#পটি ( পর্ব ২ )
তোমার কি বুদ্ধি পিসি!! পিসে অফিস থেকে ফেরার সময় তোমার জন্য একটা নোবেল প্রাইজ আনতে বলবো। ঠিক এই কাজটাই করেছিল ব্রিস্টল। বাকি পর্বের লিঙ্ক নিচে
আগের পর্বের পর…
বেড়ে হয়েছে পিসি আচারি চিকেনটা। কিন্তু তুমি নিচ্ছ না কেন? পিসে খায়নি বলে খাবে না, নাকি ?
পিসি একগাল হেসে বলে, আরে না না পিসেকে লাঞ্চ প্যাক করে দিয়ে দিয়েছি।
তাই বলে শুধু ঢ্যাঁড়স খাবে ? কি হয়েছে তোমার বলতো ?
তোমার মুখটা কেমন শুকনো লাগছে!
পিসির গলা করুণ! আর বলিস না আজ ৪৪ নং পদ্মপুকুরের টয়লেট একদম ফ্লপ।
পথে এস পিসি, সাধে কি গোপাল ভাঁড় বলেছিলেন ভালো পটি হওয়ার পর মানুষ সবথেকে সুখী!
তা তোমার কত নম্বর টাইপের পটি হলো ?
হেসেই আকুল পিসি.. উফফ! পটির আবার টাইপ কি রে?
- আছে আছে! ১ থেকে ৭..
- গুল মারিস না, তুই আমাকে ছুঁয়ে বল! পিসির বিশ্বাসের কল্কে পেতে আরেকটু খাটা খাটনি প্রয়োজন মনে হচ্ছে!
সবের টাইপ আছে গো পিসি, পটি, কাশি, চুলপড়া সওব!
জানো তো, ব্রিস্টল এর বিজ্ঞানীরা প্রথম পটির টাইপ আবিষ্কার করেন।
- ব্রিস্টল মানে যেখানে রামমোহনের সমাধি ? পিসির এসব ইতিহাস কণ্ঠস্থ।
- হ্যাঁ ঠিক! প্রথমে বিজ্ঞানীরা পটির নামকরণ শুরু করার চেষ্টা করেছিলেন চেনা জিনিসের সাথে আকার মিলিয়ে। কিন্তু তাতে নানা গোল বাধল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ব্রিস্টলের বিজ্ঞানীরা তাকে আরও বিজ্ঞানসম্মত করে তোলেন।
এই যেমন তুমি একটু আগে বললে আজ তোমার একটুও ভাল পটি হয়নি, ঠিক যেন ছাগল পটি!
ধরে নাও, তুমি গ্লোবট্রটার পিসের সাথে গ্যাছো জার্মানিতে, সেখানে গিয়ে যদি বল
গোট -পটি হচ্ছে, ডাক্তার ফ্যালফ্যাল করে শুধু তাকিয়েই থাকবে, তোমার ওষুধ লিখতেই পারবে না সে।
তাই শেষে মানুষ বললো, তুলনা করে পটির নাম দেবে।
ছাগল পটি হলো মার্বেল যেটায় বেজায় কষ্ট, তারপর হলো ক্যাটারপিলার মানে শুঁয়োপোকার মতো একটুস পটি, আর মন ভালো করা পটি হলো সসেজ আর আরো একটু ভালো হলে সাপের বাচ্চা।
আবার পেটখারাপ হলে, জেলির বা গলা আইসক্রিমের মতো।
আর একদম পেট খারাপের নাম হলো জ্যাকসন পোলক। তরলস্য তরল পটি- শিবরাম পড়তে হলে প্যান্ট ভিজে যাবে।
- সসেজ, শিবরাম তো বুঝলুম কিন্তু জ্যাকসন পোলক কি রে ? পিসির কৌতুহল তুঙ্গে!
- ‘কি’ নয়, ‘কে’ বলো !
