তিন অক্ষরে happiness
প্রতি রাতে এই ধরনের ভাবনা থেকে নিজের মনে তৈরি হয় আরো নিচু হয়ে যাওয়ার inferiority complex যে আমি সবার থেকে খারাপ, আমার বোধহয় জীবনে কিছুই হবে না।
এখানে রইলো এই টপিকের বাংলা ভার্সন
For the English Version of this topic click here
🤴🏽 আপনি আমি কেউই আলেকজান্ডার দি গ্রেট নই, যে প্রতিদিন একটা করে দেশ জয় করতে হবে।
👉🏾 ইয়া বড় সাম্রাজ্য হবে।
👉🏾 তবুও প্রতি রাতে পরাজিত হয়ে শুতে যেতে কি ভালো লাগে?
👉🏾 গড়পরতা মানুষের দিন শেষ হয় মুখে কিছুটা তেতো ভাব নিয়ে। ওর সাথে কথা কাটাকাটি। অমুক পেমেন্ট ঢোকেনি। এসব আরও কত কী!
👉🏾 প্রতিদিন যদি আমি ঘুমোতে যাই এই ভেবে যে আমি আজকে ততটা সফল হই নি। কার ভালো লাগে ? প্রতি রাতে এই ধরনের ভাবনা থেকে নিজের মনে তৈরি হয় আরো নিচু হয়ে যাওয়ার inferiority complex যে আমি সবার থেকে খারাপ, আমার বোধহয় জীবনে কিছুই হবে না।
👉🏾 অজান্তেই এর সাথে উল্টো প্রভাব পড়ে আমাদের শরীরে আমাদের মনে। সারাদিন কারণে-অকারণে ক্লান্ত বোধ হয় আর আক্রান্ত হই ‘আমার নতুন কিছু করার সময় নেই’ রোগে।
এই নিয়ে বেশ কিছুদিন আগে কথা বলছিলাম পৃথিবীর অন্যতম বিখ্যাত হ্যাপিনেস রিসার্চার প্রফেসর মিকা বার্টেলসের সাথে।
নেদারল্যান্ড পৃথিবীর অন্যতম সুখী দেশ আর সেখানকার বৈজ্ঞানিক মিকা। ওনার কাজ পজিটিভ সাইকোলজি নিয়ে।
✋🏽 আচ্ছা দাঁড়ান সে সমস্ত শুনবো কিন্তু ইউরোপে যাওয়ার আগে, দেখে নিই আমাদের নিজেদের ঘরে কি হয়।
👉🏾 ধরুন আপনি আমার টিমের সবাইকে নেমন্তন্ন করেছেন আপনার বাড়িতে। ৯ জন খেয়ে দেয়ে বললেন বাহ খুব ভালো হয়েছে রান্না। বা ম্যাডাম খুব ভালো হয়েছে রান্না।
👉🏾 কিন্তু একজন বললেন তরকারিতে আরেকটু লবণ হলে যেন ভালো হতো।
👉🏾 ব্যাস পড়ে রইল আপনার ৯ জনের প্রশংসা। সেদিন সারাদিন মাথায় ঘুরবে সত্যিই কি তরকারিতে লবণটা কম হয়েছিল?
👉🏾 রাত্রে ঘুমোতেও যাবেন এই ভেবেই যে এরপর থেকে রান্না করলে লবণটা ভালো করে চেখে করতে হবে।
👉🏾 ৯ জনের প্রশংসা একজনের মন্তব্যে পুরো হাওয়া হয়ে গেল। এই শুধু আপনি নন আমার বাড়িতে যদি আপনাকে নেমন্তন্ন করে নিয়ে আসা হয়, এবং আপনি এরকম কথা বললে আমারও তাই মনে হবে।
🥹 আসলে আমাদের মনটাই এরকম। জন্ম থেকেই এমন ভাবে তৈরি করা যাতে প্রশংসার থেকে নিন্দাতে আমাদের মনোযোগ পড়ে যায় বেশি।
বিজ্ঞান একে বলে Negative bias - এ নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই।
👉🏾 গুণীজনেরা বলেন এই নেগেটিভ বায়াস নাকি আমাদের বেঁচে থাকতে সাহায্য করে। উন্নতি করতে সাহায্য করে।
👉🏾 একদম ঠিক।
🤷🏽♀️ কীভাবে নেগেটিভ বায়াস আমাদের বেঁচে থাকতে সাহায্য করে?
