনের মত মহিলাদের উপর হয়েছিল এই গবেষণা। যারা কোনদিনও সে রকম ভাবে এক্সারসাইজ বা হাঁটাচলা করেননি।
তাদের ক্ষেত্রেও দেখা গেলো তাদেরকে মোটিভেট করিয়ে খানিকটা শরীর চর্চা করালে, মাস ছয়েক এর মধ্যে তাদের মস্তিষ্কের হিপোক্যাম্পাস বলে একটি অর্গানের অভূতপূর্ব পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আশি পেরোবার পরও। বয়স হলে মস্তিষ্কের এই হিপোক্যাম্পাস শুকিয়ে আসতে থাকে। 👉🏾 কিন্তু দেখা গেল নিয়মিত শরীর চর্চা করলে এই হিপোক্যাম্পাস পেতে পারে পুনর্যৌবন। আর ভালো হিপোক্যাম্পাস মানে ভালো স্মৃতিশক্তি, ভালো সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা, আর তার থেকেও সবচেয়ে বড় কথা, ভালোভাবে বাঁচা।
👵🏽 সুতরাং, আশিতেও আশা রাখতে হলে শরীরকে খাটা খাটনি করিয়ে মজবুত রাখুন ।
👉🏾 ইলিনয়ের প্রফেসর হিলের গবেষণায় জানা গেল যে নিয়মিত হাঁটলে ব্রেন থেকে তৈরি হচ্ছে ব্রেন ডিরাইভড নিউরোট্রফিক ফ্যাক্টর বা BDNF। এতে বাড়ে স্মৃতিশক্তি।
👉🏾 গবেষণায় প্রকাশ পাচ্ছে, এই চার অক্ষরের এই কেমিক্যাল মানুষের ব্রেনকে নানা রকম ভাবে পরিপুষ্ট করে তোলে এবং ভবিষ্যতে ভালো সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। কিন্তু কি করেই বা হাঁটার সঙ্গে এই ব্রেন-কেমিক্যালের এরকম সম্পর্ক তৈরি হলো তার জন্য খোঁজ চললো।
👉🏾 রয়াল সোসাইটিতে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে জানা গেল এর সূত্র লুকিয়ে আছে কয়েক লক্ষ বছর আগেকার আমাদের পূর্বপুরুষের হাবে, ভাবে,আচরণে।
বিশদে জানতে হলে ডেসক্রিপশন বক্সে আমার হাঁটা নিয়ে লেখার লিঙ্ক পড়ে নিন। সময় লাগবে, but worth it.
💪🏼 4) হাঁটা আত্মবিশ্বাসের উৎস
👉🏾 অর্থাৎ দেখুন হাঁটা শুধুমাত্র এক কদম এক কদম বাড়িয়ে হাঁটা নয়। তার সাথে চলছে মস্তিষ্কে প্রত্যেকটি কেন্দ্রের ব্যায়াম, বাড়ছে নার্ভের মধ্যে রক্তের সরবরাহ। প্রতিদিনের হাঁটা যেন জীবনে নিজের সুস্থ থাকার লাইসেন্স রিনিউ করিয়ে নেওয়ার এক একটা সুযোগ।
বাইরে বেরিয়ে হাঁটাচলা করতে হলে আমাদের সবকটি ইন্দ্রিয়কে একসাথে কাজ করতে হয়। পাশ দিয়ে সাইকেল, গাড়ি গেলে সেখান থেকে বাঁচতে হয়। হোঁচট খাচ্ছি কিনা সেই জন্য চোখের দৃষ্টিশক্তি তীক্ষ্ণ রাখতে হয়। কানটাকে সতর্ক রাখতে হয়, যে পাশ থেকে কোন মোটরসাইকেল এল কিনা।
হাঁটা চলার সময় আমাদের হাত পা গুলো নড়তে থাকে। কিন্তু এমন ভাবেই নাড়াতে হয় যাতে পাশ থেকে চলে যাওয়া কোন রিক্সা বা গাড়িতে ধাক্কা না লাগে। তাকে বলা হয়, হ্যান্ড-আই-কোঅর্ডিনেশন। ভিড় রাস্তায় কি রকম ভাবে হাঁটবো তার জন্য দরকার স্পেস-আই-কোঅর্ডিনেশন।
👉🏾 শুধু তাই নয় সারাদিন এর গ্লানি, ঘরের একঘেয়েমি পরিবেশ ছিন্ন হয়ে দেখা হয় নতুন মানুষের সাথে। তাদের সাথে কথা হোক, কিনা হোক। নিউরোসাইন্স এ এটা প্রমাণিত যে চোখের সামনে প্রচুর মানুষজন দেখলে আমাদের শরীর আর মন হয়ে ওঠে আরো চনমনে।
👉🏾 গাছের সবুজ পাতা, পাখির কলতান, ফেরিওয়ালার ডাক, রাস্তার পাশে চাওমিনের স্টলের টুংটাং আওয়াজ। গল্প করতে করতে হেঁটে যাওয়া মানুষের কলরব, আমাদের শরীর আর মনকে ভরিয়ে তোলে জীবন সুধায়।