বিখ্যাত আমেরিকান অ্যাবস্ট্রাক্ট আর্টিস্ট, তুলি থেকে তরল রং ছিটিয়ে উনি ক্যানভাসে আঁকতেন জগৎ বিখ্যাত ছবি। কিন্তু তুমিই বলো ওঁনার তুলির রঙের সাথে পটির তুলনা - কি বিচ্ছিরি!
তারথেকেও বড়ো কথা পিসি, তুমি না হয় সসেজ বুঝলে কিন্তু রামপুরহাটের বিশ্বাস কাকাকে সসেজ পটি বোঝাতে গেলে উনি পালিয়ে যাবেন।
এমনও হয়েছে ডাক্তারকে বোঝাতে বিফল হয়ে রোগী হাসপাতালে গিয়ে পটি করছে ডায়াগনোসিসের জন্য। তখন হোয়াটস্যাপ থাকলে সকালে ডাক্তারের চা-বিস্কুটের সাথে মোবাইলে পটির গুডমর্নিং বার্তা আসতো।
- আচ্ছা ছবির কথা বললি বলে মনে পড়লো, ছবি দেখিয়ে পটি বোঝা যায় না ?
- তোমার কি বুদ্ধি পিসি, পিসে অফিস থেকে ফেরার সময় তোমার জন্য একটা নোবেল প্রাইজ আনতে বলবো। ঠিক এই কাজটাই করেছিল ব্রিস্টল।
পটির ধরণ আর সাথে আঁকা ছবি।
পটির ১ নং পটি হলো ছাগল পটি আর ৭ নং হলো একদম ঝোল।
৩ আর ৪ হলে আমরা সবাই খুশি।
- দাঁড়া দেখি আমার আজকে কত নং হলো! পিসি একটা প্রাত্যহিক কাজ পেয়েছে মনে হলো!
- দেখো, গুগুল সার্চ করো - ব্রিস্টল পটি চার্ট!
- আমার তো ১ আর শেষের দিকে একটু ২ হলো - তুই কিন্তু আমাকে একটা ওষুধ লিখে দিবি যাবার আগে।
- ওষুধ ? ওষুধ কেন খাবে এখনই ? তোমায় ওষুধ লিখলে নাটালের গাট্টা এসে পড়বে আমার মাথায়।
ডেভিড নাটাল আমার কনসালটেন্ট ছিলেন স্টকপোর্টে। পেশেন্ট আমাকে এসে সকালের আর্তনাদের কথা বলে আমি গুছিয়ে একটা ভালো ওষুধ লিখলাম। সে প্রেসক্রিপশন পড়বি তো পড় নাটালের হাতে। নাটাল তো রেগে কাঁই। হুঙ্কার দিয়ে বললেন, তুমি যদি এই হারে ওষুধ লেখো তাহলে তো পৃথিবীর সবাইকে পটির ওষুধ দিতে হবে।
আমি কাঁদোকাঁদো । মিনমিন করে বললাম, কিন্তু ওঁনার তো বড্ডো কষ্ট। খুব ভয় পেয়ে গেলাম, বহু কষ্টে পাওয়া চাকরিটা বুঝি গেলো। নাটালকে দেখেই রেসিস্ট মনে হয়।
কিন্তু সেদিন নাটাল আমাকে আবারও বুঝিয়েছিলেন একটা নীতি, যেটা আমিও MBBS পড়ার সময় পড়েছিলাম বটে, কিন্তু আত্মস্থ করতে পারিনি সেই সময়।
পটির ওষুধ শুধু তীব্র অসুবিধের সময় সাঁকো পেরনোর জন্য দেওয়াই ভাল, যখন কিছুই কাজ করছে না। কিন্তু মানুষকে না বোঝালে সাঁকো পেরোলেই আবার মুখ থুবড়ে পড়বে। পটির ওষুধ বন্ধ করলেই আবার সকালে কষ্ট ফিরে আসবে।
তাহলে কি সারাজীবন ওষুধ ? একদম না। বরং ওষুধ খাবার আগে চেষ্টা করা উচিত যথেষ্ট জল। জল না খেলে কোলনে পটি থেকে জল বেরিয়ে পটি হবে শুকনো, তাকে ঠেলে বের করা কি মুখের কথা ? আমাদের দেশে ঘামে আরো বেশি জল খাওয়া উচিত ৩ লিটার তো বটেই।