👉🏾 এক সময় আমরা গুহা মানব ছিলাম। সেই সময় গুহার সামনে বাঘ এসেছে বলে দেখে খুশি হয়ে বাঘের গলা জড়িয়ে ধরে যারা বন ঘুরতে বেরিয়েছিলেন তারা সবাই মারা গেছেন। আমরা কেউ তাদের বংশধর নই,
🤷🏽♀️ তাহলে আমরা কাদের বংশধর?
👉🏾 যারা বাঘ এসেছে দেখে গুহার ভিতরে দু-দিন তিনদিন সিঁটিয়ে ঢুকে বসেছিলেন আমরা তাদের বংশধর।
👉🏾 সুতরাং আমরা খারাপটা ভাবি। ‘খারাপ’ আরো ‘কত খারাপ’ হতে পারে সেই জিনিসটা নিয়ে কালচার করি।
আর তার জন্যই হয়তো আমাদের পূর্বপুরুষেরা বাঘের থাবা এড়িয়ে বেঁচে ছিলেন, আর আমরাও তাদের বংশধর।
কিন্তু নেগেটিভ বায়াসের কিছু সাইড এফেক্টও আছে।👉🏾 আমরা ভয় পাই, আমাদের খারাপ লাগে, আমাদের চোখ মেঘলা হয়ে আসে, মনে হয় জীবনে আর কিছুই হবে না, ব্যর্থতার পর ব্যর্থতায় জীবন একদিন শেষ হয়ে যাবে।
👉🏾 কিন্তু মানুষ খুব শক্তিশালী প্রাণী। মানুষের যদি সত্যি সত্যি ব্যর্থতায় জীবন শেষ হয়ে যেত তাহলে ৬০ লক্ষ বছর ধরে আজ আমরা পৃথিবীতে রাজত্ব করে বেড়াতে পারতাম না।
👉🏾 মানুষ জেতে। আর সেই জেতা শিখতে হয়।
👉🏾 এইবারই মনটা হু হু করে ওঠে। কেন মনটা এমনি-এমনি ভাল লাগেনা। বাচ্চারা সবসময় হাসতে খেলতে থাকে। সে এমনি এমনি ভাল থাকে।
👉🏾 কিন্তু যেই পিউবারটি হয়, শরীরে আসে হরমোনের আনাগোনা। জীবন আস্তে আস্তে হয়ে যায় আরও বেশি কমপ্লেক্স। সেই সময় আমাদের এই ভালোলাগার উপরে ছেয়ে যায় এই নেগেটিভ বায়াসের ঘন-কালো ছায়া।
👉🏾 কোনদিন কিছু ভালো হলেও আমরা বিছানায় শুতে যাই এই ভেবে যে কোনটা খারাপ হয়েছে। কিন্তু এই মনের জারি-জুড়ি ধরে ফেলেছেন প্রফেসর মিকা বার্টেলস,
ওনার রিসার্চের ব্যাপারটাই আলাদা। পজিটিভ সাইকোলজি।
👉🏾 মানে কিভাবে আরো ভালো থাকবো, ভালো বোধ করব।
👉🏾 হাজার হাজার বছর ধরে মানুষ মনে করেছে জামা কাপড়, জিনিসপত্র কিনলে বা জিনিসপত্রের দখল নিলেই আমি সুখী হব। কিন্তু সে চেষ্টা ব্যর্থ। দু-দিনেই সে আনন্দ হারিয়ে যায়।
যখন লাখ কোটি টাকাতেও মানুষ হ্যাপিনেস কিনতে পারল না। তখন ১৯৭৮ সালে ব্রিকম্যান বলে এক সাহেব গবেষণা করলেন এবং প্রমাণ করলেন লটারি জেতার ছয় মাস বাদে মানুষ আরো বেশি আনহ্যাপি হয়ে যায়।
গবেষণার ফলাফল কেউ বিশ্বাস করেনি, এমনকি বিজ্ঞানীরাও নয়।