🌤️ তাই সকাল বেলা উঠে প্রার্থনা করুন যাতে হাঁটতে আমরা কোনদিন ভুলে না যাই।
👉🏾 তবে হ্যাঁ সকালবেলা উঠে শুধু মনে মনে বললেই যে বোর্ডের পরীক্ষায় পাস হবে ব্যাপারটা এরকম নয়। বোর্ড এক্সামের মতোই হাঁটার জন্য দরকার যথেষ্ট চেষ্টা এবং পজিটিভ চেঞ্জ আনার মত অদম্য মানসিকতা।
হাঁটা নিয়ে আমাদের আরও এক সমীক্ষা পড়তে এখানে ক্লিক করুন
This is an impartial , unsponsored health information. For public awareness and not a replacement of Medical Advice.
References:
[1]
P. Elwood et al., “Healthy lifestyles reduce the incidence of chronic diseases and dementia: evidence from the Caerphilly cohort study,” PLoS One, vol. 8, no. 12, p. e81877, 2013, doi: 10.1371/journal.pone.0081877.
[2]
S. Grassini, “A Systematic Review and Meta-Analysis of Nature Walk as an Intervention for Anxiety and Depression,” Journal of Clinical Medicine, vol. 11, no. 6, Art. no. 6, Jan. 2022, doi: 10.3390/jcm11061731.
[3]
T. Hill and J. D. Polk, “BDNF, endurance activity, and mechanisms underlying the evolution of hominin brains,” Am J Phys Anthropol, vol. 168 Suppl 67, pp. 47–62, Jan. 2019, doi: 10.1002/ajpa.23762.
[4]
H.-R. Hong et al., “Effect of walking exercise on abdominal fat, insulin resistance and serum cytokines in obese women,” J Exerc Nutrition Biochem, vol. 18, no. 3, pp. 277–285, Sep. 2014, doi: 10.5717/jenb.2014.18.3.277.
[5]
H. H. Kyu et al., “Physical activity and risk of breast cancer, colon cancer, diabetes, ischemic heart disease, and ischemic stroke events: systematic review and dose-response meta-analysis for the Global Burden of Disease Study 2013,” BMJ, vol. 354, p. i3857, Aug. 2016, doi: 10.1136/bmj.i3857.
[6]
C. E. Matthews et al., “Amount and Intensity of Leisure-Time Physical Activity and Lower Cancer Risk,” J Clin Oncol, vol. 38, no. 7, pp. 686–697, Mar. 2020, doi: 10.1200/JCO.19.02407.
[7]
S. C. Moore et al., “Association of Leisure-Time Physical Activity With Risk of 26 Types of Cancer in 1.44 Million Adults,” JAMA Intern Med, vol. 176, no. 6, pp. 816–825, Jun. 2016, doi: 10.1001/jamainternmed.2016.1548.
[8]
NIH - NCI, “Physical Activity and Cancer Fact Sheet - NCI.” Accessed: Feb. 06, 2024. [Online]. Available: https://www.cancer.gov/about-cancer/causes-prevention/risk/obesity/physical-activity-fact-sheet
[9]
L. F. ten Brinke et al., “Aerobic exercise increases hippocampal volume in older women with probable mild cognitive impairment: a 6-month randomised controlled trial,” Br J Sports Med, vol. 49, no. 4, pp. 248–254, Feb. 2015, doi: 10.1136/bjsports-2013-093184.
Search tool: Inspiration Diary BDNF Stress Exercise Hippocampus Memory Walk Walking Cancer prevention