তুমিও খাও পিসি।
- রক্ষে কর, অত জল খেতে পারবো না। কতবার বাথরুম যেতে হবে বলতো ? ইউরিন করে মাথা খারাপ। তোরা বুঝবি না মেয়েদের কি কষ্ট। তোরা তো যেখানে সেখানে দাঁড়িয়ে পড়বি প্যান্টের চেইন খুলে, চাঁদ -সূর্য বা দেওয়ালের দিকে মুখ করে।
- স্বাধীনতার ১০০ বছর হতে চললো। এখনো বাইরে বেরোতে হলে দেড় ঘন্টা আগে থেকে জল খাওয়া বন্ধ করে দিই। হিসু পেলে যাবো কোথায় ? যেকটা টয়লেট আছে সেখানেও তো জল -কাদা -পানের পিক। মনে কি হয় কারো বোন - বৌ - মা- মেয়ে আছে ?
- আমরা বন্ধুদের গ্ৰুপে ঠিক খবর পেয়ে যাই, কোথায় কোথায় ভালো টয়লেট আছে। আমরা শুধু সেই দোকানেই বাজার করতে যাই। দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়েতে শুধু একটা ধাবাতেই ভালো টয়লেট - সেটাও জানি। অবিশ্যি সেটা ভেজ ধাবা তোর পিসের পছন্দ নয়, কিন্তু আমার জন্য যায়। হু হু আমরাও সেয়ানা এখন।
- তাহলে প্রব্লেম কোথায়? জল খাও ইউরিন করো আর সাথে মন খুশি করা পটি ফ্রি।
তবে শুধু জল দিয়ে তো পটি হবে না। তার জন্য চাই বর্জ্য পদার্থ। ঘাসপুস। মানে যেটা আমরা হজম করতে পারি না। ফাইবার জাতীয় খাবার। ঢ্যাঁড়স , শশা , শাক, লেটুস, এঁচোড়, কচু , মোচা , পেয়ারা , আমলকি আরও কত আছে। ভালো করে চিবিয়ে খেলেই হলো।
তবে হ্যাঁ, নিয়মিত খেতে হবে। মরণকালে হরির নাম চলবে না।
কারণ মুখে যা খাবে, তার এফেক্ট পটিতে বেরোবে পরশু।
- ভুলভাল বলিস না, নন্দিনীর বিয়েতে বাসি বিরিয়ানি খেয়ে ৪ ঘন্টার মধ্যে আমার জ্যাকসন পোলক হয়ে গেলো।
- পিসি, ব্যতিক্রমের খেলায় আটকে যেয়োনা। আমরা স্বাস্থ্য আর সংবাদে শুধুই ব্যতিক্রম খুঁজি। কার সারাদিন ব্যায়াম করেও হার্ট এট্যাক হয়েছে। আর কে সপ্তায় দুবার পাঁঠার মাংস খেয়েও বহাল তবিয়তে আছে।
তুমি যদি তোমার নাতিকে শুধু SpellBee চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য Qatar , Qiviut , Qanats শব্দগুলো শেখাও তাহলে তো বেচারি কোনোদিনই জানবে না যে Q এর পর U আসে।
নিয়ম ভালো করে আত্মস্থ হলে তবেই ব্যতিক্রমের জ্ঞান সোনা ফলাতে পারে। ফুড পয়সনিং তো হয় জীবাণুর টক্সিনে। শরীর বেচারা ধরে ফেলে যে টক্সিন তার ক্ষতি করবে, তাই সে তড়িঘড়ি তার দুর্বল মাংসপেশি চালিয়ে পায়খানা দিয়ে ছুঁড়ে ফেলে ক্ষতিকর জীবাণুকে। বার বার।
সেই টক্সিন লঘু করার জন্য বেরোয় শরীর থেকে প্রচুর জল। যাকে বলে ডায়রিয়া।
আর জীবাণু যদি গলার কাছে থাকে, তবে তাকে শরীর বার করে মুখ দিয়ে ছুঁড়ে - যাকে বলে বমি।