👉🏾 কিন্তু তারপর যতবার এই গবেষণা হয়েছে ততবার মানুষ বিশ্বাস করতে বাধ্য হয়েছে টাকা পয়সা গয়নাগাটির মালিকানা আমাদের আমাদের হ্যাপিনেস দিতে অক্ষম।
আর তারপর থেকেই বোধ হয় এই পজিটিভ সাইকোলজি ব্যাপারটার উৎপত্তি।
👉🏾 যেখানে গবেষণা হয়ে চলেছে কিভাবে আমাদের মন ভালো থাকে আরো। খোঁজ খোঁজ খোঁজ।
👉🏾 মিনেসোটায় যমজ বাচ্চাদের উপর গবেষণা করে জানা গেল বংশপরম্পরায় পাওয়া জিন আমাদের হ্যাপিনেস নিয়ন্ত্রণ করে। মানে হ্যাপিনেস জেনেটিক, অন্তত বেশ খানিকটা।
👉🏾 আমরা কতখানি হ্যাপি হবো তার প্রায় অর্ধেক বা ৪৮ শতাংশই নিয়ন্ত্রণ করে আমাদের বাবা-মা, ঠাকুরদা ঠাকুমার কাছ থেকে পাওয়া জিন।
👉🏾 তার মানে আমার বাবা যদি ****গোমড়ামুখো হন। মা যদি সারাক্ষণ তিতিবিরক্ত হয়ে থাকেন, তাহলে আমিও কি তাই হব? শুনতে খারাপ লাগলেও, বলতে অসুবিধা নেই খানিকটা সম্ভাবনা তার আছেই।
👉🏾 কিন্তু বাকি ৫২ শতাংশর কথা ভুলে গেলে চলবে না। এই ৫২ শতাংশ আমার আপনার দখলে, আমরা এদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারি।
কিভাবে?
আমাদের জীবনযাত্রা,
আমাদের নিজস্ব মানসিক দৃষ্টিভঙ্গি, আর হ্যাঁ
নেগেটিভ বায়াস কে সচেতনে বারবার প্রতিদিন এড়িয়ে যাওয়ায়।
কীভাবে, সেটা জানার আগে যা বললাম সেটা আবার শুনে নেই।
আমাদের অর্ধেক হ্যাপিনেস আসে আমাদের জিন থেকে মানে নেচার (Nature) বা প্রকৃতি আমাদের যা দিয়েছে। আর বাকি অর্ধেক আসে নার্চার (Nurture) বা আমরা নিজেদের কিভাবে লালন পালন করছি তার ওপরে।👉🏾 আমরা চাঁদে পৌঁছে গেছি। বহুদিন আগে পাঠানো ভয়েজার (Voyager) এখনো ৩ দশক পেরিয়ে মহাবিশ্ব থেকে রেডিও সিগন্যাল পাঠাচ্ছে আমাদের দিকে। কিন্তু এখনো যে মহাবিশ্ব আমাদের জয় করা হয়ে ওঠেনি সেটা আমাদের নিজস্ব ‘মন’।
👉🏾 কার মন কখন কি রকম থাকবে সেটা আমরা নিজেরাই বুঝতে পারি না। নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না।
কিন্তু আর দেরি নয়, বিজ্ঞানের হাত ধরে গুটিগুটি পায়ে জেনে ফেলেছে মানুষ কিভাবে আমাদের মস্তিষ্কের হ্যাপিনেস হরমোন সেরোটোনিন আর ডোপামিন কে নিয়ন্ত্রণ করবো আমরা।