শরীরের এই নীতি কাজে লাগিয়ে বিজ্ঞান সোনা ফলিয়েছে। পটির রাস্তাকে নিস্তেজ 'টক্সিক ' কেমিক্যাল' দিয়ে ইরিটেট করে পায়খানা নরমের ওষুধও বিজ্ঞান বার করেছে।
কিন্তু নরমালি এত তাড়াতাড়ি পটি তৈরি হয় না। মুখ থেকে পেছন পর্যন্ত যেতে যা সময় লাগে তাকে বলে বাওয়েল ট্রানজিট টাইম। বাওয়েল ট্রানজিট টাইম কয়েক ঘন্টা থেকে ৪৮ ঘন্টা পর্যন্ত।
ঠিক যেমন ট্রেন। মুখ থেকে এনাল ক্যানাল পর্যন্ত ট্রেন যায়।
ঠিক যেমন শিয়ালদা থেকে নিউ জলপাইগুড়ি ট্রেন -- দার্জিলিং যাওয়ার সময়। তবে সে ট্রেন শুধু এক মুখেই যায় শিয়ালদা থেকে দার্জিলিং।
এই ট্রেনের গতির পোশাকি নাম পেরিস্টলসিস।
শরীরে কোন বিষ ঢুকলে সেই ট্রেনের গতিবেগ বেড়ে যায় অনেক বেশি। সে বিষ বার করার জন্য বারবার ট্রেন চলবে দার্জিলিং এর দিকে - আর সাথে হবে ডায়রিয়া।
এই ট্রেন চালানর জন্য দায়ী পটির রাস্তার পাতলা মাংসপেশি আর তার জটিল স্নায়ুতন্ত্র। এই স্নায়ুতন্ত্রে চিনি জমলে তা অলস হয়ে যায়। অনেকদিনের ডায়াবেটিস থাকলে আবার ট্রানজিট টাইম বিলম্বিত হয়ে যায় ।
পটি স্লো হয়ে যায়। কোলনে পটি নড়তেই চায় না । তাই পথে থেকে জল শুষে নেয় নেওয়ার জন্য শরীর অনেকক্ষণ সময় পায়। পটি হয়ে যায় শুকনো। অনেক ডায়াবেটিক মানুষ তাই কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভোগেন ।
আবার উলটো দিকে দার্জিলিং থেকে ট্রেন শিয়ালদা অভিমুখে এলে - হয়ে যাবে বমি।
পেটের কোন বড় অপারেশনের ট্রেন একদম বন্ধ হয়ে যায়।
কখনো কখনো সেই ট্রেন আবার তিন-চার ঘণ্টা বাদে আবার যাত্রা শুরু করে কিন্তু বড়োসড়ো অপারেশনের ক্ষেত্রে সেই যাত্রা ফিরে আসত 4 দিন পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
অপারেশনের পরে সার্জনরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন কখন পটি রাস্তা দিয়ে আবার সেই ট্রেন চলবে। ট্রেন আবার চলতে শুরু করা সেরে ওঠার একটা বড় ধাপ।
তবে সেটা আরেক রাত জাগা সার্জনের গল্প, হবে পরে একদিন।
আবার এদিকে শরীর নাচিয়ে যদি ভালো করে ব্যায়াম করা যায় তাহলে পটি আরো ভালো হবে।
তবে মনে রাখা দরকার এরোবিক্স বা ভরতনাট্যমে যেমন সুফল মেলে, ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে আধো ঘুমে শুধু শ্বাসের ব্যায়াম করলে কিন্তু সুফল মিলবে না। ব্যায়াম হওয়া চাই জবরদস্ত।
তাই সেদিন আমাকে নাটাল বলেছিল আগে জল, তারপর ফাইবার, তারপরে ব্যায়াম। এর পরেও যদি পটি ভালো না হয়, তাহলে - ওষুধ। কারণ ওষুধ দিলে কাজ হবে বৈকি কিন্তু জল-ফাইবার- ব্যায়াম এর ত্রহ্যস্পর্শ না থাকলে ওষুধ বন্ধ করলেই আবার গাড়ির স্টার্ট বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
- বুঝলাম, তাহলে তুই আমাকে তাহলে ওষুধ দিবি না তাইতো? দরকার নেই আমার বিনে পয়সার ডাক্তারের। আমি কালকেই সরকার মেডিকেলে গিয়ে ওখানকার ডাক্তারবাবুকে দিয়ে ওষুধ লিখিয়ে নিয়ে আসব।
- ঠিক পিসি তুমি তো একদম মনের কথাটাই বুঝে নিয়েছো। এক ডাক্তারের কাছে ওষুধ না পেলে যাবে আরেক ডাক্তারের কাছে। যার কাছ থেকে চলে যাবে সে পুরো বিজ্ঞান জেনেও তোমার কাছ থেকে ফিস পাবে না। তাঁর মেয়ের স্কুলের মাইনে দিতে জান কয়লা হয়ে যাবে।
কারণ তুমি যাবে আর কারো কাছে যেখানে তুমি ওষুধ পাবে সহজে। যার কাছে যাবে তিনিও নিজের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়েছেন - উনি বুঝেছেন যে পেশেন্ট শেষ পর্যন্ত ওষুধ পাবেই। ডাক্তার থেকে না হলে, ফার্মাসি থেকে। তাহলে ওষুধ লিখে ফিস নিতে অসুবিধা কোথায়।
সেদিন এই বেপরোয়া ব্যাপারটা বোঝাতেই নাটাল আমার মাথায় গাট্টা মেরেছিলেন। তারপরে আর ওষুধ লিখিনা - একদম দরকার না হলে।
আর হ্যাঁ, দীর্ঘদেহী, টেকো, ব্যারিটোন ভয়েসের, আদ্যোপান্ত ককেসিয়ান ডেভিড নাটাল একদমই রেসিস্ট ছিলেন না। বরং, আমার বড্ড ভালো বন্ধু হয়ে উঠেছিলেন সেই অসম বয়সেও।
- ঠিক আছে তাহলে ওষুধ দিস না। তাহলে আমি জল- ফাইবার আর আরেকটু ভালো করে ব্যায়াম করেই দেখি।
কিন্তু তুই আমাকে একটু বল যে পটির রাস্তা ইরিটেট করে কি করে পটির ওষুধ আবিষ্কার হলো।
- আগে একটু ভালো করে চা খাওয়াও না প্লীজ পিসি। বল্টুর মাকে বল না প্লীজ একটু, রান্না করা মশলা চা খাওয়ায় যেন!
এরপরের গল্প কিন্তু একটু ওষুধের কচকচানি! তুমি শুনলে বোর হয়ে যাবে না তো?
- আরে বলিস কি! আমার নিজের শরীরে কী ওষুধ ঢুকবে, তা জানার এমন সুযোগ হাতছাড়া করবো?
(ক্রমশ... )
সব পর্বের লিঙ্ক
#পটি (পর্ব-১ )
#পটি (পর্ব-২ )
#পটি (শেষ পর্ব )
This is an impartial , unsponsored health information. For public awareness and not a replacement of Medical Advice.
Search Tool : Potty Bowel Laxative Lactulose Dulcolax Laxative Isphagula Constipation Color Piles Bleeding PR Blood with potty Paraffin colon types of stool Bristol Stool Chart Vomiting Peristalsis Flatus Wind Fart water Rectum Anus Oesophagus small bowel large bowel Duodenum Jejunum Ileum