👉🏾 এর মধ্যে যেটা সব থেকে সোজা আর চট করে করা যায় প্রতিদিন। এমনকি আজ রাত থেকেই আপনি শুরু করতে পারেন সেটা হলো রাতে শোয়ার আগে তিনটে জিনিস আপনার প্রাইভেট ডায়েরিতে লিখে রাখা। যে তিনটে জিনিস আপনার আজকে ভালো কিছু হয়েছে।
একে বলা হয় হ্যাপিনেস জার্নাল। যেটা আমাদের সাহায্য করে দৈনিক নেগেটিভ বায়াসকে ছাপিয়ে, হ্যাপিনেস খুঁজে পেতে।
👉🏾 সহজ নয়, কিন্তু শিখতে হবে। একটা উদাহরণ দিই,
👉🏾 ধরুন টালিগঞ্জের বাড়ি থেকে আপনি অটো করে বেরিয়ে এসপ্ল্যানেডে এসে আপনার অফিস করে, কটা মৌসম্বি লেবু আর কলা কিনে বাড়িতে ফিরলেন।
👉🏾 পথে অনেক কিছু হল। অটোওয়ালার সঙ্গে খুচরো নিয়ে টক-ঝক, মেট্রোতে ব্যাগ ছিঁড়ে যায় এরকম অকথ্য ভিড়। এসপ্ল্যানেডে নামতেই অসময়ের বৃষ্টি আপনাকে ভিজিয়ে দিল।
👉🏾 এসপ্ল্যানেডে মেট্রো গলির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় যে দোকানে আপনার এক্স এর সাথে বসে জীবনের প্রথম কাশ্মীরি পোলাও খেয়েছিলেন, সেটা চোখে পড়াতে বুকের ভেতরটা মোচড় দিলো।
👉🏾 অফিসে ঢুকে হয়তো দেখবেন আপনার চোয়াল ঝুলে পড়া বসের নিচের পাটির দাঁতগুলো বুল ডগের মত বেরিয়ে রয়েছে। সারাক্ষণ এটা হয়নি, সেটা হয়নি।
👉🏾 অফিসের সদা হাস্যময় আপনার কলীগ আপনারই পেছনে কাঠি করে যাচ্ছে সারাক্ষণ। আপনি বুঝতে পেরেও কিছু বলতে পারছেন না। সারাক্ষণ চাপা টেনশন।
👉🏾 আপনার থেকে 10 গুণ অযোগ্য আরেক কলীগ আপনার থেকে দশ গুণ বেশি মাইনে পাচ্ছে। মৌসম্বি আর কলা নিয়ে বাড়িতে ঢোকার সময় মনে পড়ল, এই যাহ দুধটা আনতে ভুলে গেছি তো!
👉🏾 অর্থাৎ দেখুন আমাদের জীবনে কিন্তু বেশিরভাগ সময়েই এমন জিনিস হয়ে যাচ্ছে যেটা আমাদের ততটা খুশি করে না।
👉🏾 কিন্তু তবুও জোর করে রাতে খাওয়ার পরে কিন্তু শোয়ার আগে আপনার ছোট্ট প্রাইভেট ডাইরিটা বার করে লিখে রাখুন তিনটে জিনিস যেটা আপনার আজকে ভালো হয়েছে।
👉🏾 যদি একদম কিছু খুঁজে না পান তাহলে আমি প্রথম দুটো আপনাকে বলে দিচ্ছি,
আজকে আমি রাত পর্যন্ত বেঁচে রয়েছি, তার মানে আপনি পৃথিবীর দেড় লক্ষ মানুষের থেকে ভালো যারা আজকের সূর্যোদয় দেখেনি আর কোনোদিন দেখতেও পাবেন না।
আপনি চোখে দেখতে পাচ্ছেন। পৃথিবীর ৪০ মিলিয়ন মানুষ চোখে দেখতে পায় না। আপনি অন্তত তাদের থেকে ভালো আছেন। তাইতো?
👉🏾 শুনতে হাস্যকর বলে মনে হলেও যখন আপনি লিখতে শুরু করবেন তখন কলমের ডগা দিয়ে আপনিই বেরিয়ে পড়বে। তবে শুরু না করলে কলমে আসবে না।
👉🏾 আপনি অটোয় আসতে আসতে দেখেছিলেন, অটো স্ট্যান্ডের মোড়ে কত সুন্দর লাল গোলাপ বিক্রি হচ্ছিল।
👉🏾 মেট্রো স্টেশনে ওয়েট করতে করতে অচেনা কোন পথচারীর সাথে আপনার চোখাচোখি হয়ে হালকা হাসি বিনিময় হয়েছিল।
👉🏾 অফিসে আজকে যেই টিফিনটা নিয়ে গিয়েছিলেন, তার ধোকার ডালনাটা, বেশ ভালই ছিল। আর হ্যাঁ অফিসেই তো আজকে আপনি প্ল্যান করেছেন যে সামনের পুজোতে কেদারনাথে যাবেন।
👉🏾 অচেনা ভালোলাগার মুহূর্তগুলো নিমেষে কলম দিয়ে বেরিয়ে আসবে। তবে হ্যাঁ লিখতে হবে।
ডায়েরীতে।
👉🏾 চোখের সামনে, অক্ষর গুলো থাকতে হবে।
👉🏾 আপনি যে অক্ষরগুলো ১ মাস বাদেও চোখে দেখে পড়তে পারবেন।
শুধু মনে মনে ভাবা, যথেষ্ট নয়।
👉🏾 আর হ্যাঁ তিনটি-ই কেন? তা আমার কাছে উত্তর নেই। মিকা বলেছে তিনটি। আমিও লিখছি তিনটি। এরকম পজিটিভ মেসেজ লিখে রাখতে হবে প্রতি রাতে শোয়ার আগে।
👉🏾 প্রথম ৭০ দিন ভুলে যাবেন, তাই মোবাইলে অ্যালার্ম দেবেন। ৭০ দিন পর থেকে আপনার ব্রেন নিজেই মনে রাখবে। কেন ৭০ দিন? জানতে চাইলে নীচে লিখুন। আরেকদিন বলব।
👉🏾 মিকা এই কথাটা কিভাবে জানলো সেটা পড়তে হলে নানা রকম গবেষণার খটমটো লিঙ্ক দিয়ে দেবো যেদিন লেখা টা Substack - এ পাবলিশ হবে।
👉🏾 তবে আমি যাদের বলেছি, তারা প্রত্যেকেই উপকৃত হয়েছেন অবিশ্বাস্যভাবে। শুধু এই ছোট পদক্ষেপে।
👉🏾 তিনটি বাধা আসে এসময়- ১) এসব করে কী হবে ২) প্রথম কদিন ভুলে যাওয়ায় হাল ছেড়ে দেওয়া ৩) ডায়েরি টা যদি কারও হাতে পড়ে?
👉🏾 এসব পেরিয়ে গেলেই একটা দারুণ ভোর অপেক্ষা করছে আপনার জন্য। একদিনে এর কোন ফলাফল পাওয়া যাবে না, কিন্তু মাসের পর মাস লিখতে লিখতে নিজের অজান্তেই দেখবেন জীবনের মোড়গুলো পাল্টে যাচ্ছে।
👉🏾 একই পথে প্রতিদিন যাতায়াত করতে করতে আপনি যা নজর করতেন, আপনার মন এখন অন্য ভাল কিছু নজর করছে। অফিসের পলিটিক্স ছাপিয়ে মনটা গুনগুন করে গাইছে।
👉🏾 পাড়ার লোকেদের জাজমেন্ট আর আত্মীয়দের তিরস্কার ছাপিয়ে মন চলে যাচ্ছে অনাবিল রামধনুর দেশে। যেখানে প্রাণভরে অক্সিজেন নেওয়া যায়।
👉🏾 ব্যর্থতা, হতাশা জীবনের সঙ্গী কিন্তু সেখান থেকে ছাপিয়ে যাওয়ার নামই হ্যাপিনেস।
👉🏾 আর হ্যাঁ হ্যাপিনেসের বাংলা কি হয় আপনার কোন আইডিয়া আছে? অন্তত আমার মনমত হ্যাপিনেসের সরাসরি বাংলা প্রতিশব্দ এখনও খুঁজে পাইনি।
আপনি যদি জানেন তাহলে আমাদের জানান। আপনার কাছ থেকে শিখব
This is an impartial , unsponsored health information. For public awareness and not a replacement of Medical Advice.
Search tool: happiness three 3 words Meike Bartels Positive Psychology Negative Bias Negativity












